× Banner
সর্বশেষ
৯ অঞ্চলে ঝোড়ো হাওয়া ও বজ্রবৃষ্টির আশঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত উত্তর ইরাকের খোর মোর গ্যাসক্ষেত্রে ড্রোন হামলার দাবি আজ ১১ শ্রাবণ মঙ্গলবারের রাশিফল ও গ্রহদোষ প্রতিকারের উপায় আজ (১১ শ্রাবণ)  ২৮ জুলাই মঙ্গলবার পঞ্জিকা ও ইতিহাসের এইদিনে সরকার শুধু স্বাস্থ্য ব্যবস্থা নয়, সার্বিক উন্নয়নে বদ্ধপরিকর – সমাজকল্যাণ মন্ত্রী চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানাকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা হবে – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী রপ্তানি বাণিজ্য বৃদ্ধির লক্ষ্যে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের আন্তর্জাতিক মেলায় অংশগ্রহণে বুথ ভাড়া মওকুফ করা হবে – বাণিজ্যমন্ত্রী বাংলাদেশকে আঞ্চলিক এভিয়েশন হাব হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার – বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী শ্যামনগরে দুই ক্লিনিককে মোবাইল কোর্টে জরিমানা আগস্টে শুরু হচ্ছে ৪ দিনব্যাপী ‘আবাসন মেলা’

ঝালকাঠির ভাসমান পেয়ারার হাট

admin
হালনাগাদ: সোমবার, ৭ আগস্ট, ২০১৭

ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ  ঝালকাঠি সদরের ভীমরুলী-ডুমুরিয়ায় পেয়ারা বেচা-কেনায় জমে উঠেছে ভাসমান হাট। বিভিন্ন জেলার ব্যবসায়ীরা এ ভাসমান হাটে পেয়ারা কিনতে আসেন। সেইসঙ্গে হাট দেখতে ভিড় করছেন পর্যটকরাও।

এবার ঝালকাঠি সদর উপজলার ২০টি গ্রামে প্রায় ৫শ’ হেক্টর জমিতে পেয়ারা চাষ হয়েছে। এবছর পেয়ারার ফলনও বেশ ভালো। বছরের ১২ মাসই এ অঞ্চল পানি বেষ্টিত থাকায় পেয়ারা বিক্রিতে ভাসমান হাটই ভরসা চাষিদের।

তবে জেলার বিভিন্ন স্থানে ভাসমান হাট থাকলেও সদর উপজেলার ভীমরুলী-ডুমুরিয়ায় সবচেয়ে বড় হাট বসে। পুরোদমে বেচা-কেনা চলে ভাসমান এ হাটে। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে পাইকাররা এসে ভাসমান হাট থেকে পেয়ারা কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। আর এই হাট দেখতে প্রতিদিন ভিড় করছেন হাজারো পর্যটক। সংশ্লিষ্টরা মনে করেন থাকা-খাওয়ার সুব্যবস্থা থাকলে পর্যটক ও ব্যবসায়ীদের মিলনমেলায় পরিণত হবে জায়গাটি।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এখানে পেয়ারা বেচা-কেনার ব্যবস্থাটা খুব সুন্দর। সেইসঙ্গে আমারা এক বিঘা জমি থেকে ১৫-২০ হাজার টাকা পাই।

তারা আরো জানান, গেলো দু’বছর ধরে বিদেশিসহ এখানে প্রচুর পর্যটক আসেন।

এমনি এক বিদেশি পর্যটক জানান, এই স্থানটিকে আমি ভালোবাসি। জায়গাটা খুবই সুন্দর ও সবুজ। তাই বারবার এখানে আসতে ইচ্ছে করে।

তবে থাকা-খাওয়ার সুব্যবস্থা না-থাকায় বিপাকে পড়তে হচ্ছে পর্যটক ও ব্যবসায়ীদের। এই অসুবিধা থাকা সত্ত্বেও অনেকেই আসেন এই পেয়ারা বাগান দেখতে।

বাগান দেখতে আসা এক তরুণী জানান, আমাদের সবারই উচিত এই পেয়ারা বাগানে এসে বছরে একবার ভিজিট করা।

এদিকে পেয়ারা নিয়ে ঝালকাঠিকে ব্র্যান্ডিংয়ের জন্য প্রচার-প্রচারণা চালানো হচ্ছে বলে জানালেন ঝালকাঠি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক শেখ আবু বকর সিদ্দিক। তিনি জানান, পেয়ারা ও শীতল পাটির জন্য ঝালকাঠিকে ব্র্যান্ডিং করা হয়েছে। পেয়ারা ও শীতল পাটির উন্নয়নে কাজ চলছে। পেয়ারার আবাদ যেনো বাড়ে সে ব্যাপারেও চেষ্টা চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো হলে ভাসমান এই হাটটি পর্যটন স্পট হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব বলে মনে করছেন স্থানীয় লোকজন।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..