ইছানুর রহমান,ঝিকরগাছা প্রতিনিধি: ঝিকরগাছা উপজেলার নায়ড়া গ্রামের ধান,পাট,সার ব্যাবসায়ী হাফিজুর রহমানের বাড়িতে ডাকাতির চেষ্টা চালায় তিন থেকে চার সদস্যের একটি ডাকাত দল। হাড় কাঁপানো শীত ও গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি, রাত ১২ঃ০৫ মিনিট। যখন সবাই ঘুমে বিভোর তখনই এ ঘটনা ঘটে।
হাফিজুর রহমান জানান,আমার ঘরে ডাকাতির চেষ্টা করেছে, আমার ঘরের দ্বিতীয় তালায় সিঁড়ির রুমের তালা ভাঙার চেষ্টা করে তিন-চার সদস্যের এক ডাকাত দল। আমি তখন কেবল ঘুমানোর প্রস্তুতি নিতেছি এমন সময় আমার বোন খুশি আমাকে বলে ভাই, কেউ সিড়ির রুমের তালা ভাঙার চেষ্টা করছে। আমি তালা ভাঙার শব্দ নিশ্চিত হয়ে, আমার প্রতিবেশীদের ফোন করলে তারা ছুটে আসে এবং ডাকাত দল পালিয়ে যায়, তারা কিছু নিতে পারেনি। হাফিজুর রহমানের বোন খুশি বলেন রাত তখন ১২ঃ০৫ মিনিট, আমি আমার মেয়েকে ঘুম পাড়িয়ে মোবাইল দেখছি, এমন সময় আমার কানে আসে তালা ভাঙার শব্দ। আমি তখন আমার বড় ভাই হাফিজুর রহমান কে বলি,ভাই শোন এটা তালা ভাঙার শব্দ না? কেউ উপরের সিঁড়ির রুমের তালা ভাঙছে? ভাই বলে হ্যা।
এবার হাফিজুর রহমান তার প্রতিবেশী আবু-সাঈদ,আরিফুল ও তার ভাই তামিজুরকে ফোন দিয়ে জানায় তার বাড়ির দ্বিতীয় তালায় সিঁড়ির রুমের তালা ভাঙার কথা, তাদের ফোন পাওয়ার সাথে সাথে আশপাশের লোকজন চিৎকার দিয়ে ছুটে এলে ডাকাত দল দ্রুত পালিয়ে যায়, খুশি আরো নিশ্চিত করেন ডাকাত দল কিছুই নিতে পারেনি, তবে তাদের ধারণা তার ছোট ভাই তামিজুর। বিশিষ্ট মাৎস্য ব্যাবসায়ী, গতকাল মাছ বিক্রয় করেছে এবং ব্যাবসায়ী হাফিজুর রহমানের আড়তে হালখাতা শেষ হয়েছে ও এটা তাদের দুই ভায়ের ব্যাবসায়ী সিজেন বলে দীর্ঘদিন ধরে ডাকাত দলের নজরে পড়ে এমন ঘটনা ঘটতে পারে।
তবে এ ঘটনা নিয়ে এখনো থানায় কোন মামলা হয়নি। কয়েক মাস আগেও প্রবাসী জিয়ারের বাড়িতে বাড়ির নৈচী কেটে তার বাড়ি থেকে বেশ কিছু মালামাল নিয়ে যায়। তখন জিয়ার ছিলো প্রবাসে, এবং তার ছেলে ইয়াছিন ছিলো ছাত্রাবাসে, ফাঁকা জায়গায় বাসা, একাই ছিলেন খোদেজা বেগম, ভয়ে তারাও কোনো মামলা করেনি। তারই কয়েকদিন পরেই আবারও ডাকাতির চেষ্টা হলো, এ নিয়ে গ্রামবাসীর ভেতরে আতঙ্ক বিরাজ করছে।





