দিল্লীতে এখন এতটাই দূষণ যে মানুষের চোখে মুখে জ্বালা করছে, স্বাস প্রস্বাস নিয়ে কষ্ট হচ্ছে। দিল্লীবাসী বাড়ির বাইরে বেরোতে পর্যন্ত ভয় পাচ্ছে। এমন সময় কেন্দ্রের মোদী সরকার দিল্লীকে দূষণমুক্ত করার সংকল্প নিয়েছে।
ভারতের রাজধানী দিল্লীতে দূষণের পরিস্থিতি লাগাতার বেড়েই চলেছে। পরিবেশের উপর অত্যাচার করার ফল এখন মানুষ পাল্টা ভুগতে শুরু করেছে। এখনই জনগণ সচেতন না হলে স্থিতি আরো ভয়াবহ হতে পারে তা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই। দিল্লীতে এখন কেজরিওয়াল সরকার রয়েছে। তাদের দাবি রাজ্যে দূষণ ২৫% কমেছে। তবে এখন যা রিপোর্ট সামনে আসছে তাতে দিল্লী মোটেও সুরক্ষিত বলে মনে হচ্ছে না।
বিগত দীপাবলিতে দিল্লীর মানুষজন ফটাকা, বাজি পর্যন্ত ফাটায়নি, শুধুমাত্র দূষণ কমানোর জন্য। কিন্তু ফলাফল সেই একই এসেছে।কারণ খুব স্বাভাবিক ভাবেই বাজিতে তেমন ভাবে বড়ো দূষণ হয় না। দিল্লীতে দূষণের বড়ো কারণ গাছের কম সংখ্যা, প্রচুর গাড়ির ধোঁয়া, কল-কারখানার দূষণ ইত্যাদি। সেখানে দাঁড়িয়ে ১ দিনের বাজি ফাটানোয় পরিবেশ বিশেষ কিছু দূষিত হয় না। তা সত্ত্বেও দিল্লী পুলিশ বাজি ফাটানোর দায়ে অনেক হিন্দুকে জেলে ঢুকিয়ে ছিল।
কেন্দ্রীয় পরিবেশমন্ত্রকের নেতৃত্বে একটা ব্যবস্থাপনার কাঠামো তৈরি হচ্ছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জাবেদকর দিল্লীর আশেপাশের ৩ টি রাজ্যের বৈঠক ডেকেছেন।পাশাপাশি রাজ্যের থেকেও যে দূষণ দিল্লীতে ছড়িয়ে পড়ে তা আটকানো হবে।
সূত্র থেকে জানা যায় যে, গত কয়েক বছরে এনসিআর অঞ্চলের সমস্ত পরিবেশ মন্ত্রীর ৯ টি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। যাতে এই সমস্যা চিরতরে কাটিয়ে উঠতে পারে। এ ছাড়াও সচিব পর্যায়ে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।
সরকারী সূত্রে জানা গেছে, পাঞ্জাব ও হরিয়ানা সরকারকে গত কয়েক বছরে ১০০ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে যাতে তারা কৃষককে খড় জ্বালানো বন্ধ করতে উত্সাহ দিতে পারে। এছাড়াও, কৃষকরা খড় জ্বালানো থেকে রোধ করতে, সস্তা দামে মেশিনগুলি উপলব্ধ করা যেতে পারে। ইন্ডিয়ার্যাগ





