৫০ শয্যা স্বাস্থ্য হাসপতালে ৩৫টি পদেই শূণ্য, সেবারমান নাজুক

এস.এম. সাইফুল ইসলাম কবির, বাগেরহাট অফিস: বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার ৫০ শয্যা হাসপাতালটি বর্তমানে সেবরমান নাজুক হয়ে পড়েছে। এখানে পরিপুর্ন চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত উপজেলার প্রায় দেড় লাখ সাধারণ মানুষ। এখানে ১৪২ লোকবলের মধ্যে ৩৫ টিপদ রয়েছে শূণ্য। ফলে প্রত্যন্ত পল্লী অঞ্চল থেকে সেবা নিতে আসা অনেকে বিড়ম্বনার শিকার হয়ে বাড়ি ফিরছেন বলে অভিযোগ।

সূত্রে জানা গেছে, ১৯৯৯ সালের ১৮ মে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৩১ শয্যা এ হাসপাতালটির উদ্বোধন করেন। এলাকায় জনসংখ্যা বৃদ্ধি কারনে ২২ জুন ২০১১ সালে বাগেরহাট-১ আসনের সংসদ সদস্য শেখ হেলাল উদ্দীন এ হাসপাতালটিকে ৫০ শয্যার উদ্বোধন করেন।

কিন্তু প্রথম থেকেই এখানে পর্যাপ্ত লোকবলের অভাবে সেবার মান নাজুক হয়ে পড়ছে। যেমন এখানে অপারেশন থিয়েটার দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ আছে। টেকনিশিয়ানের অভাবে নষ্ট হচ্ছে এক্সরে মেশিনসহ কয়েক কোটি টাকার যন্ত্রপাতি।

উপজেলার প্রায় দেড় লাখ মানুষের জন্য এখানে ১৫ জন চিকিৎসক থাকার কথা থাকলেও ৮ জন কর্মরত থাকায় দীর্ঘদিন ধরে ৭টি পদ শুন্য রয়েছে। দ্বিতীয় ও তৃতীয় শ্রেণীর ১০৮ টি পদের মধ্যে ৮৫ জন কর্মরত থাকায় এখানে ২৩টি পদ শুন্য। চতুর্থ শ্রেণীর ১৯ জনের মধ্যে ১৪ জন থাকলেও ৫ টি পদ শুণ্য। সর্ব মোট ১৪২ টি পদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে ৩৫টি পদ শূণ্য রয়েছে।

চিতলমারী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. আলমগীর হোসেন জানান, তিনি যোগদানের পুর্বে এখানে চিকিৎসা সেবা অনেক নাজুক ছিল। লোকবলের অভাবে সেবা কিছুটা ব্যহত হচ্ছে। গুরুত্বপুর্ন বিষয় হল এখানে টেকনিশিয়ানের অভাবে নষ্ট হচ্ছে হাসপাতালের এক্সরে মেশিনসহ কোটি টাকার যন্ত্রপাতি।

তবে চিকিৎসা নিতে আসা সাধারণ মানুষ অভিযোগ করে জানান, এখানে তারা সঠিক স্বাস্থ্যসেবা পাচ্ছে না অনেক ধরনের বিড়াম্বনার শিকার হচ্ছেন।এছাড়া হাসপাতালে অসাদু চক্র প্রবেশ করে সেবা নিতে আসা রোগিদের বøাকমেইল করে হাসপাতালেরই কর্মরত ডাক্তার দ্বারা প্রাইভেট চেম্বারে চিকিৎসা নিতে চাপ প্রয়োগের অভিযোগ রয়েছে।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp
admin
লেখক / প্রতিবেদক

admin

এই প্রতিবেদকের আরও সংবাদ পড়তে নামের উপর ক্লিক করুন।

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।