× Banner
সর্বশেষ
দেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগের সর্বশেষ তথ্য এবং উপদ্রুত এলাকায়  আশ্রয় ও ত্রাণ কার্যক্রম বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের দর্শনই আমাদের অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয়: তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী দেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগের সর্বশেষ তথ্য এবং উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের গৃহীত কার্যক্রম শিক্ষা ও কারিগরি খাতে বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী সিঙ্গাপুর বাংলাদেশ-চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠকে রোহিঙ্গা ও করিডোর নিয়ে আলোচনা প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেক সভা চলছে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের নেতাদের সাক্ষাৎ মধুখালীতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্কাউট সভাপতি ও ইউনিট লিডারদের সাথে মতবিনিময় সভা যখনই বাংলাদেশের জনগণ বিপদে পড়েছে, চীন পাশে দাঁড়িয়েছে – ইয়াও ওয়েন দিল্লি বিক্ষোভের পর মোদি সরকারের কাছে রাহুল গান্ধীর ৫ দফা দাবি

ক্ষেপেছেন কালীগঞ্জের ভূয়া নিবন্ধন দেখিয়ে চাকুরী নেয়া সেই শিক্ষক

admin
হালনাগাদ: রবিবার, ২১ জানুয়ারী, ২০১৮

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি ॥ ২১ জানুয়ারি’২০১৮:  ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে “এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে ভূয়া নিবন্ধন দেখিয়ে চাকুরি করার অভিযোগ” শিরোনামে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় ও অনলাইন নিউজপোর্টালে সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর ক্ষেপেছেন শিক্ষক হেলাল উদ্দিন। তিনি চাকুরী বাঁচাতে প্রভাবশালী বিভিন্ন মহলে দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছেন।

হেলাল উদ্দীন ৭ জানুয়ারি ২০১০ সালে কালীগঞ্জ উপজেলার নিয়ামতপুর ইউনিয়নের চাপরাইল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সমাজবিজ্ঞান বিভাগে সহকারি শিক্ষক পদে যোগদান করেন। যোগদানের সময় ওই শিক্ষক ২০০৭ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ভূয়া নিবন্ধন দেখিয়ে চাকরি নেন। যার নিবন্ধন নং-৭০০৮৬৭৮/২০০৭ ও রোল নং-১১২০৩১৫৩। নিবন্ধনের ফল প্রকাশের তারিখ দেখানো হয় ২৬/১২/২০০৭। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে ওই শিক্ষক নিবন্ধন পরিক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন ২০১২ সালে। যার রোল-৩০৪২৫২০১। এখন প্রশ্ন উঠেছে ওই শিক্ষক ২০০৭ সালের ভূয়া নিবন্ধন দেখিয়ে চাকরিতে কিভাবে যোগদান করলেন?

জানাযায়, শিক্ষক হেলাল উদ্দীন সংবাদ প্রকাশের পর থেকে চাকরি বাঁচাতে প্রভাবশালীদের নিকট ধর্না দিয়ে আসছেন। আরো জানাযায়, তিনি ১ ডিসেম্বর ১০১২ থেকে জুন ২০১৫ পর্যন্ত প্রতিমাসে বেতন ভাতা তুলেছেন ১০হাজার ৪০০ টাকা। এছাড়া ১ জুলাই ২০১৫ থেকে এ পর্যন্ত তিনি প্রতিমাসে বেতনভাতা বাবদ উত্তোলন করছেন ১৭হাজার ৫০০ টাকা। এ হিসাবে শিক্ষক হেলাল উদ্দীন সরকারি কোষাগার থেকে সর্বমোট ৮ লক্ষ ৪৭ হাজার টাকা উত্তোলন করেছেন। এছাড়াও তিনি উৎসব ভাতা বাবদ ২০% হারে টাকা উত্তোলন করেছেন। কিন্তু শিক্ষক হেলাল উদ্দীনের আজ পর্যন্ত কোন বৈধ নিয়োগ দেয়া হয়নি। চাকুরিতে যোগদানের পর থেকে অদ্যাবধি তিনি অবৈধভাবে উত্তোলন করে আসছেন।

শিক্ষক হেলাল উদ্দীনের ব্যাপারে জানতে চাইলে জেলা সহকারি শিক্ষা অফিসার আলমগীর কবির জানান, আমিও পরস্পর লোকমুখে শুনেছি তার নিবন্ধনটি ভূয়া। শিক্ষক হেলাল উদ্দীনের একবারই নিয়োগ হয়েছে। আমাদের কাছে যদি কেউ সুস্পষ্ট লিখিত অভিযোগ করেন তাহলে আমরা তার ব্যাপারে খোঁজ-খবর নিয়ে দেখবো ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করবো।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..