× Banner
সর্বশেষ
২৪ জুলাই শুক্রবার পঞ্জিকা ও ইতিহাসের এইদিনে ধর্মমন্ত্রীর আশু আরোগ্য কামনায় দেশজুড়ে হেফাজতে ইসলামের বিশেষ দোয়া দক্ষিণ-পূর্ব ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি, সচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত ১১২ টাকায় সরকারি চাকরি পাওয়া স্বচ্ছ নিয়োগের প্রমাণ: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী বাংলাদেশে ২৫-২৬ জুলাই ন্যাশনাল সেমিকন্ডাক্টর সিম্পোজিয়াম ও বিআইইআর সামিট ২০২৬ বগুড়া উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন ২০২৬-এর খসড়া অনুমোদন, পরিকল্পিত আধুনিক নগর গঠনের উদ্যোগ বাজেট বাস্তবায়নেই সাফল্য, কক্সবাজারকে আধুনিক ডিজিটাল পর্যটন নগরী গড়ার পরিকল্পনা: অর্থমন্ত্রী FICCI FDI Conference 2026-এ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা স্মারক প্রদান বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে FICCI FDI Conference 2026, উন্মোচিত হলো এফডিআই রিপোর্ট মাদারীপুরে বৈশাখী ভাতা ও ঈদ বোনাস না পাওয়ায় দপ্তরিদের শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় ঘেরাও

ঠাকুরগাঁওয়ে দুটি বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ

admin
হালনাগাদ: বৃহস্পতিবার, ৬ জুলাই, ২০১৭

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি ॥ ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার আখানগর ইউনিয়নে দুটি কমিউনিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে।
জানা গেছে, ২০১৩ সালের ১ জানুয়ারী গোপনে মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে আখানগর ইউনিয়নের ধনীপাড়া কমিউনিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক হিসেবে নাহিদা পারভীন, লতা বালা ও দেহন কমিউনিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক হিসেবে কৌশলা রানী রায়, ভারতী রানী রায় নামে ৪জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়। অথচ শিক্ষক নিয়োগের বিষয়টি সংশিষ্ট বিদ্যালয়ের সভাপতি, প্রধান শিক্ষক কেউই জানেন না।
এই দুটি বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগের বিষয়টি জানতে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে প্রধান শিক্ষক বরাবর পত্র পাঠায়। ওই দুটি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শিক্ষা অধিদপ্তরে উল্টো পত্র পাঠান বিদ্যালয়ে কোন শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়নি। তারপর কেমন করে এই দুটি বিদ্যালয়ে ৪জন শিক্ষক নিয়োগ হয়েছে এটি নিয়ে প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে।
ধনীপাড়া কমিউনিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক উম্মে কুলসুম বলেন, ২০১৩ সালে কখন কিভাবে আমার বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক কেমন করে নিয়োগ হয়েছে তা আমরা জানিনা। একটি কুচক্রি মহল মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে এ কাজটি করেছে।
শিক্ষক নিয়োগের বিষয়ে আমাদের চিঠি দিয়েছিল। আমরা সেই চিঠিতে পরিস্কার ভাবে বলেছিলাম বিদ্যালয়ে কোন শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়নি এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার কথা বলেছিলাম। কিন্তু কোন লাভ হয়নি।
একই অভিযোগ করে দেহন কমিউনিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বাসন্তী রাণী ।
এদিকে ওই দুটি বিদ্যালয়ের শিক্ষক যোগাদান করার জন্য বিদ্যালয়ে বার বার যাচ্ছে। এতে করে শিক্ষক ও স্থানীয়দের মাঝে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।
এ বিষয়ে কথা বলার জন্য নিয়োগপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষকদের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তাদের পাওয়া যায়নি।
শিক্ষক নিয়োগের বিষয়ে উপজেলা শিক্ষা অফিসার কথা বলতে রাজী হয়নি। তবে নাম না প্রকাশ করার শর্তে একজন কর্মকর্তা জানান, রাজনৈতিক চাপে ওই ২ বিদ্যালয়ে অবৈধ নিয়োগকে বৈধতা দেখাতে গত ২০১৩ সালে উপজেলা শিা কমিটি সভায় অনুমোদন দেওয়া হয়। তারপর থেকে সংশিষ্ট শিক্ষক ও তাদের অভিভাবকরা উপজেলা শিক্ষা অফিসে সকাল বিকেল ধর্না দিচ্ছেন।
এ ব্যাপারে জেলা শিক্ষা অফিসার এ এম শাহজাহান সিদ্দিক বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয় সরকারি হওয়ায় কেউ অবৈধ নিয়োগ দিয়ে রাতারাতি সরকারি হওয়ার সুযোগ নিলে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..