ঠাকুরগাঁওয়ে এই প্রথম কালার কোন জাতের ভুট্টা চাষ

ঠাকুরগাঁওয়ে এই প্রথম কালার কোন জাতের ভুট্টা চাষ

ভুট্টা চাষে কম সময়েই সাফল্য দেখিয়েছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশে অন্যান্য খাদ্যশস্যের চেয়ে কম পরিচর্যা ও কম সেচ খরচে ভালো ফলন হয় এবং দামও ভালো পাওয়া যায় বলে ভুট্টা চাষে কৃষকেরা আগ্রহী হয়ে উঠছেন। ফলে ধারাবাহিকভাবে উৎপাদন বাড়ছে। দেশে ভুট্টার উৎপাদন বেড়ে আগের তুলনায় দ্বিগুণ । হেক্টরপ্রতি ফলনেও বাংলাদেশ এখন বিশ্বের শীর্ষ দেশগুলোর কাতারে রয়েছে।

ঠিক তারই ধারাবাহিকতায় এই প্রথম ঠাকুরগাঁওয়ে নতুন জাতের কালার কোন ভুট্টা চাষ করেছেন ঠাকুরগাঁওয়ের চাষিরা।

চাষিরা বলেন এর আগে আমরা এমন ভুট্টা কখনো কাউকে চাষ করতে দেখেনি। তাই আমরা উদ্যোক্তা হয়ে এই ভুট্টা চাষ করেছি। এবং আমরা আশা করছি অন্যান্য জাতের ভুট্টা থেকে কালার কোন ভুট্টা বেশি লাভ জনক হবে। এবং আমাদের এই ভুট্টার বীজ দিয়েছেন ESDF নামের একটি সংস্থা।

ESDF সংস্থার মার্কেটিং প্রমোশন অফিসার সন্দিপ কুমার বলেন, এ বছরে প্রথম আমরা ঠাকুরগাঁওয়ে কাজ শুরু করেছি, আমরা ঠাকুরগাঁওয়ে প্রসেসিং করে সেগুলো কে আমরা পাঠিয়ে দে নরসিংদীতে। এবং সেখান থেকে চলে যাবে জাপানে। আর এই কালার কোন ভুট্টা একর প্রতি প্রায় ২-২.৫ হাজার কেজি পর্যন্ত উৎপাদিত হয় ।

তিনি আরো বলেন, এগুলো সাধারণত খরগোশের খাবার, ইদুরের খাবার, মাছের খাবার, সাপ ও ব্যাঙের খাবার হিসেবে ব্যবহার করা হয় ।
এ বছর আমরা ঠাকুরগাঁওয়ে বেশ কিছু এলাকায় কালার কোন ভুট্টা চাষ করেছি সেই এলাকাগুলো হলো- খড়িবাড়ি, খারুয়া ডাঙ্গা, চন্ডিপুর, নীলার হাটসহ আরো বেশ কিছু অঞ্চলে আমরা এই ভুট্টার বীজ দিয়েছি এবং চাষ করেছি।

ESDF সংস্থার (MPO) রবিউল ইসলাম বলেন – আমরা শুধু ভুট্টার বীজ দিয়ে বসে ছিলাম না। বরং আমরা প্রতিটি কৃষকের কাছে গিয়েছি এবং তাদেরকে সার্বিক সাহায্য সহযোগিতা করেছি। কিভাবে চাষ করলে তারা লাভবান হবে সে বিষয়ে আমরা মাঠ পর্যায়ে তাদেরকে প্রাথমিক ট্রেনিং দিয়েছি।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।