× Banner
সর্বশেষ
রাজনৈতিক বিভেদের ঊর্ধ্বে থেকে আইনজীবীদের কল্যাণে কাজ করতে হবে – আইনমন্ত্রী মাহ্দী আমিনের সাথে জ্যঁ পেম-এর সাক্ষাৎ বাংলাদেশে মানসম্পন্ন উন্নত আধুনিক চিকিৎসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে হবে – সমাজকল্যাণ মন্ত্রী যৌতুকের দাবিতে নির্যাতনে গৃহবধূর মৃত্যু; শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা পলাতক জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক রূপান্তরের প্রধান কারিগর যাদু মিয়া – তথ্যমন্ত্রী বিনা চিকিৎসায় কোনো নাগরিক মারা যাবে না – স্বাস্থ্যমন্ত্রী মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রীর সাথে বাংলাদেশে নিযুক্ত ডব্লিউএফপি’র কান্ট্রি ডিরেক্টরের সাক্ষাৎ পাইকগাছায় ঘরের তালা ভেঙে আরএফএল কর্মকর্তার লাশ উদ্ধার, বাইকসহ চম্পট রুমমেট নির্মাণ কাজের গুণগত মানে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া যাবে না – নৌ প্রতিমন্ত্রী ৩ দফা দাবিতে মোবারকগঞ্জ সুগার মিলসে ৫ দিনের আন্দোলন, বিক্ষোভ মিছিল ও কর্মবিরতি পালন

দেওয়ানি মামলা তিন মাসের মধ্যে বিচারিক আদালতে না পাঠানোর নির্দেশ

admin
হালনাগাদ: সোমবার, ৩০ মে, ২০১৬

বিশেষ প্রতিবেদকঃ উচ্চ আদালতে বিচারাধীন দেওয়ানি আপিল, রিভিশন মামলাগুলো বিচারিক আদালতে (জেলা আদালত) আগামী তিন মাসের মধ্যে না পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

আজ সোমবার বিচারপতি মঈনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি ইকবাল কবিরের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আইন মন্ত্রণালয়ের সচিব, সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল ও হাইকোর্টের রেজিস্ট্রারকে আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে এই রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

একই সঙ্গে নিম্ন আদালতের বিচারকদের আর্থিক এখতিয়ারের ক্ষমতা বৃদ্ধি করা কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না তাও জানতে রুল জারি করেছেন আদালত।

দেওয়ানি আদালত আইন (সিভিল কোর্টস অ্যাক্ট)-১৮৮৭ সংশোধন করে গত ১২ মে প্রজ্ঞাপন জারি করে সরকার। সংশোধিত আইন অনুযায়ী এখন থেকে একজন সহকারী জজ দুই লাখের পরিবর্তে ১৫ লাখ, সিনিয়র সহকারী জজ চার লাখের পরিবর্তে ২৫ লাখ এবং জেলা জজ পাঁচ লাখের পরিবর্তে পাঁচ কোটি টাকা মূল্যমানের মামলা নিষ্পত্তি করতে পারবেন।

সংশোধিত এই আইনের ৪ (৩) ধারায় বলা হয়েছে, সংশোধিত আইনের ফলে উপরোক্ত মূল্যমানের হাইকোর্টে বিচারাধীন আপিলগুলো শুনানি ও নিষ্পত্তির জন্য জেলা জজ আদালতে ফেরত যাবে।

আইনের এই ধারাটির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট আবেদন দায়ের করেন ব্যারিস্টার সাইদুল আলম খান, ব্যারিস্টার আবদুল্লাহ আল সাঈদ ও ব্যারিস্টার শুভ্রদেব রাতুল।

আবেদনে বলা হয়, সংশোধিত এই আইনের ফলে বিচারপ্রার্থীরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। কারণ হাইকোর্টের বিচারাধীন আপিলগুলো শুনানি ও নিষ্পত্তির জন্য নিম্ন আদালতে ফেরত গেলে সেখানে বিচারের আরো একটি ধাপ বাড়বে। নিম্ন আদালতে মামলা নিষ্পত্তির পর সংক্ষুব্ধ পক্ষ পুনরায় হাইকোর্টে আপিল করবেন। ফলে বিচারপ্রার্থীদের ভোগান্তির কারণ হবে, বাড়বে মামলাজট।

আজ আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার সাইদুল আলম খান।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..