সংসদ সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব জাফর আহমেদ খান বলেন, ‘দেশ যখন প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে মুজিববর্ষ পালন করছে, তখন উৎকট কিছু বিষয় জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি করছে। স্বাধীনতার ৫০ বছর পর তারা বঙ্গবন্ধুকে অবমাননা করছে। বঙ্গবন্ধুকে অবমাননা মানে রাষ্ট্রকে অবমাননা। একটি কুচক্রী মহল জনগণকে বিভ্রান্ত করে ফায়দা হাসিল করতে চায়।’
সংসদ সচিবালয়ের অতিরিক্ত সচিব নুরুজ্জামান বলেন, ‘১৯৭৫ সালে একবার ষড়যন্ত্র করে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছে। এখন দেশ যখন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে উন্নয়নের মহাসড়কে, তখন আবারও তারা ষড়যন্ত্র করছে, মানুষকে বিভ্রান্ত করছে। আমরা চুপ করে থাকবো না। এদের অবশ্যই রুখে দিতে হবে। শুধু আইন দিয়ে নয়, এই কুচক্রী ষড়যন্ত্রকারীদের রুখতে আমরা রাস্তায় নেমেছি। বঙ্গবন্ধুকে অবমাননা মানে দেশকে অবমাননা, মুক্তিযুদ্ধকে অবমাননা। আমরা সরকারি কর্মচারী, কিন্তু আমরা মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে। মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে আমাদের অবস্থান।’
মানববন্ধনে সংষদ সচিবালয়ের পরিচালক (গণসংযোগ) তারিক মাহমুদ বলেন, ‘যারা ইসলামের নামে বঙ্গবন্ধুর আদর্শের চেতনায় আঘাত করতে চায়, তাদের ধিক্কার জানাই। তারা বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যই শুধু ভাঙেনি, তারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ওপর আঘাত করেছে। হুঁশিয়ার করে দিতে চাই, নবীর ইসলামের নামে ভাস্কর্যের অবমাননা করবে না। তোমরা তোমাদের ইসলাম নিয়ে মাদ্রাসায় থাকো। আমরাও মুসলমান। বাড়িতে কোরআন পড়ি। ইসলাম চর্চা করি। তোমাদের মূর্খতা নিয়ে মাদ্রাসায় বসে থাকো।’
ফোরামের সভাপতি উপসচিব এ কে এম জি কিবরিয়া মজুমদার বলেন, জাতির পিতার অবমাননা সংবিধানের অবমাননার শামিল। সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান আইনসভার কর্মচারী হিসেবে সংবিধান সংরক্ষণ আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। সঙ্গত কারণে নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি হিসেবে জাতির পিতার অবমাননাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করছি।


