দূর্গা পুজায় ৩ দিনের সরকারী ছুটির দাবীতে হিন্দু মহাজোটের মানব বন্ধন

বিশেষ প্রতিবেদকঃ সনাতন হিন্দু ধর্মালম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শ্রী শ্রী দূর্গা পুজায় ৩ দিনের সরকারী ছুটির দাবীতে এক মানব বন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসুচী পালন করে।

আজ ৩০সেপ্টেম্বর ২০১৬ শুক্রবার ১১টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের সম্মূখে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচী পালন করেন বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু যুব মহাজোট।

হিন্দু মহাজোটের নির্বাহী সভাপতি অ্যাডঃ দীনবন্ধু রায় এর সভাপতিত্বে মানব বন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, শ্রীমৎ স্বামী শঙ্করানন্দ পুরী মহারাজ, সিনিয়র সহ সভাপতি ডঃ সোনালী রাণী দাস, ডঃ অচিন্ত কুমার মন্ডল, মানিক চন্দ্র সরকার, ডাঃ এম. কে রায়, সুভাষ সাহা,  বি.বি. গোস্বামী, প্রধান সমন্বয়কারী বিজয় কৃষ্ণ ভট্টাচার্য, সুবীর সাহা,  মহাসচিব অ্যাডঃ গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিক, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব উত্তম কুমার দাস, সোমেন সাহা, সাংগঠণিক সম্পাদক কপিল কৃষ্ণ মন্ডল, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক প্রতীভা বাকচী, আর্ন্তজাতিক সম্পাদক রিপন দে, যুব বিষয়ক সম্পাদক সমীরন বড়াল, হিন্দু সাংস্কৃতিক মহাজোটের সভাপতি সাধন লাল দেবনাথ, হিন্দু মহিলা মহাজোটের সভাপতি প্রীতিলতা বিশ্বাস, ঢাকা উত্তরের সাধারণ সম্পাদক মণিশঙ্কর হালদার, স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শিল্পী মনোরঞ্জন ঘোষাল, ঝুমুর গাঙ্গুলী, মিঠু রঞ্জন দে কিশোর কুমার বর্মন হিন্দু যুব মহাজোটের নির্বাহী সভাপতি দেবাশীষ সাহা, সাধারণ সম্পাদক মিল্টন বসু, ছাত্র মহাজোটের সাধারণ সম্পাদক প্রশান্ত হালদার, সাংগঠণিক সম্পাদক সাজেন কৃষ্ণ বল, প্রশান্ত হালদার, গৌতম গাইন, মোহন লাল প্রমূখ।

বক্তাগণ বলেন দুর্গা পুজা হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব। ৫ দিন ধরে চলা এ দূর্গোৎসবকে কেন্দ্র করেই হিন্দু সম্প্রদায় পরিবার পরিজনের সাথে মিলিত হয়। কর্মসূত্রে  পরিবার পরিজন থেকে দূরে থেকে চাকুরীজীবী, ছাত্র-ছাত্রী, ব্যবসায়ীরা  তাদের  পিতা মাতা, সন্তান, দাদু দিদিমা পরস্পর পরস্পরের সাথে মিলিত হবার জন্যএই দিনগুলির জন্য অপেক্ষা করে। এই সময়ে পরিবারের সকল সদস্য একত্র মিলিত হয়ে উৎসব পালন, পরিবার, আত্মীয় স্বজন ও প্রতিবেশী বয়োজ্যেষ্ঠদের প্রতি শ্রদ্ধা ভক্তি ও প্রণাম এবং অনুজদের প্রতি স্নেহাশীষ বর্ষনের রীতি রয়েছে। পরিবারের সদস্যদের মধ্যে সৌহার্দ্য মূলক সম্পর্ক বৃদ্ধি, দন্ধ সংঘাত নিরসন, আত্মীয় স্বজন ও প্রতিবেশীদের সাথে সম্পর্কোন্নয়নে এ উৎসব এক বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করে। কিন্তু দূর্গা পুজায় এক দিনের ছুটি; সেটাও আবার পূজা শেষে প্রতিমা বির্ষজনের দিন নির্ধারিত থাকায় হিন্দু সম্প্রদায় সে সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়। ফলে এক ধরনের মানষিক অবসাদ নিয়েই হিন্দু সদস্যদের জীবন কাটাতে হয়।

সরকার নিজেদেরকে অসাম্প্রদায়িক ঘোষণা করে সকল ধর্মের মানুষ সমান সুযোগ লাভের অধিকারী মর্মে সংবিধানে সন্নিবেশিত করেছে। কিন্তু সে অধিকার সংবিধানের পাতাতেই সীমাবদ্ধ। এদেশের সংখ্যালঘু সম্প্রদায় সে অধিকার হতে বঞ্চিত। হিন্দু সম্প্রদায়ের এ দাবীটি আজ গণদাবীতে পরিণত হয়েছে। সকল ধর্মের সহৃদয়বান মানুষ হিন্দু সম্প্রদায়ের এ দাবীটি সমর্থন করে। বক্তাগণ সংবিধানের প্রতি সম্মান দেখিয়ে দুর্গা পুজায় তিন দিনের সরকারী ছুটি ঘোষণার দাবী জানান।

ট্যাগ ৩ দিনের সরকারী ছুটির দাবীআত্মীয়-স্বজনআর্ন্তজাতিক সম্পাদক রিপন দেছাত্র মহাজোটের সাধারণ সম্পাদক প্রশান্ত হালদারডঃ অচিন্ত কুমার মন্ডলডাঃ এম.কে রায়ঢাকা উত্তরের সাধারণ সম্পাদক অখিল মন্ডলদন্ধ সংঘাত নিরসনদূর্গা পুজায় ৩ দিনের সরকারী ছুটির দাবীদূর্গা পুজায় ছুটির দাবীদূর্গা পূজায় ছুটিপ্রতিবেশীদের সাথে সম্পর্কোন্নয়নপ্রধান সমন্বয়কারী বিজয় কৃষ্ণ ভট্টাচার্যবি.বি. গোস্বামীবিক্ষোভ কর্মসুচীমহাসচিব অ্যাডঃ গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিকমহিলা বিষয়ক সম্পাদক প্রতীভা বাকচীমানব বন্ধনমানিক চন্দ্র সরকারযুব বিষয়ক সম্পাদক সমীরন বড়ালশারদীয় দূর্গা পুজাশ্রীমৎ স্বামী শঙ্করানন্দ পুরী মহারাজসাংগঠণিক সম্পাদক কপিল কৃষ্ণ মন্ডলসাংগঠণিক সম্পাদক সাজেন কৃষ্ণ বলসাধারণ সম্পাদক মিল্টন বসুসিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব উত্তম কুমার দাসসিনিয়র সহ সভাপতি ডঃ সোনালী রানী দাসসুবীর সাহাসুভাষ সাহাসোমেন সাহাসৌহার্দ্য মূলক সম্পর্ক বৃদ্ধিস্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শিল্পী মনোরঞ্জন ঘোষালহিন্দু মহিলা মহাজোটের সভাপতি প্রীতিলতা বিশ্বাসহিন্দু যুব মহাজোটের নির্বাহী সভাপতি দেবাশীষ সাহাহিন্দু সাংস্কৃতিক মহাজোটের কমিটি ঘোষণা

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp
admin
সংবাদ প্রতিনিধি

admin

এই প্রতিবেদকের আরও সংবাদ পড়তে নামের উপর ক্লিক করুন।

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।