বিশেষ প্রতিবেদকঃ সরকারি চাকরিতে কোটা প্রথা বাতিল করে পুর্নমূল্যায়ন চেয়ে হাইকোর্টে একটি রিট দায়ের করা হয়েছে।
আজ (বুধবার) হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্র ও দুই সাংবাদিকের পক্ষে এই রিটটি দায়ের করেন আইনজীবী এখলাছ উদ্দিন ভূঁইয়া।
এখলাছ উদ্দিন ভূইয়া জানান, আগামী সপ্তাহে রিট আবেদনটি শুনানি হতে পারে।
মন্ত্রিপরিষদসচিব, প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের সচিব, আইনসচিব, সংসদ সচিবালয়ের সচিব, জনপ্রশাসনসচিব, পিএসসির চেয়ারম্যানকে রিটে বিবাদী করা হয়েছে।
রিটে বলা হয়েছে, এই কোটা পদ্ধতি সংবিধানের ১৯, ২৮, ২৯ ও ২৯/৩ অনুচ্ছেদের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।
আইনজীবী এখলাছ উদ্দিন জানান, ১৯৭২ সালে এক নির্বাহী আদেশে সরকারি, বেসরকারি, প্রতিরক্ষা, আধা সরকারি এবং জাতীয়করণ করা প্রতিষ্ঠানে জেলা ও জনসংখ্যার ভিত্তিতে ৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা ও ১০ শতাংশ ক্ষতিগ্রস্ত নারীদের জন্য কোটা প্রবর্তন করা হয়। পরবর্তীতে বিভিন্ন সময়ে কোটায় সংস্কার ও পরিবর্তন করা হয়। বর্তমানে সব মিলিয়ে ৫৬ শতাংশ কোটা বিদ্যমান। ফলে যারা কোনও কোটাতে পড়েন না, তাদের প্রতিযোগিতা করতে হচ্ছে বাকি ৪৪ শতাংশের জন্য।
রিট আবেদনকারীরা হলেন- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আনিসুর রহমান মির, ঢাকাস্থ কুমিল্লা সাংবাদিক সমিতির সদস্যসচিব দিদারুল আলম ও দৈনিক আমাদের অর্থনীতির সিনিয়র সাব-এডিটর আব্দুল ওদুদ।
সরকারি চাকরিতে কোটা প্রথা বাতিল করে পুর্নমূল্যায়ন চেয়ে হাইকোর্টে একটি রিট দায়ের করা হয়েছে।
আজ (বুধবার) হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্র ও দুই সাংবাদিকের পক্ষে এই রিটটি দায়ের করেন আইনজীবী এখলাছ উদ্দিন ভূঁইয়া।
এখলাছ উদ্দিন ভূইয়া জানান, আগামী সপ্তাহে রিট আবেদনটি শুনানি হতে পারে।
মন্ত্রিপরিষদসচিব, প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের সচিব, আইনসচিব, সংসদ সচিবালয়ের সচিব, জনপ্রশাসনসচিব, পিএসসির চেয়ারম্যানকে রিটে বিবাদী করা হয়েছে।
রিটে বলা হয়েছে, এই কোটা পদ্ধতি সংবিধানের ১৯, ২৮, ২৯ ও ২৯/৩ অনুচ্ছেদের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।
আইনজীবী এখলাছ উদ্দিন জানান, ১৯৭২ সালে এক নির্বাহী আদেশে সরকারি, বেসরকারি, প্রতিরক্ষা, আধা সরকারি এবং জাতীয়করণ করা প্রতিষ্ঠানে জেলা ও জনসংখ্যার ভিত্তিতে ৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা ও ১০ শতাংশ ক্ষতিগ্রস্ত নারীদের জন্য কোটা প্রবর্তন করা হয়। পরবর্তীতে বিভিন্ন সময়ে কোটায় সংস্কার ও পরিবর্তন করা হয়। বর্তমানে সব মিলিয়ে ৫৬ শতাংশ কোটা বিদ্যমান। ফলে যারা কোনও কোটাতে পড়েন না, তাদের প্রতিযোগিতা করতে হচ্ছে বাকি ৪৪ শতাংশের জন্য।
রিট আবেদনকারীরা হলেন- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আনিসুর রহমান মির, ঢাকাস্থ কুমিল্লা সাংবাদিক সমিতির সদস্যসচিব দিদারুল আলম ও দৈনিক আমাদের অর্থনীতির সিনিয়র সাব-এডিটর আব্দুল ওদুদ।




