× Banner
সর্বশেষ
ধর্মমন্ত্রীর আশু আরোগ্য কামনায় দেশজুড়ে হেফাজতে ইসলামের বিশেষ দোয়া দক্ষিণ-পূর্ব ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি, সচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত ১১২ টাকায় সরকারি চাকরি পাওয়া স্বচ্ছ নিয়োগের প্রমাণ: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী বাংলাদেশে ২৫-২৬ জুলাই ন্যাশনাল সেমিকন্ডাক্টর সিম্পোজিয়াম ও বিআইইআর সামিট ২০২৬ বগুড়া উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন ২০২৬-এর খসড়া অনুমোদন, পরিকল্পিত আধুনিক নগর গঠনের উদ্যোগ বাজেট বাস্তবায়নেই সাফল্য, কক্সবাজারকে আধুনিক ডিজিটাল পর্যটন নগরী গড়ার পরিকল্পনা: অর্থমন্ত্রী FICCI FDI Conference 2026-এ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা স্মারক প্রদান বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে FICCI FDI Conference 2026, উন্মোচিত হলো এফডিআই রিপোর্ট মাদারীপুরে বৈশাখী ভাতা ও ঈদ বোনাস না পাওয়ায় দপ্তরিদের শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় ঘেরাও কোটালীপাড়ায় উল্টো রথযাত্রায় ভক্তদের ঢল

‘গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধি বাজেটের ঘাটতি পূরণে’

admin
হালনাগাদ: বুধবার, ২৪ আগস্ট, ২০১৬

স্টাফ রিপোর্টার: ‘সরকার গ্যাসের দাম বৃদ্ধির পাঁয়তারা করছে চলতি অর্থবছরের বাজেট ঘাটতি পূরণের লক্ষ্যে। এই সরকার সব দিক থেকে গণবিরোধী অবস্থান নিয়েছে। গণসংগ্রাম ছাড়া এ অবস্থা থেকে বের হয়ে আসা সম্ভব নয়।’

বুধবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ পরিষদ আয়োজিত জনতার গণশুনানিতে বক্তারা এসব কথা বলেন।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ আনু মোহাম্মদ বলেন, ‘গ্যাসের দাম বাড়লে অর্থনীতির ভাষায় জনগণের ওপর গুণীতক প্রভাব পড়বে। সরকার যদি এক টাকা গ্যাসের দাম বাড়ায় তবে জনগণের ব্যয় বাড়বে ১০ টাকা। ফলে গণপরিবহনের ভাড়া বাড়বে, দৈনন্দিন জীবনের ব্যয়, বাসা ভাড়াসহ সক্ষেত্রেই ব্যয় বাড়বে।’

তিনি আরো বলেন, ‘বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) একটা নিধিরাম সরদার। তারা ওপরের নির্দেশমতো চলছে। তারা যদি সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করতে না পারে তাহলে তাদের উচিৎ নাকে খত দিয়ে পদত্যাগ করা। সরকারের কর্মকর্তারা দুর্নীতি না করলে গ্রাহকদের আরো কম দামে গ্যাস সরবরাহ করা সম্ভব হতো। কিন্তু সরকার বিদেশি কোম্পানির স্বার্থের কথা চিন্তা করে গ্যাসের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এটা গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবসায়ীদের প্রতিনিধিত্ব করার মতোও।’

গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি বলেন, ‘বর্তমানে গ্যাসের দাম বৃদ্ধি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই। বিআরসির নিয়মেই আছে- বিশেষ পরিস্থিতির সম্মুখীন না হলে বছরে দুই বার গ্যাসের দাম বাড়ানো যাবে না।’

তিনি আরো বলেন, ‘চলতি অর্থবছরের বাজেট ঘাটতি পূরণের লক্ষ্যে সরকার গ্যাসের দাম বাড়ানোর পাঁয়তারা করছে। সরকারের এ ধরনের সিদ্ধান্ত রুখে দিতে হবে। এজন্য গণসংগ্রাম গড়ে তুলতে হবে।’

সিপিবির প্রেসিডিয়াম সদস্য রুহিন হোসেন প্রিন্স বলেন, ‘গ্যাসের দাম বাড়ানোর কোনো যৌক্তিকতা নেই। এখন গ্রাহকরা ৩০০ টাকার বেশি গ্যাস ব্যবহার করে না। কিন্তু তাদের মাসে পরিশোধ করে ৬৫০ টাকা। কর্মকর্তাদের দুর্নীতির কারণে সিস্টেম লস দেখিয়ে গ্যাসের দাম বাড়ানোর পাঁয়তারা করছে সরকার।’

প্রসঙ্গত, ২০১৬-১৭ অর্থবছরের বাজেটে সার্বিক  ঘাটতি ৯৭ হাজার ৮৫৩ কোটি টাকা দেখানো হয়েছে, যা জিডিপির ৫ শতাংশ। এ ঘাটতি অর্থায়নে বৈদেশিক উৎস থেকে ৩৬ হাজার ৩০৫ কোটি টাকা (জিডিপির ১.৯ শতাংশ) এবং অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ৬১ হাজার ৫৪৮ কোটি টাকা (জিডিপির ৩.১ শতাংশ) সংস্থানের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। অভ্যন্তরীণ উৎসের মধ্যে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে ৩৮ হাজার ৯৩৮ কোটি টাকা (জিডিপির ২ শতাংশ) এবং সঞ্চয়পত্র ও অন্যান্য ব্যাংকবহির্ভূত উৎস থেকে ২২ হাজার ৬১০ কোটি টাকা সংস্থান করা হবে।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..