× Banner
সর্বশেষ
স্বামীকে ছেড়ে প্রেমিকের সঙ্গে নতুন জীবনের স্বপ্ন, ট্রেনের নিচে তরুণী জনগণের সেবায় আন্তরিকভাবে কাজ করতে ইউএনওদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান ৫০০ টাকার বিনিময়ে চুল বিক্রি, দুই সন্তানকে নিয়ে রেললাইনে রেহানা ক্ষুদ্র-মাঝারি শিল্পের অবদান ৬০ শতাংশে নিতে হবে – শিল্পমন্ত্রী মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে কর্মসংস্থান বাড়াতে কাজ করছে সরকার – প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু যশোর সিমান্ত এলাকায় বিজিবি অভিযানে মাদকদ্রব্য ও চোরাচালান পণ্যসহ আটক-১ বাঁশখালীকে বন্যা মুক্ত করার পদক্ষেপ নেয়া হবে – ত্রাণমন্ত্রী হাওরে বাড়বে মাছের অভয়াশ্রম, ইজারা প্রথা বাতিলের উদ্যোগ – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী তরুণদের নেতৃত্বেই টেকসই হবে প্রযুক্তিনির্ভর উন্নয়ন – তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী বেনাপোল ইমিগ্রেশন পরিদর্শনে এসবি প্রধান, যাত্রী হয়রানি বন্ধের নির্দেশ

কমল সেনগুপ্ত

তোরা সব জয়ধ্বনি কর!

Kishori
হালনাগাদ: বুধবার, ৩ জানুয়ারী, ২০২৪
জয়ধ্বনি কর

জাহাঙ্গীর কবির নানক। কর্মগুনে, বর্ণময় রাজনীতিবিদ। জন্মেই দেখেন ক্ষুব্ধ স্বদেশ। রক্তে ভেজা বর্ণমালা। সালটা ১৯৫৪। কীর্তনখোলা নদীতে সাঁতার কেটে বড় হওয়া। ‘পাটশলা পলাইয়া গেছেন নদীর তীরে, খেওয়া পার হইয়া গেছেন কউয়ার চরে’। ‘৬৯ সালে আসাদের রক্ত মাখা শার্ট গায়ে জড়িয়ে ছাত্র রাজনীতিতে হাতে খড়ি। তারপর শুধু এগিয়ে চলা। হয়েছেন বিএম কলেজ ছাত্র সংসদের ভিপি, ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক, আওয়ামী যুবলীগের চেয়ারম্যান, যুগ্ম সম্পাদক থেকে। ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক। কিছুদিন পর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। বর্তমানে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য। ২০০৯ ও ২০১৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। ছাত্রনেতা থেকে জননেতা। পৌঁছেছেন বিন্দু থেকে বৃত্তে। মানুষকে ভালোবেসেছেন প্রস্ফুটিত শিউলির মত চারদিক সুবাসিত করে, নিজের পুরোটা ছড়িয়ে, বাতাসে বিলিয়ে।

দু’বারের মত এবারেরও নির্বাচন করছেন ঢাকা-১৩ (মোহাম্মদপুর-আদাবর) থেকে। যেখানে সব ধর্মের মানুষের বাস। ২০০৯ ও ২০১৪ সালে একই এলাকা থেকে নির্বাচিত হয়ে মোহাম্মদপুরকে সাজিয়েছেন আপন রঙে। মসজিদ থেকে মন্দির, প্যাগোডা থেকে গির্জা। আসাদগেট থেকে বসিলা, হাজারীবাগ থেকে কেরানীগঞ্জ ছুঁয়ে শেরেবাংলা নগর। ১২.১৩ বর্গ কিলোমিটারের মোহাম্মদপুর আজ বদলে দেয়া, বদলে যাওয়া আর এক নগর। মনে হয় মোহাম্মদপুর এখন ঢাকার রাজধানী। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে আধুনিক ভবন,জলাবদ্ধতার নিরসন। এলাকা মাদকমুক্ত। আগুনের পরশমণিতে শুধুই পূর্ণতা।
কিন্তু!

কীর্তনখোলা আজও তোমায় খুঁজে ফেরে। সেই কীর্তনখোলা! যে নদী তীরে আছে তোমার কৈশোরের স্মৃতি। পরাভব না মানা যৌবন! মিছিলে উদ্ধত হাত। রাজপথের সংসার। সেই চিরন্তন মমতাময়ী কীর্তনখোলার কথা তোমার মনে পড়ে? এখন শুধুই শুন্যতা। মনে জাগে কবি মাইকেল মধুসুধন দত্তের সেই কবিতা, ‘বহু দেশ দেখিয়াছি বহু নদ দলে, কিন্তু এ স্নেহের তৃষ্ণা মেটে কার জলে, দুগ্ধস্রোতরূপি তুমি মাতৃভূমি স্তনে’। দীর্ঘশ্বাস নয় আক্ষেপ। মা শুধু নীরবে কাঁদেন।আর পথ চেয়ে চেয়ে চক্ষু ঝাপসা হয়ে আসে। কিন্ত তুমিতো সারা দেশের। পদ্মা তোমার মা, মেঘনা তোমার মা। দুই চোখে দুই জলের ধারা, কীর্তনখোলা-যমুনা। তোমার মোহাম্মদপুর হোক সুন্দর থেকে সুন্দরতম। হে মোহম্মদপুরবাসী! ‘ঐ নূতনের কেতন ওড়ে কালবোশেখির ঝড়। তোরা সব জয়ধ্বনি কর’! আলোয় আলোয় ভরবে এবার ঘর! ‘তোরা সব জয়ধ্বনি কর’


এ ক্যটাগরির আরো খবর..