× Banner
সর্বশেষ
কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে এনসিপির বিক্ষোভ মিছিলে হামলার অভিযোগ, আহত বেশ কয়েকজন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রয়োগে জনপ্রশাসন হবে অধিকতর জনবান্ধব – জনপ্রশাসন উপদেষ্টা স্বাস্থ্য খাতকে আরও শক্তিশালী করতে চিকিৎসকদের সহযোগিতা অপরিহার্য – স্থানীয় সরকার মন্ত্রী সুদের টাকার জন্য বিধবার গাভী নিয়ে গেলেন দাদন ব্যবসায়ী যাত্রীসহ স্টেশনে ট্রেন রেখে চালক উধাও, ফিরলেন ১ ঘণ্টা পর এনসিপি নতুন বন্দোবস্ত বাস্তবায়নের নামে ভন্ডের রাজনীতি কায়েম করছে – রাশেদ খাঁন ঝিনাইদহের পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গাছের চারা বিতরণ ঝিকরগাছা সরকারি এম.এল. মডেল হাইস্কুলে অনলাইনে ফলাফল প্রকাশ ছাত্রীদের মাঝে শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের স্যানিটারী ন্যাপকিন বিতরণ জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৬ ফাইনালে কালীগঞ্জ পৌরসভা দল চ্যাম্পিয়ন

ডেস্ক

দেশকে রক্ষার জন্য স্থিতিশীলতার দরকার -পরিকল্পনামন্ত্রী

Dutta
হালনাগাদ: বৃহস্পতিবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৩
দেশকে রক্ষার জন্য স্থিতিশীলতার দরকার

ব্যবসা-বাণিজ্যের জন্য স্থিতিশীলতার দরকার। দেশকে রক্ষার জন্য এবং উচ্চপর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা দরকার। রাজনীতিতে যদি স্থিতিশীলতা না থাকে এবং একে অন্যের পায়ে পা দিয়ে যদি ক্ষতি করে তাহলে আমরা ব্যর্থ হব বলে জানিয়েছেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান।

বৃহস্পতিবার (২৪ আগস্ট) মতিঝিলে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি মিলনায়তনে এক সেমিনারে তিনি এ কথা জানান।

দ্বাদশ নির্বাচনে ব্যবসায়ীদের কাছে বর্তমান সরকারের জন্য সমর্থন চেয়ে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, আপনারা ব্যবসা করেন, আমিও ব্যবসা করি। আমার ব্যবসা ভোটের ব্যবসা, রাজনীতির ব্যবসা।

তিনি বলেন, ব্যবসা-বাণিজ্যের সঙ্গে সম্পর্কিত এনবিআর, শিল্প মন্ত্রণালয়, অর্থ মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ ব্যাংক ও রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোতে যারা আছেন তাদের মধ্যে মাঝে মাঝে মতবিরোধ তৈরি হয়। এতে ক্ষতি হয় উদ্যোক্তাদের এবং শিল্পের। এতে উৎপাদনও ব্যহত হয়। তাদের মধ্যে এ মতবিরোধ দূর করতে আমরা উদ্যোগ নেব।

তিনি আরও বলেন, আমদানি বিকল্প শিল্পের প্রতিস্থাপনে যেসব খাতের সম্ভাবনা আছে সেগুলোকে উৎসাহ দেওয়া হবে। তাইওয়ান, দক্ষিণ কোরিয়া, এবং মালয়েশিয়া কৃষি থেকে টেক্সটাইল, টেক্সটাইল থেকে ক্ষুদ্র শিল্প এবং ক্ষুদ্র থেকে বৃহৎ শিল্পে নিয়ে গেছে। এটিই শিল্পের ধারা। আমাদের শিল্প সেভাবেই এগোচ্ছে। কিন্তু এগুলোর পথে আমাদের কিছু সমস্যা রয়েছে। এসব সমস্যা সমাধানে আমরা কাজ করছি।

সেমিনারের মূল প্রবন্ধে ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এম শোয়েব হোসেন নোবেল বলেন, ‘বাংলাদেশের হালকা-প্রকৌশল খাত থেকে বর্তমানে বার্ষিক আয় প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা, জিডিপিতে যার অবদান ৩ শতাংশ এবং প্রতিবছর এ খাতটি ১০ শতাংশ হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ খাতে প্রায় ১ দশমিক ৬ মিলিয়ন লোকের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হয়েছে এবং স্থানীয় চাহিদার প্রায় ৫০ শতাংশ আমরা উৎপাদন করতে সক্ষম হয়েছি।’


এ ক্যটাগরির আরো খবর..