× Banner
সর্বশেষ
শ্যামনগরে প্রতিবন্ধী,দুস্থ ও অসহায় ব্যক্তিদের মাঝে দুই লক্ষাধিক টাকার চেক বিতরণ শিল্প মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খানের ৪২তম শাহাদৎবার্ষিকী অনুষ্ঠিত তনু হত্যা মামলায় সাবেক সেনাসদস্য হাফিজুরের জামিন বাতিল, আত্মসমর্পণের নির্দেশ লিবিয়ায় মাফিয়ার নির্যাতনে মাদারীপুরের যুবকের মৃত্যু পাইকগাছায় ছাত্র ও দরিদ্র মানুষের মাঝে সাইকেল, সেলাই মেশিন ও ভ্যান বিতরণ মার্কিন প্রশান্ত মহাসাগরীয় নৌবহর কমান্ডারের বাংলাদেশ সফর শেষ ভারতীয় হাইক‌মিশনা‌রের স‌ঙ্গে আইএবিডির প্রতি‌নি‌ধিদ‌লের সাক্ষাৎ গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটের জবাব চেয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি ১১ দলের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কা‌ছে ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধির পরিচয়পত্র পেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক

নবম ওয়েজ বোর্ড বাস্তবায়নের ওপর জোর তথ্যমন্ত্রীর, সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিতের আহ্বান

ACP
হালনাগাদ: বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, ২০২৬
নবম ওয়েজ বোর্ড বাস্তবায়নের ওপর জোর তথ্যমন্ত্রীর

সাংবাদিকদের জন্য সম্মানজনক বেতন, চাকরির স্থায়িত্ব এবং নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে নবম ওয়েজ বোর্ড দ্রুত বাস্তবায়নের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। একই সঙ্গে তিনি গণমাধ্যম শিল্পে বিনিয়োগের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রাষ্ট্রের নীতিগত সহায়তার প্রয়োজন রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) রাজধানীর একটি বেসরকারি মিডিয়া গ্রুপের প্রধান কার্যালয় পরিদর্শনের সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, সাংবাদিকদের আর্থিক অনিশ্চয়তা দূর না হলে পেশাদার সাংবাদিকতার মান ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। পাশাপাশি অপসাংবাদিকতার সুযোগও বাড়তে পারে। তাই মেধাবী ও দক্ষ সাংবাদিকদের এই পেশায় ধরে রাখতে সম্মানজনক বেতন-ভাতা এবং কার্যকর ওয়েজ বোর্ড বাস্তবায়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তার মতে, উপযুক্ত বেতন কাঠামো নিশ্চিত হলে সাংবাদিকরা আরও স্বাধীন, নিরাপদ ও সৃজনশীল পরিবেশে কাজ করার সুযোগ পাবেন, যা সামগ্রিকভাবে গণমাধ্যমের মানোন্নয়নে ভূমিকা রাখবে।

গণমাধ্যম শিল্পে বিনিয়োগে নীতিগত সহায়তার আহ্বান

জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, সংবাদপত্র ও গণমাধ্যম শিল্পের মালিকদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে এমন একটি পরিবেশ তৈরি করতে হবে, যেখানে তাদের বিনিয়োগ নিরাপদ থাকবে। একই সঙ্গে সরকারকে এমন নীতিমালা প্রণয়ন করতে হবে, যা গণমাধ্যম খাতে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগকে উৎসাহিত করবে।

স্বাধীন গণমাধ্যম গঠনে সরকারের অঙ্গীকার

তথ্যমন্ত্রী জানান, বর্তমান সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও সংস্কারে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী নিয়মিতভাবে গণমাধ্যমের স্বাধীন পরিবেশ, প্রয়োজনীয় সংস্কার এবং সংশ্লিষ্ট কমিশন গঠনের বিষয়ে দিকনির্দেশনা দিয়ে আসছেন। সরকারের লক্ষ্য হলো অংশীজনদের মতামতের ভিত্তিতে একটি আধুনিক, দায়িত্বশীল, স্বাধীন ও টেকসই গণমাধ্যম ব্যবস্থা গড়ে তোলা।

ভুয়া তথ্য মোকাবিলাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ

গণমাধ্যমের বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ সরকার ও গণমাধ্যমের সম্পর্ক নয়; বরং ভুয়া ও বিভ্রান্তিকর তথ্যের বিস্তার রোধ করা। এ ক্ষেত্রে রাষ্ট্র, সমাজ এবং মূলধারার গণমাধ্যমকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের প্রতিযোগিতায় মূলধারার গণমাধ্যম

তিনি বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং স্বাধীন ডিজিটাল কনটেন্ট নির্মাতাদের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধির ফলে বিজ্ঞাপনের বড় অংশ এখন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে চলে যাচ্ছে। এই বাস্তবতায় মূলধারার সংবাদমাধ্যমকে প্রযুক্তিনির্ভর ও আরও প্রতিযোগিতামূলক হয়ে উঠতে হবে।

সরকারি বিজ্ঞাপন বণ্টনের ক্ষেত্রেও দর্শক ও পাঠকসংখ্যাকে গুরুত্বপূর্ণ সূচক হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ ধরনের মূল্যায়নে প্রযুক্তিনির্ভর ও স্বচ্ছ পদ্ধতি অনুসরণ করা প্রয়োজন।

সভায় বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক ও টেলিভিশন চ্যানেলের সম্পাদক, নির্বাহী সম্পাদক এবং সংবাদ বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..