× Banner
সর্বশেষ
ভ্যালু-বেইজড শিক্ষা, কমিউনিটি সম্পৃক্ততা ও নিরাপদ ডিজিটাল পরিবেশ-প্রাথমিক শিক্ষার নতুন অগ্রাধিকার -প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী প্রবাসীদের জন্য হয়রানীমুক্ত বিমান সেবা নিশ্চিতে আমরা বদ্ধ পরিকর -বিমান মন্ত্রী ২০২৭ সালের হজে বিমান ভাড়া কমলো ২৪ হাজার ৮৩০ টাকা লক্ষ্মীপুরে সড়ক সংস্কার কাজে দায়িত্বে অবহেলায় ৪ পৌর কর্মকর্তাকে শোকজ প্রবাসী কার্ডধারীদের জন্য ভূমিসেবা সহজ করার নির্দেশ ভূমিমন্ত্রীর  গৃহবধু লামিয়া আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলায় শ্বশুর ও দুই ননদ গ্রেফতার ফ্রান্স বাংলাদেশের নির্ভরযোগ্য ও বন্ধুত্বপূর্ণ উন্নয়ন সহযোগী ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ ও মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে ক্রীড়ার বিকল্প নেই  -যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আগৈলঝাড়ায় নতুন ইউএনও’র সঙ্গে প্রেসক্লাব সাংবাদিকদের মতবিনিময় পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের আরও দায়িত্বশীল ও সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে -এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক

ক্ষতিগ্রস্ত এক লাখ পরিবারকে চিহ্নিত করে সহায়তা দেয়া হবে – ত্রাণমন্ত্রী

ACP
হালনাগাদ: সোমবার, ৪ মে, ২০২৬
ক্ষতিগ্রস্ত এক লাখ পরিবারকে চিহ্নিত করে সহায়তা দেয়া হবে - ত্রাণমন্ত্রী

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বলেছেন, টানা বর্ষণে হাওড় অঞ্চল ও বিশেষ করে কয়েকটি জেলায় ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। প্রায় এক লাখ পরিবারকে আমরা চিহ্নিত করেছি কম-বেশি কোনো কোনো জেলায়। আগামী তিন মাস তাদেরকে আর্থিক সহায়তা এবং কিছু খাদ্য সহায়তা দেয়া হবে সেই অঞ্চলে।

সোমবার (৪ মে) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক সম্মেলনের পর ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন মন্ত্রী।

মন্ত্রী বলেন,

অতিরিক্ত বৃষ্টি এবং উজানের পানি আসার কারণে কোনো কোনো জেলায় দেখা যাচ্ছে যে, ৪০ ভাগ ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, ৬০ ভাগ ফসল পানির নিচে ডুবে গেছে। আমরা যেহেতু ডিজাস্টার নিয়ে কাজ করি, দুর্যোগ হলে আমরা সেখানে কাজ করতে যাচ্ছি। আমরা সেখানে একটি তালিকা তৈরি করার চেষ্টা করেছি, ছয়টি জেলায়। প্রায় এক লাখ পরিবারকে আমরা চিহ্নিত করেছি। আগামী তিন মাস তাদেরকে আর্থিক সহায়তা এবং কিছু খাদ্য সহায়তা দেয়া হবে।

ত্রাণমন্ত্রী বলেন, কৃষি পুনর্বাসনের জন্য কৃষি মন্ত্রণালয়কে নির্দেশনা দেওয়া হবে। আর পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ও এ ব্যাপারে কাজ করছে। ভবিষ্যতে এ যে বারবার হাওড় অঞ্চলে যে ক্ষতি হচ্ছে, এটি একটি গবেষণার বিষয়। সেই কার্যক্রমের অংশ হিসেবে আগামীকাল আমি, কৃষিমন্ত্রী, আমাদের অর্থ উপদেষ্টা এবং আমাদের প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি, আমরা চারজন যাব সুনামগঞ্জে।

বজ্রপাতের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন,

বজ্রপাতকে ডিজাস্টার হিসেবে ঘোষণা করা আছে এবং এ বছরও বজ্রপাতে অনেক মানুষ মারা গেছে। এখানে কৃষকরা যাতে ওই সময়ে, বিশেষ করে যারা ধান কাটার সময় মাঠে অবস্থান করে থাকেন, তাদের জন্য শেল্টার বানানো হবে। এটা আমরা আজকে জেলা প্রশাসকদের বলছি, ওনারা অ্যাসেসমেন্ট করবেন। হাওড় এবং উত্তর অঞ্চলে এটা ব্যাপকভাবে হয়। শেল্টার বানানো হবে এবং সেখানে টাওয়ার করে দেব যাতে বজ্রপাতের নিরোধ হয় এবং তারা ওই সময় আশ্রয় নিতে পারেন। সেখানে আমরা সাইরেন দিয়ে সব কৃষককে অ্যালার্ট করে দেব।

আসাদুল হাবিব দুলু বলেন,

 দুর্যোগ নিয়ে তিনটা স্তরে কাজ করা হয়ে থাকে। দুর্যোগ শুরু হওয়ার পূর্বকালীন সতর্কবাণী দেয়া হয়। প্রস্তুতির মধ্যে হচ্ছে যেসব আশ্রয়কেন্দ্র যেগুলো নির্মাণ করা হয়েছে, অথবা যেগুলো স্কুল-প্রতিষ্ঠানে আছে, সেখানে আশ্রয় নিতে বলা। দুর্যোগ চলাকালীন তাদের খাদ্য সামগ্রী দিয়ে সহায়তা করা। আবার দুর্যোগের পরে তাদের পুনর্বাসনের কাজ করা। তিনটা স্তরে কাজ করে থাকে মন্ত্রণালয়। এবারেও সে প্রস্তুতি আমাদের আছে।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..