ক্রীড়া ডেস্ক: পাকিস্তান ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে তিন ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজ ৩-০ ব্যবধানে জিতে নেয় ।
শুক্রবার থেকে শুরু হয়েছে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজ। প্রথম ওয়ানডে ম্যাচটি বৃষ্টি আইনে ১১১ রানের ব্যবধানে জিতে নিয়েছে পাকিস্তান। পাশাপাশি সিরিজে লিড নিয়েছে ১-০ ব্যবধানে।
শুক্রবার শারহাজ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাট করতে নামে পাকিস্তান। শূন্য রানেই অধিনায়ক আজহার আলী সাজঘরে ফেরেন। কিন্তু বাবর আজমকে সঙ্গে নিয়ে দ্বিতীয় উইকেটে ৮২ রান তোলেন শারজিল খান। ৪৩ বলে ৬ চার ও ৩ ছক্কায় ব্যক্তিগত ৫৪ রানে শারজিল খান আউট হন।
তারপর বাবর আজম সতীর্থ শোয়েব মালিক (৬), সরফরাজ আহমেদ (৩৫) ও মোহাম্মদ রিজওয়ানের (১১) সঙ্গে ছোট ছোট জুটি গড়েন। তাতে তার ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরির স্বাদ পান। অবশ্য দলীয় ২৩৯ রানে ব্যক্তিগত ১২০ রান করে আউট হন তিনি। ১৩১ বলে করা ১২০ রানের ইনিংসে ৮টি চারের মারের পাশাপাশি ৩টি ছক্কার মার ছিল।
শেষ পর্যন্ত ৪৯ ওভারে (ফ্লাড লাইট সমস্যার কারণে নির্ধারিত) ৯ উইকেট হারিয়ে ২৮৪ রান সংগ্রহ করতে পারে।
বল হাতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের কার্লোস বার্থওয়েট ৩টি উইকেট নেন। ১টি করে উইকেট নেন গ্যাব্রিয়েল, হোল্ডার, সোলেমান বেন ও সুনীর নারিন।
পাকিস্তান তখন ব্যাট করছিল। ৪৪ ওভার ৩ বল খেলা হয়েছে। ব্যাট করছিলেন ইমাদ ওয়াসিম (১১) ও মোহাম্মদ নাওয়াজ (২১)। হঠাৎ শারজাদ স্টেডিয়ামের ফ্লাড লাইট বন্ধ হয়ে যায়। জেনারেটরে গোলযোগের কারণে ফ্লাড লাইটের তার পুড়ে যায়। সে কারণে ৪০ মিনিট দেরি হয় আবার খেলা শুরু হতে। তাই আম্পায়ররা বাধ্য হন খেলা ৪৯ ওভারে নামিয়ে আনতে। তাতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সামনে লক্ষ্যমাত্রা দাঁড়ায় ৪৯ ওভারে ২৮৭ রান। সেই রান তাড়া করতে নেমে ৩৮.৪ ওভারে ১৭৫ রান তুলতেই অলআউট হয়ে যায় ক্যারিবিয়ানরা। তাতে বৃষ্টি আইনে ১১১ রানে জয় পায় পাকিস্তান।
বল হাতে পাকিস্তানের মোহাম্মদ নাওয়াজ ৪টি ও হাসান আলী ৩টি উইকেট নেন। এ ছাড়া ইমাদ ওয়াসিম, মোহাম্মদ আমির ও ওয়াহাব রিয়াজ ১টি করে উইকেট নেন।
ব্যাট হাতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের মালরন স্যামুয়েলস ৪৬ রান করেন। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৩ রান করেন নারিন।
ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি হাঁকানো বাবর আজমের হাতেই ওঠে ম্যাচসেরার পুরস্কার।





