বেনাপোল প্রতিনিধিঃ ছিনতাই, চুরি ডাকতি পুলিশের সহযোগিাতায় বেনাপোল পোর্ট থানা এলাকায় কমলে ও থানার এসআইদের জোর করে মানুষ ধরে মুক্তিপন আদায় কমছে না বলে একাধিক অভিযোগ উঠেছে। বরং দিনের পর দিন বেড়ে চলেছে।
সুত্র জানায়, বেনাপোল পোর্ট থানার এক ধরনের এসআই, এ এসআই প্রকৃত মাদক ব্যবসায়িদের পাশাপাশি সন্দেহ মুলক অনেককে মাদক ব্যাবসার অভিযোগে আটক রেখে রাত ১২ টার সময় তাদের আত্মীয় স্বজনদের সাথে যোগাযোগ করে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে ছেড়ে দেয়। সুত্র দাবি করে বলে অনেক দারোগা ম্যাজের ভিতর ইয়াবা আবার হেরোইনের পুরি পকেটে পুরে দিয়ে এ সমস্থ লোক আটক করে টাকার বিনিময়ে ছেড়ে দিচ্ছে। যা বেনাপোল থানা পাড়ার লোক সহ এলাকার লোক সবাই জানে। ভয়ে ভুক্ত ভোগিরা প্রতবিাদ করতে পারছে না পুনরায় তাদের আবার ও ধরে নিয়ে মুক্তিপন আদায় করে।
বিভিন্ন সুত্রে নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানা যায়, গত ৫/০৪/১৬ইং তারিখে বেনাপোল পোর্ট থানার জনৈক এসআই গাতিপাড়া থেকে ফাজেলের ছেলে মুকুল, নওশের মন্ডলের ছেলে আছাদ মাহিম আলীর ছেলে হাসান, ইমাম হোসেনের ছেলে তরিকুলকে তাস খেলার অপরাধে থানায় ধরে আটকিয়ে রেখে গভীর রাত্রে ১৮ হাজার টাকা নিয়ে ছেড়ে দেয়। গত ১০/০৪/১৬ ইং তারিখে আরিফ ও বিপ্লবকে বেনাপোলের ভবারবেড় গ্রাম থেকে ধওে আটকিয়ে রেখে মাদক দিয়ে চালান দেওয়ার ভয় দেখিয়ে পোর্ট থানার জনৈক দারোগা ১৫ হাজার টাকা নিয়ে ছেড়ে দেয়। গত ২৪/০৪/১৬ ইং তারিখে বেনাপোলের দিঘিরপাড় গ্রামের আ: মজিদের ছেলে পুটখালি থেকে বেনাপোল আসার পথে ২৪ পিস ফেনসিডিল সহ আটক করে ১ লাখ ৪০ হাজার টাকার বিনিময়ে তাকে ছেড়ে দেয় থানার ২ জন দারোগা।
১৯/০৬/১৬ ইং তারিখ সাদিপুর গ্রামে শামিমের মাকে ধরে হেরোইনের পুরি দিয়ে চালান দেওয়ার কথা বলে ২৫ হাজার টাকা নিয়েছে দুইজন এসআই।১৬/০৬/১৬ ইং তারিখে বেনাপোল হাইওয়ে থেকে ভবারবেড় গ্রামের চান্দু মিয়ার ছেলেকে আটক করে বিজিবির মামলায় চালান দেওয়ার ভয় দেখিয়ে ২০ হাজার টাকা নেয় বেনাপোল পোর্ট থানার জনৈক এসআই। ১৮/০৬/১৬ তারিখে বেনাপোল ভবারবেড় এলাকা থেকে সেকেন্দারের ছেলে হবি ও মইন নামে আর এক যুবককে আটক কের ৩ টি করে ইয়াবা তাদের পকেটে দিয়ে চালান দেওয়ার ভয় দেখিয়ে হবির নিকট থেকে ৮০ হাজার এবং মইন এর নিকট থেকে ২০ হাজার টাকা আদায় করে দুইজন এসআই।২০/০৬/১৬ ইং তারিখে বেনাপোলের দিঘিরপাড়ের টুনুর বউকে মিথ্যা মাদক মামলার আসামি করার ভয় দেখিয়ে ৪০ হাজার টাকা নেয় জনৈক দুইজন দারোগা। নগদ টাকা দিতে না পারায় শামছের নামে একজনকে জামিন রাখে। পরে ছামছেরের টাকা দিতে দেরী হওয়ায় টুনু ও তার জামাইকে ধরে নিয়ে আসে থানায় দুই দারোগা। গভীর রাত্রে টাকা দিয়ে পরে তারা ছাড়া পায়।২২/০৬/১৬ ইং তারিখে ৫ টি গুলি সহ জসিম , সহিদুল ও সেলিম কে আটক করে । পরে দুই লাখ টাকার বিনিময়ে ২ জনকে ছেড়ে দিলে ও একজনকে গুলি সহ চালান দেয় জনৈক দারোগা।৩০/০৬/১৬ ইং তারিখে বেনাপোল এর ভবারবেড় গাম থেকে চন্দ্রা তার স্বামী ও নারগীসকে ধরে এনে হেরোইন দিযে চালান দেওয়ার ভয় দেখিয়ে ২৭ হাজার টাকার বিনিময়ে ছেড়ে দেয় জনৈক দুইজন দারোগা। সর্বশেষ সাদিপুর রাস্তা থেকে মুস্তাক নামে এক যুবককে গত ১৬/০৭/১৬ ইং তারিখে জনৈক দারোগা ধরে এনে ৪১ হাজার টাকা নিয়ে ছেড়ে দেয়।
এ ছাড়া আরো অনেককে এ ভাবে এনে ছেড়ে দেওয়ার ঘটনা ঘটছে প্রতিদিন যা সংগ্রহ করা সম্ভব হয়নি।
বেনাপোল পোর্ট এলাকায় মানুষ থানা পুলিশের ভয়ে ভীত সন্ত্রস্ত । কখন কোন ভালো মানুষকে ধরে এরা চালান দেয়। ভয়ে কেউ মুখ খুলতে পারছে না।
আবার সাংবাদিকরা জানতে পারলে আটককৃতদের নিকট থেকে টাকা নিয়ে ১১ সি মামলা দিয়ে চালান দেয়। যাতে তারা আদালত থেকে সাথে সাথে চলে আসতে পারে।
এ ব্যাপাওে বেনাপোল পোর্ট থানার দারোগাদাদের কাছে জানত চাইলে তারা সরাসরি অস্বীকার করে। এলাকার নির্ভরযোগ্য সুত্র জানায় থানার দারোগারা পুলিশের উপরের মহলকে ঠিকভাবে ম্যানেজ করে এসব ঘটনা ঘটায়।





