তিস্তার ভাঙন রোধে বাজেটে বিশেষ অর্থ বরাদ্দের দাবি

তিস্তার ভাঙন রোধে বাজেটে বিশেষ অর্থ বরাদ্দের দাবি

প্রতিবছর তিস্তার ভাঙন ও বন্যায় ৭০ হাজার পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাই তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে বাজেটে বিশেষ অর্থ বরাদ্দের আহ্বান উত্তরের মানুষের।

তাদের দাবি, সাড়ে আট হাজার কোটি টাকার এ প্রকল্পে অনেক বেশি সুফল মিলবে। প্রকল্পটি দ্রুত বাস্তবায়নের তাগিদ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

নানা গবেষণা ও পরিসংখ্যানে বারবারই উঠে এসেছে, বৃহত্তর রংপুরের দারিদ্র্যের পেছনে মূল কারণ তিস্তা নদীর বন্যা ও ভাঙন। অভিন্ন এই নদীর পানিবণ্টন চুক্তি নিয়ে ভারতের অব্যাহত উদাসীনতায় প্রায় অর্ধশত বছরের হতাশার পর সমস্যা সমাধানের বিকল্প ভাবছে সরকার। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আগ্রহে সমীক্ষা শেষে একটি প্রকল্প পরিকল্পনা দিয়েছে চীন।

দু-বছরের বেশি সময় ধরে ইআরডিতে পড়ে থাকা প্রকল্প তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়েছেন তিস্তা অঞ্চলের মানুষ। এ জন্য বাজেটে বিশেষ বরাদ্দের দাবি তাদের।

তিস্তা বাঁচাও, নদী বাঁচাও সংগ্রাম পরিষদের সভাপতি নজরুল ইসলাম হক্কানী বলেন, চীন, ভারত, আমেরিকার অর্থায়ন বুঝি না, সাড়ে আট হাজার কোটি টাকা খুব সামান্য টাকা, এটা পাঁচ বছরে বাস্তবায়িত হবে। প্রতিবছর হয়তো দুই হাজার কোটি টাকা লাগবে, এই টাকাটা আমরা রাষ্ট্রীয় বাজেটে চাই।

বিশিষ্টজনরা বলছেন, সারা দেশে সাত লাখ কোটি টাকার মেগা প্রকল্পগুলো বাস্তবায়ন হচ্ছে। তুলনামূলক মাত্র সাড়ে আট হাজার কোটি টাকার এই প্রকল্পের সুফল অনেক বেশি এবং এটি হবে টেকসই উন্নয়ন।

উন্নয়ন গবেষক উমর ফারুক বলেন, মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে হয়তো ৫-৭ বছর লাগবে। কিন্তু কাজটা আমরা যত দেরিতে শুরু করব, এটা তত ব্যাপক হারে পুরো অঞ্চলকে আরও বেশি প্লাবিত করবে, ক্ষতিগ্রস্ত করবে।

রিভাইন পিপল অধ্যাপক ড. তুহিন ওয়াদুদ বলেন, যদি আমাদের এখানে বাজেটে প্রতিফলন থাকে, সেটা হবে যুগান্তকারী একটা সিদ্ধান্ত।

প্রতিবছর তিস্তার ভাঙনে ২০ হাজার এবং বন্যায় ৫০ হাজার পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয় বলে রিভাইন পিপলের এক গবেষণায় দাবি করা হয়েছে।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp
ACP
সংবাদ প্রতিনিধি

ACP

এই প্রতিবেদকের আরও সংবাদ পড়তে নামের উপর ক্লিক করুন।

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।