× Banner
সর্বশেষ
কোটালীপাড়ায় পল্লী উন্নয়ন একাডেমি’র ১৮’শ শিক্ষার্থীদের মাঝে ফলদ ও বনজ গাছের চারা বিতরণ প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক সদিচ্ছার অভাবে দুর্নীতি বন্ধ করা সম্ভব হচ্ছে না -বিরোধী দলীয় নেতা রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনে যাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিশেষ দূত দেশের প্রান্তিক পর্যায় থেকে উদীয়মান খেলোয়াড়দের বাছাই করে ক্রীড়া অঙ্গনের সমৃদ্ধি ঘটাতে চাই – প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল কোটালীপাড়ায় ১০ম উপজেলা স্কাউটস সমাবেশের উদ্বোধন আসামের বন্যার্তদের জন্য বাংলাদেশ হাইকমিশনের ত্রাণ সহায়তা বৃষ্টি ও বন্যার প্রভাবে বাজারে অস্থিরতা, কাঁচামরিচ ৪০০ টাকা কেজি মতিঝিলে ৪৬৪ দেশীয় অস্ত্রসহ ৩ বিক্রেতা গ্রেফতার অর্থ সংকটে জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন – বেতনহীন কর্মীরা, থমকে আহতদের চিকিৎসা সহায়তাও নৌপথের সুরক্ষায় বাংলাদেশসহ ১৩ দেশ নিয়ে সৌদির নতুন জোট

আজ শুরু হচ্ছে সনাতনী হিন্দুদের চন্দনযাত্রা উৎসব

Brinda Chowdhury
হালনাগাদ: মঙ্গলবার, ৩ মে, ২০২২
চন্দনযাত্রা উৎসব

চন্দনযাত্রা একটি সনাতনী হিন্দু উৎসব। প্রতি বছর পুরীর জগন্নাথ মন্দিরে অক্ষয় তৃতীয়ার দিন এই উৎসব পালিত হয়। বৈশাখ মাসের শুক্লপক্ষের তৃতীয়া তিথিতে শুরু হয়ে একটানা একুশ দিন ধরে প্রতিদিন প্রধান দেবতাদের প্রতিনিধিমূর্তি সহ পঞ্চপাণ্ডব নামে পরিচিত পাঁচটি শিবলিঙ্গ সুসজ্জিত করে শোভাযাত্রা সহকারে জগন্নাথ মন্দিরের সিংহদ্বার থেকে নরেন্দ্র তীর্থ জলাধার অবধি নিয়ে যাওয়া হয়।বিভিন্ন ধর্মানুষ্ঠানের পর দেবতাদের একটি সুসজ্জিত রাজকীয় নৌকায় চাপিয়ে সান্ধ্যভ্রমণের জন্য জলাশয়ে ভাসানো হয়। শেষ ২১ দিনের যাবতীয় অনুষ্ঠান অবশ্য মন্দিরের ভিতরেই হয়ে থাকে।

গৌড়ীয় বৈষ্ণবদের জন্য, চন্দনযাত্রা সম্পর্কিত সর্বাধিক উল্লেখযোগ্য লীলা হলো শ্রীল মাধবেন্দ্রপুরীর। শ্রী গোবর্ধন পর্বতে একটি ব্যাপক উৎসবের মাধ্যমে গোপাল বিগ্রহকে প্রতিষ্ঠিত করার পর, এক রাতে শ্রী গোপাল শ্রীমাধবেন্দ্রপুরীর স্বপ্নে আবির্ভূত হন। স্বপ্নে ভগবান শ্রীল মাধবেন্দ্রপুরীকে মলয় প্রদেশ থেকে চন্দন এনে তাঁর দিব্য অঙ্গে প্রয়োগ করে তাঁকে তীব্র উত্তাপ থেকে মুক্তি দেওয়ার জন্য বলেন।

শ্রী চৈতন্যচরিতামৃত: মধ্য লীলা (৪/১০৬) উল্লেখ রয়েছে,

গোপল কহে, পুরী আমার তাপ নাহি যায়।

মলয়জ চন্দন লেপ, তবে সে জুড়ায় ।।

ভগবানের শুদ্ধভক্ত মাধবেন্দ্রপুরী ,তাঁকে সন্তুষ্ট করার জন্য, সঙ্গে সঙ্গে জগন্নাথপুরীর উদ্দেশ্যে যাত্রা করলেন। পথে তিনি রেমুনার শ্রী গোপীনাথ দর্শন প্রাপ্ত হন। গোপীনাথ তাঁর জন্য ক্ষীর চুরির লীলা করেছিলেন, এজন্য পরবর্তীতে এই বিগ্রহ ক্ষীরচোরা গোপীনাথ নামে খ্যাতি লাভ করে। শ্রীল মাধবেন্দ্র পুরী জগন্নাথ পুরীতে গিয়ে সেখানে রাজার সহায়তায় গোপালের জন্য প্রচুর পরিমাণে চন্দন আহরণ করেছিলেন। গোবর্ধন পর্বতে ফেরার পথে গোপীনাথের মন্দিরটি অতিক্রম করার সময় আবারও তিনি একটি স্বপ্নে গোপাল আদিষ্ট হন, চন্দন গোবর্ধন পর্যন্ত না নিয়ে গোপীনাথের অঙ্গেই যেন প্রলিপ্ত করা হয় I কেননা গোপাল এবং গোপীনাথের মধ্যে কোনও পার্থক্য নেই । এরপরে মাধবেন্দ্র পুরী চন্দন নামিয়ে গোপীনাথের অঙ্গে প্রলেপ প্রদান করেন, যা গোপাল এবং গোপীনাথ উভয়কেই প্রচুর আনন্দ দিয়েছিল। এভাবেই চন্দন-যাত্রা উৎসবটি ভক্তদের কাছে প্রকাশিত হয়।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..