× Banner
সর্বশেষ
জগন্নাথদেবের পুনর্যাত্রা আজ: উল্টো রথযাত্রার ধর্মীয় তাৎপর্য, ইতিহাস ও আধ্যাত্মিক বার্তা সোনম ওয়াংচুক অনশন প্রত্যাহার, ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবিতে আন্দোলন অব্যাহত আজ ২৪ জুলাই বৈদিক জ্যোতিষে রাশিফল ও গ্রহদোষ প্রতিকারের উপায় সকাল ৯টার মধ্যে ১০ অঞ্চলে ঝড়ো হাওয়ার আশঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত ২৪ জুলাই শুক্রবার পঞ্জিকা ও ইতিহাসের এইদিনে রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন আজ পদত্যাগ করতে পারেন, দাবি রয়টার্সের টিপকাণ্ডে বরখাস্ত কনস্টেবল নাজমুল তারেককে চাকরিতে পুনর্বহালের নির্দেশ ধর্মমন্ত্রীর আশু আরোগ্য কামনায় দেশজুড়ে হেফাজতে ইসলামের বিশেষ দোয়া দক্ষিণ-পূর্ব ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি, সচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত ১১২ টাকায় সরকারি চাকরি পাওয়া স্বচ্ছ নিয়োগের প্রমাণ: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী

জনবল সংকটের কারনে ভেঙে পড়েছে মেহেরপুর প্রাণী সম্পদ বিভাগের চিকিৎসা ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন খামারিরা

admin
হালনাগাদ: বুধবার, ১৬ মার্চ, ২০১৬

মেহের আমজাদ, মেহেরপুর: জনবল সংকটের কারনে ভেঙে পড়েছে মেহেরপুর প্রাণী সম্পদ অধিদপ্তরের চিকিৎসা সেবা। গৃহপালিত ও গবাদি পশুর সেবা না পাওয়ায় হয়রানির শিকার হচ্ছে জেলার তিন উপজেলার ভুক্তভোগিরা। খামারিরাও বঞ্চিত হচ্ছে সেবা থেকে। ফলে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন তারা।

জেলা প্রাণী সম্পদ অধিদপ্তরের তথ্য মতে জেলার তিনটি উপজেলায় মোট ৪৫ টি পদের মধ্যে ১৭ টি পদই শুন্য রয়েছে। এর মধ্যে অন্যান্য পদে কর্মরত ৬ থেকে ৭ জন কর্মচারি প্রায়ই ট্রেনিং-এ থাকেন জেলার বাইরে। গবাদি পশুর অপারেশনের জন্য একমাত্র পদ ভেটেরিনারি সার্জন, তিন উপজেলায় চার জন থাকার কথা থাকলেও কর্মরত আছে মাত্র এক জন।

সদর এবং মুজিবনগর উপজেলার প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তার পদটিও শূণ্য। মাঠ পর্যায়ে গবাদি পশুর সেবা দানের জন্য তিন উপজেলায় ভেটেরিনারি ফিল্ড এ্যাসিসটেন্টের ৭টি পদ থাকলেও কর্মরত আছে ৩জন। ফলে সেচ্ছাসেবী দিয়ে কাজ চালাতে গিয়ে ব্যহত হচ্ছে সেবা দান। ফলে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে গবাদি পশুর খামারি ও ভুক্তভোগিরা।

মেহেরপুর সদর উপজেলার উত্তর শালিকা গ্রামের হাসান আলী জানান, আমি বেশ কয়েকবছর ধরে ছাগল পালন করে আসছি। আমার ১২ টি ছাগল ছিল, গত বছর রোগের কারনে ৭টি ছাগল মারা যায় এতে করে আমি ক্ষতির মুখে পড়ি।

একই গ্রামের খাইরুল শেখ জানান, আমরা ছাগল, গরু কিংবা অন্যান্য পশু পালন করি নিজের উদ্দ্যোগে। প্রাণী সম্পদ বিভাগের কোন সহযোগিতা পাই না। তারা বছরে এক বারও আমাদের খোজ খবর নেওয়ার জন্য আসে না। যদি তারা মাসে এক বার অথবা দুই বার আসতো তাহলে আমরা এই ক্ষতির মুখে পড়তাম না। তার মতো আরো অনেক চাষি জানান, প্রাণী সম্পদ বিভাগের অসহযোগিতার কারণে আমরা বিভিন্নভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছি। পাশাপাশি যাদের খামার রয়েছে তারাও চরম বিপাকের মধ্যে রয়েছে।

মেহেরপুর জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা (দ্বায়িত্বরত) ডাঃ মো: রফিকুল ইসলাম জানান, জেলার অনেক পদই শুন্য যে কারনে আমরা সেচ্ছাসেবী দিয়ে কাজ চালাই কিন্তু এই কাজ সম্প্রসারণের জন্য জনবলের প্রয়োজন, খামারিরাও সুবিধা কম পাচ্ছে। জনবল নিয়োগের মাধ্যমে এ সমস্যা সমাধান করা সম্ভব।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..