× Banner
সর্বশেষ
দিল্লির বিক্ষোভে বলপ্রয়োগের সমালোচনার পর আরএএফের নতুন নির্দেশনা, পেলেট গান ব্যবহারে সাময়িক নিষেধাজ্ঞা ৬ জেলায় ঝোড়ো হাওয়া ও বজ্রবৃষ্টির সতর্কতা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত কাস্পিয়ান সাগরে ইরানি জাহাজে হামলা: নাবিক নিহত, ইউক্রেনকে দায়ী করে কড়া প্রতিক্রিয়া তেহরানের দেশে ফিরলেন সেনাপ্রধান, প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্ব সাংবাদিক ও রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে মার্কিন প্রেসিডেন্টের তীব্র আক্রমণ ইউরোপে ভয়াবহ দাবানল: ফ্রান্স-স্পেনে লাখো মানুষ ঘরছাড়া, জরুরি অবস্থা ও ব্যাপক উদ্ধার অভিযান আজ ২৬ জুলাই বৈদিক জ্যোতিষে রাশিফল ও গ্রহদোষ প্রতিকারের উপায় আজ ২৬ জুলাই (৯ শ্রাবণ ) রবিবারের দিনপঞ্জি  ও ইতিহাসের এইদিনে রংপুর বিভাগের নেতাদের সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠক, গুলশানে কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির কমিটি পুনর্গঠনের দাবিতে বিক্ষোভ স্থানীয় সরকার নির্বাচন অবাধ-সুষ্ঠু করতে নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

জাতীয় শিল্পমেলা উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর বাণী

Kishori
হালনাগাদ: রবিবার, ৩১ মার্চ, ২০১৯

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতীয় শিল্পমেলা ২০১৯ উপলক্ষে নিম্নোক্ত বাণী প্রদান করেছেন :

‘‘শিল্প মন্ত্রণালয় প্রথমবারের মতো জাতীয় শিল্পমেলা ২০১৯ আয়োজন করছে জেনে আমি আনন্দিত। এ উদ্যোগের সঙ্গে সম্পৃক্ত সবাইকে আমি আন্তরিক অভিনন্দন জানাচ্ছি।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আজীবন বাঙালি জাতির অর্থনৈতিক মুক্তি ও সমৃদ্ধির স¦প্ন দেখেছেন। তিনি ১৯৫৬ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান সরকারের শিল্প, বাণিজ্য, শ্রম, দুর্নীতি প্রতিরোধ এবং গ্রামীণ সহায়তা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্ব পালনকালেই পূর্ব বাংলায় শিল্পায়নের বীজ বপন করেছিলেন। তাঁর ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় বর্তমান বিসিক প্রতিষ্ঠা লাভ করে এবং এ অঞ্চলে ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প বিকাশের সূচনা হয়।

বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের পথ ধরে বাংলাদেশ এখন দ্রুত সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে চলেছে। আমাদের সরকারের নিরলস প্রচেষ্টার ফলে বাংলাদেশ ইতোমধ্যে মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের এবং ২০৪১ সাল নাগাদ উন্নত দেশের কাতারে পৌঁছতে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। এ লক্ষ্য অর্জনে দেশে টেকসই ও পরিবেশবান্ধব শিল্পায়নের ধারা জোরদারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর ফলে সামগ্রিকভাবে শিল্পখাতে ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটেছে। জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান ২০০৭-০৮ অর্থবছরের ১৭.৭৭ শতাংশ থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ২০১৭-২০১৮ অর্থবছরে ৩৩.৭১ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। টেকসই শিল্পায়নের লক্ষ্যে চলমান উদ্যোগের সঙ্গে বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ উৎসাহিত করতে শিল্প মন্ত্রণালয় ২০০৯ সাল থেকে ধারাবাহিকভাবে ‘সিআইপি (শিল্প) পুরস্কার’ ও ২০১২ সাল থেকে ‘ন্যাশনাল প্রোডাক্টিভিটি অ্যান্ড কোয়ালিটি অ্যাক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড’ প্রদান করে আসছে।

বিশেষ করে, শ্রমঘন ক্ষুদ্র, কুটির, মাঝারি এবং বৃহৎ শিল্পের বিকাশে নীতি সহায়তা বাড়ানো হয়েছে। শিল্পখাতে নতুন উদ্ভাবন ও সৃজনশীলতাকে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা দেওয়া হচ্ছে। দেশের সুষম অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলা হচ্ছে। শিল্পের কাঁচামাল আমদানি এবং পণ্য রপ্তানি সহজ করতে দেশে ব্যাপক ভৌত অবকাঠামো গড়ে তোলা হয়েছে। বিদ্যুৎসহ জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

প্রথম জাতীয় শিল্পমেলায় এসব দেশীয় পণ্য প্রদর্শন করা হবে বলে জেনে আমি খুশি হয়েছি। আমার বিশ্বাস, এ মেলা দেশীয় পণ্যের প্রচার, প্রসার ও বাজার সম্প্রসারণে বিনিয়োগকারীদের উদ্বুদ্ধ, আকৃষ্ট ও উৎসাহিত করতে ইতিবাচক অবদান রাখবে। এতে অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে পারস্পরিক অভিজ্ঞতা ও মতবিনিময়ের সুযোগ তৈরি হবে। ফলে আগামী দিনে বাংলাদেশে গুণগতমানের পণ্য উৎপাদন এবং পণ্য বৈচিত্র্যকরণের প্রয়াস বেগবান হবে।
আমি ১ম জাতীয় শিল্পমেলা ২০১৯ এর সাফল্য কামনা করি।

জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু,
বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।’’


এ ক্যটাগরির আরো খবর..