× Banner
সর্বশেষ
ওভারথিংকিং ডিটক্স ব্লুপ্রিন্ট বইটির মোড়ক উন্মোচন করলেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি, অধিকাংশ জেলায় স্বাভাবিক অবস্থা ফিরছে প্রস্তাবিত কর্পোরেট গভর্ন্যান্স রুলস ২০২৬ নিয়ে আইসিএসবির সিপিডি প্রোগ্রাম মাগুরায় ১০ হাজার গাছের চারা রোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন সংস্কৃতি মন্ত্রী মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলনের আহ্বান পানি সম্পদমন্ত্রীর মহেশপুর সীমান্ত দিয়ে ৬ জনকে পুশইন চেষ্টা রুখে দিয়েছে বিজিবি ঝিনাইদহে প্রথমবার পালিত হলো বিশ্ব পানিতে ডুবে মৃত্যু প্রতিরোধ দিবস তথ্য ও উপাত্তের ভিত্তিতে নিরপেক্ষভাবে কাজ করাই পেশাদার সাংবাদিকতার মূল দর্শন – তথ্যমন্ত্রী Inner Wheel Club of Dhaka Cosmopolitan 2026–2027 Handover Ceremony & Collar Exchange Program ব্যবসা সম্প্রসারণেই অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্ভব, ব্যবসায়ীদের প্রতি পরিবেশমন্ত্রীর আহ্বান

জঙ্গিবাদ অর্থায়নের মামলায় হোটেল নাইস ইন্টারন্যাশনালের ম্যানেজারসহ ১১ জঙ্গি ৩ দিনের রিমান্ডে

admin
হালনাগাদ: সোমবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৭

বিশেষ প্রতিবেদক অসিত কুমার ঘোষ (বাবু)ঃ জঙ্গিবাদে অর্থায়নের মামলায় রাজশাহী মহানগরীর হোটেল নাইস ইন্টারন্যাশনালের ম্যানেজার নাহিদুদ্দোজা মিঞা ওরফে নাহিদসহ ১১ জন জঙ্গির ৩ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত।

আজ সোমবার ঢাকা মহানগর হাকিম আমিরুল হায়দার চৌধুরী এই রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রূপনগর থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) শাহ মোঃ আকতারুজ্জামান ইলিয়াস আসামীদের দশ দিন করে রিমান্ড আবেদন করেন।

গত রোববার তিনি ওই রিমান্ড আবেদন করেন। ওইদিন মামলার কেস ডকেট (সিডি) না থাকায় সোমবার রিমান্ড আবেদনের শুনানির দিন ঠিক করা হয়। অপর রিমান্ডকৃতরা হলেন, হেলাল উদ্দিন (২৯), আল আমিন (২৩), ফয়সাল ওরফে তুহিন (৩৭), মঈন খান (৩৩), আমজাদ হোসেন (৩৪), তাজুল ইসলাম (২৭), জাহেদুল্লাহ (২৯), আল-মামুন (২০), আল-আমিন (২৩) ও টলি নাথ (৪০)।

গত ২৩ সেপ্টেম্বর ভোরে ঢাকা, রাজশাহী ও খুলনার বিভিন্ন এলাকা থেকে আসামীদের গ্রেপ্তার করে র‌্যাব-৪ এর অপারেশন দল। ওই সময় তাদের কাছ থেকে ১১টি ল্যাপটপ, ১২টি মোবাইল, হটি কার্ড পাঞ্চিং মেশিন, পাসপোর্ট, ভোটার আইডিসহ বেশ কিছু নথিপত্র উদ্ধার করা হয়। র‌্যাবের মুখপাত্র মুফতি মাহমুদ খানের দাবী, ‘স্পেনের আইটি কোম্পানি সিনটেক ও বাংলাদেশের ওয়াইমি একই মালিকের প্রতিষ্ঠান। মালিকের নাম আতাউল হক সবুজ। সে স্পেনে বসবাস করে। তার কোম্পানি সিনটেকের মাধ্যমে ওয়াইমি অর্থ পাঠাতো। যার ৪৭ শতাংশ বেতন ও অবকাঠামোগত কাজে ব্যয় হতো। বাকিটা জঙ্গিবাদে অর্থায়ন ব্যয় হতো।’

আসামিদের মধ্যে ৭ জন ওয়াইমির ও বাকিরা অন্য প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী। একই মালিকের দুই প্রতিষ্ঠানে স্পেন ও বাংলাদেশে দুই দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী একইসঙ্গে অভিযান পরিচালনা করে। স্পেনে আতাউল হক সবুজকেও আটক করা হয়েছে। সবুজ ২০১৫ সালে ১০ ডিসেম্বর সিরিয়ায় বোম্বিংয়ে নিহত জঙ্গি শিপুল হকের ভাই। বিদেশ থেকে জঙ্গি অর্থায়ন আনার কাজ শুরুতে শিপলু করতো। তার মালিকানায় আন্তর্জাতিক সফটওয়্যার কোম্পানি ছিল ‘আইবেক’।

বাংলাদেশসহ বিশ্বের নয়টি দেশে তার শাখা ছিল। আইবেকের প্রধান কার্যালয় ছিল আমেরিকায়।’ ২০১৫ সালের ৪ ডিসেম্বর আইবেকের ৫০ হাজার ডলার জঙ্গি অর্থায়নের কাজে ব্যবহারের আগেই র‌্যাবের হাতে আটক হয়। যা জঙ্গি বাশারুজ্জামান ওরফে চকলেটের মাধ্যমে তামীম চৌধুরীর কাছে পৌঁছানোর কথা ছিল। জঙ্গি অর্থায়নে সম্পৃক্ততার অভিযোগে বাংলাদেশে ২০১৫ সালের ২৫ ডিসেম্বর থেকে আইবেক শাখা বন্ধ করে দেওয়া হয়। পরে যুক্তরাষ্ট্রের শাখাও বন্ধ করে দেয় সে দেশের কর্তৃপক্ষ।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..