× Banner
সর্বশেষ
টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক – ১৫ দিনের মধ্যে হাইকোর্টে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ নবীগঞ্জে আমগাছ থেকে ঝুলন্ত যুবকের মরদেহ উদ্ধার কৃষিখাতে সহযোগিতা জোরদারে আগ্রহী বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া চার মাসের মধ্যে ঢাকা ও চট্টগ্রামের ডিজিটাল এলিভেশন মডেল করার নির্দেশ রাজধানীর লালবাগে ২৪ হাজার কেজি নিষিদ্ধ পলিথিন জব্দ বাংলাদেশের সঙ্গে সাংস্কৃতিক সম্পর্ক জোরদারে আগ্রহী বেইজিং – চীনা রাষ্ট্রদূত এক হাজার ফাউন্ডারকে জমির দলিল দিল ‘সুখের খামার’ প্রথমবার শিক্ষা মন্ত্রণালয় পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী, শিক্ষার মানোন্নয়নে গুরুত্বারোপ গুনভর ইউএসএর কাছ থেকে ১৩ বছরের এলএনজি আমদানিতে নীতিগত অনুমোদন সংসদের গণপূর্ত প্রকৌশলীর কার্যালয়ে আগুন, তদন্ত কমিটি গঠনের নির্দেশ

চট্টগ্রামে হিন্দুধর্ম পরিবর্তন করেও রক্ষা পেল না খুনি

admin
হালনাগাদ: মঙ্গলবার, ২০ মার্চ, ২০১৮

রাজিব শর্মা,(চট্টগ্রাম ব্যুরোঃ চার বছর আগের একটি হত্যাকাণ্ডের দায় থেকে রেহাই পেতে হিন্দু ধর্ম ত্যাগ করেছেন প্রদীপ চৌধুরী।নিজেকে তৈরি করেছেন আল আমিন হিসেবে। হত্যাকাণ্ডের আসামি প্রদীপ চৌধুরী চট্টগ্রাম ছেড়ে ঢাকায় আল আমিন হয়ে বসবাস করছিলেন ।

মঙ্গলবার এ বিষয়ে সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন-পিবিআই।

রোববার ১৮ই মার্চ রাতে ঢাকার বাড্ডা এলাকা থেকে আল আমিন ওরফে প্রদীপ গ্রেপ্তার করে পিবিআই সদস্যরা।

প্রদীপ (৩২) চট্টগ্রামের হাটহাজারী থানার মৃত নিরঞ্জন চৌধুরীর ছেলে। চার বছর আগের একটি হত্যা মামলার তদন্ত করতে গিয়ে এ ঘটনা বের হয়ে আসে। প্রদীপ হিন্দু থেকে মুসলিম হয়ে আল আমিন নাম নিয়ে ঢাকায় মুদি দোকান করছে, এমন তথ্য পান পিবিআই কর্মকর্তারা।

পিবিআই চট্টগ্রাম মেট্রো অঞ্চলের পরিদর্শক সন্তোষ কুমার চাকমা বলেন, ছিনতাই করতে গিয়ে কিশোর মো. আলাউদ্দিনকে (১৬) হত্যায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে আল আমিন ওরফে প্রদীপ।

“প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে জানায়, মামলা থেকে রেহাই পেতে ধর্ম পরিবর্তন করে চট্টগ্রাম ছাড়ে সে। ঢাকায় গিয়ে বিয়ে করে এবং সেখানে থাকতে শুরু করে।”

রোববার রাতে বাড্ডা ভুঁইয়া বাড়ি এলাকা থেকে আল আমিন ওরফে প্রদীপকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানান পুলিশ কর্মকর্তা সন্তোষ চাকমা।

২০১৪ সালের ৩ মার্চ গভীর রাতে নগরীর বাকলিয়া থানার কালামিয়া বাজারে ইসলামী সমাজকল্যাণ মসজিদ লাগোয়া খালপাড়ে কিশোর মো. আলাউদ্দিন ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে মারা যায়। আলাউদ্দিন স্থানীয় আবুল হোসেন ও আলেয়া বেগমের সন্তান। এ ঘটনায় থানায় একটি হত্যা মামলা হলে পুলিশ তদন্তের দায়িত্ব পায়।

পিবিআই কর্মকর্তা সন্তোষ চাকমা জানান, শুরুতে পুলিশ তদন্ত করলেও পরে গোয়েন্দা পুলিশ তদন্ত শেষে অন্য দুই আসামির নামে আদালতে অভিযোগপত্র দেয়।

“প্রদীপের ঠিকানা-পরিচয় সনাক্ত করতে না পারায় তাকে মামলা থেকে অব্যাহতির আবেদনও করা হয় ওই অভিযোগপত্রে। মহানগর হাকিম শাহাদাত হোসেন ভুঁইয়া তার ঠিকানা সন্ধান করতে মামলাটি পিবিআইর মাধ্যমে অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দেন।”

সন্তোষ চাকমা জানান, প্রদীপের বর্তমান অবস্থান সম্পর্কে কেউ কোনো তথ্য দিতে না পারলেও এক পর্যায়ে তার ধর্মান্তরিত হওয়া ও বিয়ের খবর পান তারা।

“এরপর তার স্ত্রী, শাশুড়ি ও শ্যালকের তথ্য সংগ্রহ করি। পরে তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহার করে ও সোর্সের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।”


এ ক্যটাগরির আরো খবর..