× Banner
সর্বশেষ
আগস্টের শেষে খুলছে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার: সর্বনিম্নে নামবে অভিবাসন ব্যয় পাকিস্তানের কোয়েটার কয়লাখনিতে বিস্ফোরণ: নিহত ১৮, আটকা আরও ২৪ শ্রমিক পাকিস্তানে সহিংসতা বৃদ্ধি: প্রাণহানি ও নিরাপত্তা সংকট ঘিরে উদ্বেগ বিশ্ব রেঞ্জার দিবস ২০২৬: ইতিহাস, প্রতিপাদ্য, গুরুত্ব ও রেঞ্জারদের অবদান আজ ৩১ জুলাই বৈদিক জ্যোতিষে রাশিফল ও গ্রহদোষ প্রতিকারের উপায় ৩১ জুলাই শুক্রবার পঞ্জিকা ও ইতিহাসের এইদিনে কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে এনসিপির বিক্ষোভ মিছিলে হামলার অভিযোগ, আহত বেশ কয়েকজন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রয়োগে জনপ্রশাসন হবে অধিকতর জনবান্ধব – জনপ্রশাসন উপদেষ্টা স্বাস্থ্য খাতকে আরও শক্তিশালী করতে চিকিৎসকদের সহযোগিতা অপরিহার্য – স্থানীয় সরকার মন্ত্রী সুদের টাকার জন্য বিধবার গাভী নিয়ে গেলেন দাদন ব্যবসায়ী

আজ শুরু হচ্ছে সনাতনী হিন্দুদের চন্দনযাত্রা উৎসব

Brinda Chowdhury
হালনাগাদ: মঙ্গলবার, ৩ মে, ২০২২
চন্দনযাত্রা উৎসব

চন্দনযাত্রা একটি সনাতনী হিন্দু উৎসব। প্রতি বছর পুরীর জগন্নাথ মন্দিরে অক্ষয় তৃতীয়ার দিন এই উৎসব পালিত হয়। বৈশাখ মাসের শুক্লপক্ষের তৃতীয়া তিথিতে শুরু হয়ে একটানা একুশ দিন ধরে প্রতিদিন প্রধান দেবতাদের প্রতিনিধিমূর্তি সহ পঞ্চপাণ্ডব নামে পরিচিত পাঁচটি শিবলিঙ্গ সুসজ্জিত করে শোভাযাত্রা সহকারে জগন্নাথ মন্দিরের সিংহদ্বার থেকে নরেন্দ্র তীর্থ জলাধার অবধি নিয়ে যাওয়া হয়।বিভিন্ন ধর্মানুষ্ঠানের পর দেবতাদের একটি সুসজ্জিত রাজকীয় নৌকায় চাপিয়ে সান্ধ্যভ্রমণের জন্য জলাশয়ে ভাসানো হয়। শেষ ২১ দিনের যাবতীয় অনুষ্ঠান অবশ্য মন্দিরের ভিতরেই হয়ে থাকে।

গৌড়ীয় বৈষ্ণবদের জন্য, চন্দনযাত্রা সম্পর্কিত সর্বাধিক উল্লেখযোগ্য লীলা হলো শ্রীল মাধবেন্দ্রপুরীর। শ্রী গোবর্ধন পর্বতে একটি ব্যাপক উৎসবের মাধ্যমে গোপাল বিগ্রহকে প্রতিষ্ঠিত করার পর, এক রাতে শ্রী গোপাল শ্রীমাধবেন্দ্রপুরীর স্বপ্নে আবির্ভূত হন। স্বপ্নে ভগবান শ্রীল মাধবেন্দ্রপুরীকে মলয় প্রদেশ থেকে চন্দন এনে তাঁর দিব্য অঙ্গে প্রয়োগ করে তাঁকে তীব্র উত্তাপ থেকে মুক্তি দেওয়ার জন্য বলেন।

শ্রী চৈতন্যচরিতামৃত: মধ্য লীলা (৪/১০৬) উল্লেখ রয়েছে,

গোপল কহে, পুরী আমার তাপ নাহি যায়।

মলয়জ চন্দন লেপ, তবে সে জুড়ায় ।।

ভগবানের শুদ্ধভক্ত মাধবেন্দ্রপুরী ,তাঁকে সন্তুষ্ট করার জন্য, সঙ্গে সঙ্গে জগন্নাথপুরীর উদ্দেশ্যে যাত্রা করলেন। পথে তিনি রেমুনার শ্রী গোপীনাথ দর্শন প্রাপ্ত হন। গোপীনাথ তাঁর জন্য ক্ষীর চুরির লীলা করেছিলেন, এজন্য পরবর্তীতে এই বিগ্রহ ক্ষীরচোরা গোপীনাথ নামে খ্যাতি লাভ করে। শ্রীল মাধবেন্দ্র পুরী জগন্নাথ পুরীতে গিয়ে সেখানে রাজার সহায়তায় গোপালের জন্য প্রচুর পরিমাণে চন্দন আহরণ করেছিলেন। গোবর্ধন পর্বতে ফেরার পথে গোপীনাথের মন্দিরটি অতিক্রম করার সময় আবারও তিনি একটি স্বপ্নে গোপাল আদিষ্ট হন, চন্দন গোবর্ধন পর্যন্ত না নিয়ে গোপীনাথের অঙ্গেই যেন প্রলিপ্ত করা হয় I কেননা গোপাল এবং গোপীনাথের মধ্যে কোনও পার্থক্য নেই । এরপরে মাধবেন্দ্র পুরী চন্দন নামিয়ে গোপীনাথের অঙ্গে প্রলেপ প্রদান করেন, যা গোপাল এবং গোপীনাথ উভয়কেই প্রচুর আনন্দ দিয়েছিল। এভাবেই চন্দন-যাত্রা উৎসবটি ভক্তদের কাছে প্রকাশিত হয়।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..