× Banner
সর্বশেষ
সাংবাদিকতা পেশা নির্ধারণে যথাযথ কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি -তথ্যমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্র-সৌদি ঐতিহাসিক পারমাণবিক চুক্তি: বেসামরিক কর্মসূচির আড়ালে বাড়ছে কৌশলগত উদ্বেগ বাংলাদেশ-থাইল্যান্ড বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা নতুন উচ্চতায় নেওয়ার আহ্বান ফিলিপাইনে শুরু ৩৩তম আসিয়ান আঞ্চলিক ফোরামের বৈঠক এলএনজি টার্মিনালে ত্রুটি, দেশজুড়ে তীব্র গ্যাস সংকট নয়াদিল্লিতে ফের উত্তেজনা, বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে আহত ৫ মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনায় ফের বাড়ল তেলের দাম, ব্রেন্ট ছাড়াল ৯৬ ডলার হাম ও ডেঙ্গুর দ্বৈত আতঙ্কে দেশ, বাড়ছে শিশু ও সাধারণ মানুষের ঝুঁকি দেশের ১০ জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ো হাওয়া র পূর্বাভাস, নদীবন্দরে সতর্ক সংকেত চীনের ১ লাখ ডলার সহায়তা: বন্যা ও ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট

খালেদা জিয়ার আত্মপক্ষ সমর্থনের ওপর শুনানি ২৪ নভেম্বর পর্যন্ত মুলতবি

admin
হালনাগাদ: বৃহস্পতিবার, ১০ নভেম্বর, ২০১৬

বিশেষ প্রতিবেদক: জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার আত্মপক্ষ সমর্থনের ওপর শুনানি ২৪ নভেম্বর পর্যন্ত মুলতবি করেছেন আদালত। একই সঙ্গে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার জেরার জন্য ১৭ নভেম্বর দিন ধার্য করা হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার সকালে আদালতে হাজির হয়ে আত্মপক্ষ সমর্থনের বিষয়ে খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা দুই সপ্তাহের সময় চান। পরে আদালত ২৪ নভেম্বর পর্যন্ত সময়দেন।এর আগে পুরান ঢাকার বকশীবাজারে কারা অধিদপ্তরের প্যারেড মাঠে স্থাপিত তৃতীয় বিশেষ জজ আবু আহমেদ জমাদারের অস্থায়ী আদালতে এ মামলার শুনানি শুরু হয়।

আজ মামলার তদন্ত কর্মকর্তাকে জেরা করেন খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা। জেরাকালে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলার নথি ও তদন্ত কর্মকর্তার এ মামলায় যোগসাজশ এবং তাঁর তদন্ত কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্ন করা হয়। পরে দুপুর পৌনে ১টায় জেরা শেষে আদালত আজকেরমতো মুলতবি ঘোষণা করা হয়।

আদালত সূত্রে জানা যায়, খালেদা জিয়াকে ২৪ নভেম্বর পর্যন্ত সময় দেওয়ার সঙ্গে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার জেরার জন্য ১৭ নভেম্বর দিন ধার্য করেন আদালত।১৭ নভেম্বর খালেদা জিয়ার উপস্থিতির প্রয়োজন নেই। কিন্তু ২৪ নভেম্বর আত্মপক্ষ সমর্থনের বিষয়ে আদালতকে অবহিত করার জন্য তাঁকে আদালতে উপস্থিত থাকতে হবে।

শুনানি শেষে খালেদা জিয়ার উদ্দেশে বিচারক বলেন, ‘আত্মপক্ষ সমর্থনের বিষয়েআপনাকে তিনটি প্রশ্ন করা হবে। আপনি চাইলে মৌখিক বা লিখিতভাবে প্রশ্নগুলোরজবাব দিতে পারবেন। এ জন্য আপনি প্রস্তুতি নিয়ে আসবেন।’

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলার বিবরণথেকে জানা যায়, ২০০৫ সালে কাকরাইলে সুরাইয়া খানমের কাছ থেকে ‘শহীদ জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট’-এর নামে ৪২ কাঠা জমি কেনা হয়। কিন্তু জমির দামের চেয়ে অতিরিক্ত এক কোটি ২৪ লাখ ৯৩ হাজার টাকা জমির মালিককে দেওয়া হয়েছে বলে কাগজপত্রে দেখানো হয়, যার কোনো বৈধ উৎস ট্রাস্ট দেখাতে পারেনি।জমির মালিককে দেওয়া ওই অর্থ ছাড়াও ট্রাস্টের নামে মোট তিন কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা অবৈধ লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে।২০১০ সালের ৮ আগস্ট জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ এনে খালেদা জিয়াসহ চারজনের নামে তেজগাঁও থানায় দুর্নীতিরঅভিযোগে এ মামলা করেছিলেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সহকারী পরিচালক হারুনুর রশিদ।

ওই মামলার অপর আসামিরা হলেন—খালেদা জিয়ার সাবেক রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, হারিছের তখনকার সহকারী একান্ত সচিব ও বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) নৌ নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক জিয়াউল ইসলাম মুন্না এবং ঢাকার সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..