স্টাফ রিপোর্টার বেনাপোলঃযশোরের শার্শার ছোট মান্দারতলা গ্রামের ৩৫টি পরিবারকে অবরুদ্ধ করে ৫০ বছরের চলাচলের রাস্তায় প্রাচীর নির্মাণ করার অভিযোগ উঠেছে। পুলিশের কাছে এলাকাবাসির পক্ষ থেকে অভিযোগ করলে পুলিশ নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দেয়।
এলাকাবাসির পক্ষে যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মনিরুজ্জামান মন্টু জানান দৈনন্দিন চলাচলের রাস্তায় গ্রামের চিহ্নিত ভুমি দস্যু আক্রোশ মূলকভাবে প্রতি হিংসা পরায়ণ হয়ে চলাচলের রাস্তাটি বন্ধ করে দেওয়ার ষড়যন্ত্র চালাচ্ছে। জমির মালিক একই গ্রামের মৃত আহম্মদ আলীর পুত্র মৃত ওমর ফারুক জেএল নং-৫৪, ৪১ নং খতিয়ানের বাস্ত ভিটার ৪ শতক জমির মধ্যে জন সাধারণের চলাচলের জন্য ১ শতক জমি মৌখিক ভাবে দান করে দেওয়ার ঘোষনা দেন। ওমর ফারুক গ্রাম বাসীর চলাচলের রাস্তায় দান কৃত ১ শতক জমি লিখে দেওয়ার পূর্বে মৃত্যুবরণ করেন। মুক্তিযোদ্ধা পরিবারসহ ৩৫টি পরিবার প্রায় ৫০ বছর যাবৎ এ রাস্তা দিয়ে নির্বিঘেœ আসা যাওয়া করে আসছে।
চলতি সালের এপ্রিল মাসের ১৮ তারিখের সভায় বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ডের বাস্তবায়নাধীন পল্লী উন্নয়ন প্রকল্প-০৩ (পিআরডিপি-০৩) ছোট মান্দার গ্রামের সাধারণ মানুষ ও মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের চলাচলের স্বার্থে সামসুর রহমানের বাড়ি হতে জিয়াদ আলীর বাড়ি পর্যন্ত একটি প্রকল্প অনুমোদন করেন।
প্রকল্প নির্মাণে বাধা হয়ে দাড়ায় ওমর ফারুকের চাচাত ভাইয়ের ছেলে সামসুর রহমান, বাবু, সামসুর ও জুয়েল। তারা শার্শা হইতে লক্ষণপুর সড়কের ছোট মান্দারতলা গ্রামের ৫০ ফুট রাস্তা ভেঙে দিয়ে প্রকাশ্যে প্রাচীর দিচ্ছে। এ ঘটনায় এলাকাবাসির পক্ষে যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মনিরুজ্জামান মন্টু শার্শা থানায় অভিযোগ দিলে পুলিশ ঘটনা স্থলে গিয়ে প্রাচীর নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দেয়। এ ব্যাপারে উভয় পক্ষ বিজ্ঞ আদালতে মামলা দায়ের করেছেন। এ ব্যাপারে এলাকাবাসী মুক্তিযোদ্ধা পরিবারসহ ৩৫টি পরিবার যাতে অবরুদ্ধ না হয় সে জন্য জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এদিকে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের নির্দেশে বিরোধীয় রাস্তাটি সরেজমিনে শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পুলক কুমার মন্ডল ও শার্শা থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এম মশিউর রহমান ঘটনা স্থল পরিদর্শন করেছে।


