× Banner
সর্বশেষ
পেটে ঢুকিয়ে ইয়াবা পাচারের চেষ্টা,আটক গাজীপুরের তরুণী টেপ বল ক্রিকেটকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে – যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী সাত মন্ত্রণালয়ের তিন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী বগুড়ায় আসছেন শনিবার চট্টগ্রাম আসছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একটি দুর্ঘটনায় পেহেলির অকাল মৃত্যুতে মা-বাবার ভবিষ্যৎ স্বপ্নের সমাধি জুলাই আন্দোলনের ত্যাগকে চূড়ান্ত পর্যায়ে নিয়ে যেতে হবে – তথ্যমন্ত্রী পুলিশ কর্মকর্তাদের নিয়ে অপপ্রচার, কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি শিগগিরই শুরু হবে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের কাজ – পানি সম্পদ মন্ত্রী সংবাদপত্র সমাজের দর্পণ – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী শেখ হাসিনা কি বেঁচে আছেন, না কি মারা গেছেন- রাশেদ খাঁন

ঠাকুরগাঁওয়ের দূর্লভ ও প্রাচীন বৃক্ষটি সংরক্ষনে দাবি ওরাঁও সমাজের

admin
হালনাগাদ: রবিবার, ২০ মার্চ, ২০১৬

ঠাকুরগাঁওয়ের দূর্লভ ও প্রাচীন কদম প্রজাতির বৃক্ষটি সরকারি ভাবে সংরক্ষণের দাবি জানিয়েছে ওরাঁও সম্প্রদায়ের ক্ষুদ্র নৃ-তাত্তিক জনগোষ্ঠী। দেবতার আসনে বসিয়ে এই গাছটিকে আদিকাল ধরে পুজা করছে তারা।

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার জগন্নাথপুর গ্রামে কদম প্রজাতির প্রকান্ড এই বৃক্ষটি অবস্থিত। স্থানীয়ভাবে এটি কারাম গাছ নামে পরিচিত। এই গাছ এবং কারাম পুজা  সৃষ্টিকর্তার নির্দশন স্বরুপ আদিকাল থেকে সংরক্ষন করে আসছে ওরাঁও সমাজ। এই বৃক্ষকে তারা রক্ষাকর্তা ও পালন কর্তা হিসেবে বিশ্বাস করে। তাই প্রতি বছর ফাল্গুন শেষে চৈত্র শুক্লা তিথিতে এই বৃক্ষকে ঘিরে কারাম পুজার আয়োজন করে ওরাঁওরা। এই গাছটি তাদের কাছে বৃক্ষ নয়। এটি তাদের অস্তিত্ব।

উদ্ভিদ বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন এই গাছ অতিমূল্যবান। এই গাছের বাঁকল এন্টেসেপটিক ও  কাপড়ের রং তৈরির কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহার করা যায়। এছাড়া আমশায় রোগের প্রতিষেধক হিসেবে কাজ করে। এর কাঠও মূল্যবান। স্থানীয় ও বিশিষ্টজনদের দাবি এ বিরল  গাছটি সরকারি ভাবে যথাযথ ভাবে সংরক্ষিত হলে প্রাচীন উপকারভোগী এই গাছটি রক্ষা করা সম্ভব হবে।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..