দাঙ্গা পীড়িত বৃটেনের অবস্থা ভয়াবহ

দাঙ্গা পীড়িত বৃটেনের অবস্থা ভয়াবহ
ভারতীয়রা দাঙ্গাবাজ অসহিষ্ণু। তারা মুসলমানদের উপর অত্যাচার করে।ভারতে মুসলমানদের ধর্মীয় কোন স্বাধীনতা নেই।ভারতে মানবাধিকার নেই নরেন্দ্র মোদী স্বৈরাচারী শাসক বলে বৃটেনের সাহেবরা নিজেদের উদার মানবতাবাদী বর্নবৈষম্যহীন বলে আদিখ্যেতা করতো।আজ বিশ্ববাসী দেখছে বৃটেন কি দুর্বিষহ দাঙ্গা পরিস্থিতির স্বীকার।
বৃটেনের ইতিহাসে এতবড় ভয়ানক দাঙ্গা অতীতে কখনো সংঘটিত হয়েছিলো কিনা কেউ মনে করতে পারছেনা।তবু ইংল্যান্ড মানবাধিকারের দেশ উদারতার দেশ।এই উদারতা দেখিয়ে বৃটেন এখন পৃথিবীর ইতিহাসে সবচেয়ে অসহিষ্ণু অসাম্য এবং দাঙ্গাবাজদের দেশে পরিনত হয়েছে।
দাঙ্গার সূত্রপাত হয়েছিলো একটি নাচের স্কুলে ৩জন নাবালিকা মেয়েকে ছুরিকাঘাতে হত্যার ঘটনার পর থেকে।মুহুর্তে বিক্ষোভ দাবানলের মতো সারাদেশে ছড়িয়ে পড়েছিলো।বিক্ষোভের অভিঘাত এতটাই ভয়াবহ রূপ লাভ করেছিলো যে মুসলিম অভিবাসীদের জন্য নির্দিষ্ট হোটেল ও আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে বিক্ষোভকারীরা আগুন লাগিয়ে দেয়।
বৃটেন এতটাই উদার এবং মানবতাবাদী যে দেশের মূলবাসীদের অন্ধকারে রেখে বৃটিশরা মুসলিম অভিবাসীদের বিনা পারিশ্রমিকে জামাই আদরে হোটেলে বসিয়ে বসিয়ে খাওয়া-পরা এমনকি নির্বিবাদে ধর্মের নামে ঘৃনা-বিদ্বেষ ছড়ানোর উপর কোনরূপ নিষেধাজ্ঞা জারি না করে তাদের মাথায় তুলে রেখেছিলো।বৃটেনে এমন অনেক এলাকা রয়েছে যেখানে সাইনবোর্ড লাগিয়ে বলে দেয়া হয়েছে এটি মুসলিম অধ্যুষিত এলাকা এখানে ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের প্রবেশাধিকার সংরক্ষিত।
একটি নাচের স্কুলে যখন ৬/৭ বছরের শিশুরা নিরাপদ নয় তখন বুঝতে অসুবিধা হওয়ার কথা নয় উদারতার নামে বৃটিশরা এখন কোথায় অবস্থান করছে।পৃথিবীতে একমাত্র বৃটিশরাই সভ্য বাকীরা সব অসভ্য অসহিষ্ণু হিংসুটে তা যে কতবড় ধাপ্পা তা ভারতীয়রা মর্মেমর্মে উপলব্ধি করছেন।
ভারত বৃটেনের উদ্বুদ্ধ পরিস্থিতিতে এডভাইজারি জারি করে বৃটেনে অবস্থানরত ভারতীয়দের বাইরে না বেরুতে পরামর্শ দিয়েছেন এবং পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত ভারতীয়দের বৃটেনে না যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।
বৃটিশ সরকার এই মুসলিম অভিবাসী বিরোধী বিক্ষোভের জন্য ডানপন্থী বৃটিশদের দায়ী করেছেন।সারা ইউরোপের মতো বৃটিশরাও জাতীয়তাবাদী চেতনার বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে।দেশের মূলবাসীদের অন্ধকারে রেখে উদারতার নামে দেশে অসহিষ্ণুতা হিংস্রতা নিষ্ঠুরতা এবং নৃশংসতার চাষ করে বেড়াচ্ছে ক্ষমতাসীনরা।অভিবাসীদের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ মূলবাসীদের।কিন্তু মায়ের চেয়ে মাসীর দরদের জন্য বৃটেনবাসীকে তার মূল্য দিতে হচ্ছে।
বৃটেনে ইসলামের শাসন কায়েম হতে খুব একটা সময় নেবে বলে মনে হচ্ছেনা।প্রশাসনের অর্ধেকের বেশি তাদের দখলে চলে গিয়েছে।একদিন ভোর বেলা বৃটেনবাসী উঠে দেখবে বৃটেনে খেলাফত কায়েম হয়ে গিয়েছে।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp
Ovi Pandey
সংবাদ প্রতিনিধি

Ovi Pandey

এই প্রতিবেদকের আরও সংবাদ পড়তে নামের উপর ক্লিক করুন।

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।