ঝিনাইদহ প্রতিনিধি॥২১ নভেম্বর’২০১৭: গত বর্ষা মৌসুমে নিম্নচাপের কারণে সারাদেশের ন্যায় ঝিনাইদহ জেলার কালীগঞ্জেও অবিরাম বৃষ্টি হয়েছে। একটানা বৃষ্টি হওয়াতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে জেলার বেশ কয়েকটি সড়ক ও মহাসড়ক যেমন, ঝিনাইদহ-যশোর, ঝিনাইদহ-কুষ্টিয়া, ঝিনাইদহ- মাগুরা ও কালীগঞ্জ- চুয়াডাঙ্গা সড়ক একেবারেই চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে । তার উপর আবার রাস্তার উপর যন্ত্রতন্ত্র ভাবে অবৈধ গাড়ি পার্কিংয়ের কারনে প্রতিনিয়ত বাড়ছে সড়ক দূর্ঘটনা। অকালে ঝরে যাচ্ছে তরতাজা প্রাণ, আবার পঙ্গুত্ববরণ করছে এদের সংখ্যাও কম না।
জানাযায়, সড়ক মেরামত করতে নিম্নমানের পিচ আর পাথরের ব্যবহারের কারণে সড়ক-মহাসড়কের এ অবস্থা। এতে করে চরম ঝুঁকি নিয়েই লোকাল ও দূরপাল্লার যানবাহন চলাচল করছে। এ করনেই মহাসড়কে ঘটছে প্রান ঘাতি দুর্ঘটনা।
এ সব যানবাহনের চালকরা জানান, অনেক সময় গর্তের গভীরতা না বুঝতে পারার করনে বড় বড় গাড়ীগুলো চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।
বাস যাত্রীরা জানান, কালীগঞ্জ-কোটচাঁদপুর সড়কের ঈশ্বরবা রাস্তা, ঝিনাইদহ-যশোর সড়কের তেঁতুলতলা থেকে বিষযখালী, দোকানঘর থেকে কালীগঞ্জ শহর হয়ে বারোবাজার পর্যন্ত প্রায় ১৭ কিলোমিটার সড়ক চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে, ফলে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ চরম ঝুঁকি নিয়ে সড়ক-মহাসড়কেকে চলাচল করতে হচ্ছে।
ঝিনাইদহ সড়ক ও জনপদ বিভাগ সূত্রে জানাযায়, যাত্রীদের চলাচলের সুবিধার্থে তারা মাঝে মাধ্যে ইট দিয়ে গর্ত ভরাট করে চলাচল স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করছে। কিন্তু গত বর্ষার মৌসুমে ভারি বর্ষণের কারনে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে।
এখন দ্রুত দরকার এসব রাস্তার কাজ করা এবং আইন প্রয়োগ করে রাস্তার উপর অবৈধ গাড়ী পার্কিং বন্ধ করতে হবে তাছাড়া সড়ক দূর্ঘটনা কোন অবস্থাতেই রোধ করা সম্ভব হবে না। দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে অকালে ঝড়ে যাবে তরতাজা প্রাণ, ভাংবে একটি সংসারের হাজারো স্বপ্ন, মা বাবা হারাবে তাদের আদরের সন্তান, স্ত্রী হারাবে তার স্বামী, সন্তান হারাবে তার বাবা মা। পঙ্গুত্ববরণ করবে হাজারো মানুষ। এ ব্যাপারে এলাকাবাসী স্থানীয় জন প্রতিনিধি, কর্মরত সাংবাদিক, এলাকার সুধী সমাজপতি ও প্রশাসনের সু-দৃষ্টি কামনা করছেন।



