× Banner
সর্বশেষ
শিবচরে এক্সপ্রেসওয়েতে যানবাহনে প্রকাশ্যে চাঁদাবাজী, ছাত্রদল নেতার প্রতিবাদ সরাসরি জাহাজ চলাচল চালুর বিষয়ে মালদ্বীপের সঙ্গে আলোচনা স্বামীকে বাঁচাতে পানিতে নববধূর ঝাঁপ, দুজনেরই মৃত্যু দক্ষ জনশক্তি ও নিরাপদ কর্মপরিবেশই দেশের সমৃদ্ধির মূল চাবিকাঠি – শ্রম মন্ত্রী নড়াইলের লোহাগড়ায় আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে গাছ কর্তন পাইকগাছায় বোয়ালিয়া ব্রিজ সড়ক চরম নাজেহাল ; খানাখন্দে ঝুঁকি নিয়ে চলছে হাজারো মানুষ মে দিবস ও জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেইফটি দিবস-২০২৬ উপলক্ষে রচনা প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের পুরস্কার প্রদান মাদারীপুরে ডাল গবেষণা কেন্দ্রে প্রকল্পের কাজ না করে পুরো বিল আত্মসাৎ, ঘটনাস্থলে এমপি বেনাপোল পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী হতে চান ইমদাদুল হক ইমদাদ  শ্যামনগরে আন্তর্জাতিক ম্যানগ্রোভ দিবস উৎযাপন

দুর্গাপুজোকে ইউনেস্কোর স্বীকৃতি শুধু বাংলার নয় দেশের গর্ব -অমিত শাহ

Brinda Chowdhury
হালনাগাদ: শুক্রবার, ৬ মে, ২০২২
হেরিটেজের তালিকায় দুর্গাপূজা

দুর্গাপুজোকে ইউনেস্কোর স্বীকৃতি। এটা শুধু বাংলা নয়, দেশের গর্ব। দুর্গাপুজো কেবল বাংলার নয়, এটা গোটা দেশের ঐতিহ্য৷ দুর্গাপুজো নারীশক্তির পুজো। দুর্গাপুজোকে ইউনেস্কোর স্বীকৃতি শুধু বাংলার নয় দেশের গর্ব৷ ‘‘আমাদের দেশের সংস্কৃতি চিরন্তন। তা কেউ বিনষ্ট করতে পারবে না। গোটা বিশ্ব আমাদের সংস্কৃতির কদর করে।’ বলেছেন ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

শুক্রবার সন্ধ্যায় কলকাতায় ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালে কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি মন্ত্রকের উদ্যোগে দুর্গাপুজোকে ইউনেস্কোর স্বীকৃতি উদযাপন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

শাহ আরও বলেন, বাংলার মাটি দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে অনেক বীর সৈনিককে জন্ম দিয়েছে৷ স্বাধীনতার লড়াইয়ে বার বার নেতৃত্ব দিতে দেখা গিয়েছে বাংলাকে৷ আজও বাংলা তার ঐতিহ্যকে সঙ্গে নিয়ে এগিয়ে চলেছে৷

অমিত শাহ বলেন, ‘নানা মতের মিলন আমাদের সংস্কৃতি। বিবিধতাই আমাদের শক্তি। আমাদের সংস্কৃতি চিরন্তন। কুম্ভমেলা, যোগাকে আগেই সংস্কৃতি দিয়েছিল ইউনেস্কো। এবার দুর্গাপুজোও স্বীকৃতি পেয়ে গেল। গোটা বিশ্ব আমাদের সংস্কৃতি কদর করে’। শুধু তাই নয়, স্বাধীনতা আন্দোলনেও বাংলার ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেন।

এদিকে দুর্গাপুজো ইউনেস্কো স্বীকৃতি নিয়ে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গতকাল, বৃহস্পতিবার নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে তিনি বলেন, ‘দশ বছর ধরে দুর্গাপুজোকে প্রমোট করতে করতে, ইউনেস্কো পুজোকে হেরিটেজ ঘোষণা করেছে। এতে অন্য কারও কোনও অবদান  নেই। অবদান রয়েছে ক্লাবগুলোর, পুজো কমিটিগুলোর, কোটি কোটি মানুষের। বাংলাকে এত দুর্বল ভাবার কোনও কারণ নেই’।

UNESCO-র কালচারাল হেরিটেজের তালিকায় বাঙালির শারদোৎসব। গত বছরের ডিসেম্বরে প্যারিসে ইন্টারগভর্নমেন্ট কমিটির ষষ্ঠদশ অধিবেশনে আনুষ্ঠানিকভাবে এই স্বীকৃতি দেওয়া হয় ‘কলকাতার দুর্গাপুজো’-কে। কৃতিত্ব কার? রাজ্যে পুরভোটের প্রচারে যখন  ‘ইউনেস্কো স্বীকৃতি’কে হাতিয়ার করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী, তখন টুইট করেছিলেন কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি ও পর্যটনমন্ত্রী জি কিষান রেড্ডিও। টুইটে লিখেছিলেন, ‘টানা ২ বছর ধরে সংস্কৃতি মন্ত্রকের পরিশ্রমের ফলেই দুর্গাপুজোকে স্বীকৃতি দিয়েছে ইউনেস্কো। শুধুমাত্র বাংলার জন্য গর্বের মুহূর্ত নয়, দেশবাসী ও বিশ্বের হিন্দু সমাজ গর্বিত’।

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত হলেও, আমন্ত্রিতের তালিকায় রাজ্য সরকারের কোনও প্রতিনিধির নাম নেই। এমনকী, কলকাতার দুর্গাপুজো কমিটিগুলির কেন্দ্রীয় সংগঠন ফোরাম ফর দুর্গোৎসবও আমন্ত্রণ পায়নি।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..