× Banner
সর্বশেষ
ভ্যালু-বেইজড শিক্ষা, কমিউনিটি সম্পৃক্ততা ও নিরাপদ ডিজিটাল পরিবেশ-প্রাথমিক শিক্ষার নতুন অগ্রাধিকার -প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী প্রবাসীদের জন্য হয়রানীমুক্ত বিমান সেবা নিশ্চিতে আমরা বদ্ধ পরিকর -বিমান মন্ত্রী ২০২৭ সালের হজে বিমান ভাড়া কমলো ২৪ হাজার ৮৩০ টাকা প্রবাসী কার্ডধারীদের জন্য ভূমিসেবা সহজ করার নির্দেশ ভূমিমন্ত্রীর  ফ্রান্স বাংলাদেশের নির্ভরযোগ্য ও বন্ধুত্বপূর্ণ উন্নয়ন সহযোগী ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ ও মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে ক্রীড়ার বিকল্প নেই  -যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের আরও দায়িত্বশীল ও সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে -এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী ছয় মাসের মধ্যে সারা দেশে বাধ্যতামূলক মামলাপূর্ব মধ্যস্থতা কার্যক্রম চালু করা হবে -আইনমন্ত্রী ঠাকুরগাঁও থেকে বাধ্যতামূলক মামলাপূর্ব মধ্যস্থতা কার্যক্রমের উদ্বোধন করলেন আইনমন্ত্রী সোশ্যাল মিডিয়ায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স নিয়ে ভুয়া প্রচার বিষয়ে সতর্ক থাকার অনুরোধ

ঐতিহ্যবাহী শেরেবাংলার চাখার ইউনিয়ন নদীভাঙনের কবলে

admin
হালনাগাদ: মঙ্গলবার, ২৪ মে, ২০১৬

মোঃ আবুল হোসেনঃ বরিশাল জেলার বানারীপাড়া উপজেলার শেরেবাংলার পৈতৃক ভিটা ঐতিহ্যবাহী চাখার ইউনিয়ন স্বাধীনাতর পর থেকেই নদী ভাঙনের কবলে পড়েছে।

এই ইউনিয়নের বড় চাউলাকাঠী গ্রাম (কালিরবাজার) এলাকা ও বাকপুর ইউনিয়নের খোদাবকশা নামক স্থান থেকে মাইলের পর মাইল ফসলি জমি, বাড়িঘর, সরকারি প্রাইমারি স্কুল, মাধ্যমিক বিদ্যালয়, মাদ্রাসা, অনেক মসজিদ ও মন্দির ভেঙে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।

নদী ভাঙনের চিত্র (কালিরবাজার দক্ষিণ ও খোদাবকশা সীমানা)। চাখার ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড ও ২নং ওয়ার্ড (বড় চাউলাকাঠী গ্রাম) নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে ক্রমান্বয়ে।

স্বাধীনতার পর থেকে এ অবধি যে সরকারই ক্ষমতায় এসেছে তাদের এমপি ও মন্ত্রীরা নদী ভাঙন রোধে কার্যকরি কোনো পদক্ষেপ নেয়নি এই এলাকার মানুষের দুঃখ-দুর্দশা লাঘবের জন্য। এই এলাকার মানুষ নিরুপায় হয়ে অন্যত্র চলে যেতে বাধ্য হয়েছেন।

আলোকচিত্রে : চাখারের রাস্তা (বড় চাউলাকাঠী গ্রাম) নদী ভাঙনের একটি চিত্র। চাখার গ্রামের পশ্চিম চাখার থেকে নদী পর্যন্ত এখন দূরত্ব হবে এক কিলোমিটারের মতো। নদী ভাঙন রোধে কার্যকরি কোনো পদক্ষেপ না নিলে শেরেবাংলার পৈতৃক ভিটার ঐতিহ্য অচিরেই হারিয়ে যাবে।

১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর শেরেবাংলার পুত্র এ.কে ফায়জুল হক পাট প্রতিমন্ত্রী থাকা অবস্থায় এলাকায় একবার গুঞ্জন শোনা গিয়েছিল নদী ভাঙন রোধে অনেক টাকা সরকার বরাদ্দ দিয়েছে। কিন্তু সেই গুঞ্জন, গুঞ্জনই রয়ে গেছে। নদী ভাঙন রোধে এ এলাকার মানুষ আজ অবধি কোনো আলোর মুখ দেখেনি।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..