× Banner
সর্বশেষ
বেনাপোলে বিজিবি অভিযানে চোরাচালান পণ্য আটক  বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন ক্রীড়াবিদদের জন্য আন্তর্জাতিক মানের টুর্নামেন্ট হবে -ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জনবান্ধব স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে মান্দায় এমপি ফ্যান ও নেবুলাইজার বিতরণ ২০ আগস্ট নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, তফসিল ঘোষণা কমিশনের শিকলমুক্ত গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়াই আমাদের লক্ষ্য: তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ঢাকায় মহাসমাবেশসহ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে ১১ দলীয় ঐক্য জোট সচিবালয়ের সামনে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন সূর্যের পৃষ্ঠে লুকিয়ে ছিল যে রহস্য বোরকাপরা নারীর ইশারায় থামে বাস, ২০ মিনিটে ৫৭ লাখ টাকা লুট লালবাগ কেল্লা পরিদর্শন করলেন মার্কিন নৌ কমান্ডার

ঠাকুরগাঁওয়ের দূর্লভ ও প্রাচীন বৃক্ষটি সংরক্ষনে দাবি ওরাঁও সমাজের

admin
হালনাগাদ: রবিবার, ২০ মার্চ, ২০১৬

ঠাকুরগাঁওয়ের দূর্লভ ও প্রাচীন কদম প্রজাতির বৃক্ষটি সরকারি ভাবে সংরক্ষণের দাবি জানিয়েছে ওরাঁও সম্প্রদায়ের ক্ষুদ্র নৃ-তাত্তিক জনগোষ্ঠী। দেবতার আসনে বসিয়ে এই গাছটিকে আদিকাল ধরে পুজা করছে তারা।

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার জগন্নাথপুর গ্রামে কদম প্রজাতির প্রকান্ড এই বৃক্ষটি অবস্থিত। স্থানীয়ভাবে এটি কারাম গাছ নামে পরিচিত। এই গাছ এবং কারাম পুজা  সৃষ্টিকর্তার নির্দশন স্বরুপ আদিকাল থেকে সংরক্ষন করে আসছে ওরাঁও সমাজ। এই বৃক্ষকে তারা রক্ষাকর্তা ও পালন কর্তা হিসেবে বিশ্বাস করে। তাই প্রতি বছর ফাল্গুন শেষে চৈত্র শুক্লা তিথিতে এই বৃক্ষকে ঘিরে কারাম পুজার আয়োজন করে ওরাঁওরা। এই গাছটি তাদের কাছে বৃক্ষ নয়। এটি তাদের অস্তিত্ব।

উদ্ভিদ বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন এই গাছ অতিমূল্যবান। এই গাছের বাঁকল এন্টেসেপটিক ও  কাপড়ের রং তৈরির কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহার করা যায়। এছাড়া আমশায় রোগের প্রতিষেধক হিসেবে কাজ করে। এর কাঠও মূল্যবান। স্থানীয় ও বিশিষ্টজনদের দাবি এ বিরল  গাছটি সরকারি ভাবে যথাযথ ভাবে সংরক্ষিত হলে প্রাচীন উপকারভোগী এই গাছটি রক্ষা করা সম্ভব হবে।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..