× Banner
সর্বশেষ
ধর্মমন্ত্রীর আশু আরোগ্য কামনায় দেশজুড়ে হেফাজতে ইসলামের বিশেষ দোয়া দক্ষিণ-পূর্ব ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি, সচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত ১১২ টাকায় সরকারি চাকরি পাওয়া স্বচ্ছ নিয়োগের প্রমাণ: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী বাংলাদেশে ২৫-২৬ জুলাই ন্যাশনাল সেমিকন্ডাক্টর সিম্পোজিয়াম ও বিআইইআর সামিট ২০২৬ বগুড়া উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন ২০২৬-এর খসড়া অনুমোদন, পরিকল্পিত আধুনিক নগর গঠনের উদ্যোগ বাজেট বাস্তবায়নেই সাফল্য, কক্সবাজারকে আধুনিক ডিজিটাল পর্যটন নগরী গড়ার পরিকল্পনা: অর্থমন্ত্রী FICCI FDI Conference 2026-এ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা স্মারক প্রদান বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে FICCI FDI Conference 2026, উন্মোচিত হলো এফডিআই রিপোর্ট মাদারীপুরে বৈশাখী ভাতা ও ঈদ বোনাস না পাওয়ায় দপ্তরিদের শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় ঘেরাও কোটালীপাড়ায় উল্টো রথযাত্রায় ভক্তদের ঢল

গ্রাম-গঞ্জে ইরি-বোরো ধান কাটা ও মাড়াইয়ের উৎসব শুরু হয়েছে

Kishori
হালনাগাদ: মঙ্গলবার, ১৪ মে, ২০১৯

রতি কান্ত রায়(কুড়িগ্রাম)প্রতিনিধি: কুড়িগ্রামের গ্রাম-গঞ্জে চলতি ইরি-বোরো মৌসুমে ধান কাটা ও মাড়াইয়ের উৎসব শুরু হয়েছে। কুড়িগ্রাম জেলার বিভিন্ন এলাকার মাঠজুড়ে এখন ধানের শীষের সোনালী রঙের বর্ণিল ছোঁটার সমারোহ।
যতদুর চোখ যায় শুধু সোনালী রঙের চোখ ধাঁধাঁনো দৃশ্য। মাঠজুড়ে সোনালী রঙ বলে দিচ্ছে গ্রামবাংলার কৃষকের মাথার ঘাম পায়ে ফেলা ইরি-বোরো ধান চাষের সফলতা আসন্ন। চলতি মৌসুমে ইরি-বোরো ধানের বাম্পার ফলনের অাশা করছেন এই জেলার কৃষককূল।
 কুড়িগ্রামের গ্রাম-গঞ্জে ইরি- বোরো ধান কাটা ও মাড়াইয়ের উৎসব শুরু হয়েছে। এ উৎসবকে ঘিরে এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা ও শ্রমজীবীরা । শ্রমজীবীরা ব্যস্ত সময় পার করছেন ইরি-বোরো ধান কাটা ও মাড়াইয়ে। অায়-রোজগারও ভালো হচ্ছে তাদের। কয়েক জনের সাথে কথা বলে জানা যায় যে, তারা বিঘা প্রতি ২০০০ করে  ইরি-বোরো ধান কাটছেন মাড়াই বাদে। এবার  কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলায় ছয়টি ইউনিয়নে অর্জিত  লক্ষ্যমাত্রার ১১ হাজার ৪৫০ জমিতে ইরি-বোরো চাষ হয়েছে। এ ব্যাপারে ফুলবাড়ী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহাবুর রশীদ জানান, ফুলবাড়ী উপজেলায় এবার ১১ হাজার ৪৫০ হেক্টর জমিতে বোরো চাষ হয়েছে। ইতোমধ্যে লক্ষ্যমাএার তিন ভাগের এক ভাগ কাটা ও মাড়াই হয়েছে।  এবার কুড়িগ্রামের নয়টি উপজেলায় ১ লাখ ১৫ হাজার ৭৯১ হেক্টর জমিতে বোরো চাষ হয়েছে।
বোরো ধানে অন্যান্য বারের তুলনায় এবার রোগব্যধি কম হওয়ায় ফসল অনেকটা ভাল হয়েছে। এতে কুড়িগ্রামের কৃষকরা অনেকটা স্বস্তি নিয়েই বোরো ধান কাটা ও মাড়াইয়ের কাজ শুরু করেছেন। এখানে এখনও পুরোপুরি কাটা ও মাড়াই শুরু না হলেও চর এলাকাগুলোতে এ কাজ শুরু হয়ে গেছে।
ফুলবাড়ীর বড়ভিটা চরাঞ্চলের কৃষক সামিউল হক প্রতিবেদক কে বলেন, তিনি ২ বিঘা জমিতে বোরো চাষ করেছেন। এখন এই ধান কেটে এনে মাড়াই করে ২ বিঘায় ৩৫ মণ ধান পেয়েছেন। সঠিক পরিচর্যা হলে তিনি আরও বেশি ধান পেতেন।
একই এলাকার কৃষক ইউনুছ আলী জানান, তিনি ৩ বিঘা জমিতে বোরো চাষ করেছেন। ক্ষেতে পোকার আক্রমণ কম হওয়ায় এবার তার বোরোর ফলন ভাল হয়েছে। ওই ফসল কাটা ও মাড়াই শুরু হয়েছে। তিনি বিঘাপ্রতি ২০ মণ ধান পাওয়ার আশা করছেন।
কৃষক জয়নাল আবেদীন, রজব আলী, সেরাজুলসহ আরও অনেকেই বোরো ধান কাটা ও মাড়াই কাজ শুরু করেছেন। বিঘাপ্রতি তারা ১৮ থেকে ২০ মণ ধান পাওয়ার আশা করছেন। এতে ধান উৎপাদনের ৬/৮ হাজার খরচ বাদ দিয়ে ধান বিক্রি করে তারা বিঘাপ্রতি ৪/৫ হাজার টাকা আয় করার আশা করছেন।পশ্চিম ধনীরামের রেজারুল ইসলাম এবার ২৭ বিঘা জমিতে বোরো ধান চাষ করেছেন। ২৭ বিঘা জমিতে ১১০-১১৫ মন ধান পাওয়ার অাশা করছেন। চন্দ্-
খানা গ্রামের জাহিদুল ইসলাম ড়ের বিঘা জমিতে বোরো ধান চাষ করেছেন একই গ্রামের শ্রী কান্ত রায় দুই বিঘায় বোরো ধান চাষ করেছেন ।
কুড়িগ্রাম কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর খামারবাড়ীর উপ-সহকারী কৃষিকর্মকর্তা বিমল কুমার দে জানান, কুড়িগ্রামের নয়টি উপজেলায় এবার ১ লাখ ১৫ হাজার ৭৯১ হেক্টর জমিতে বোরো চাষ হয়েছে। বোরো ক্ষেতে পোকার আক্রমণ কম হওয়ায় এবার কুড়িগ্রামে বোরো চাষে কৃষকরা আশানুরূপ ফলন পাবেন।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..