× Banner
সর্বশেষ
রাজনৈতিক বিভেদের ঊর্ধ্বে থেকে আইনজীবীদের কল্যাণে কাজ করতে হবে – আইনমন্ত্রী মাহ্দী আমিনের সাথে জ্যঁ পেম-এর সাক্ষাৎ বাংলাদেশে মানসম্পন্ন উন্নত আধুনিক চিকিৎসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে হবে – সমাজকল্যাণ মন্ত্রী যৌতুকের দাবিতে নির্যাতনে গৃহবধূর মৃত্যু; শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা পলাতক জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক রূপান্তরের প্রধান কারিগর যাদু মিয়া – তথ্যমন্ত্রী বিনা চিকিৎসায় কোনো নাগরিক মারা যাবে না – স্বাস্থ্যমন্ত্রী মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রীর সাথে বাংলাদেশে নিযুক্ত ডব্লিউএফপি’র কান্ট্রি ডিরেক্টরের সাক্ষাৎ পাইকগাছায় ঘরের তালা ভেঙে আরএফএল কর্মকর্তার লাশ উদ্ধার, বাইকসহ চম্পট রুমমেট নির্মাণ কাজের গুণগত মানে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া যাবে না – নৌ প্রতিমন্ত্রী ৩ দফা দাবিতে মোবারকগঞ্জ সুগার মিলসে ৫ দিনের আন্দোলন, বিক্ষোভ মিছিল ও কর্মবিরতি পালন

এসএসসি পরীক্ষার্থীদের কাছে বিদায় অনুষ্ঠানের নামে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ

admin
হালনাগাদ: রবিবার, ৩১ জানুয়ারী, ২০১৬

আব্দুল আউয়াল, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি : রং বে-রঙের বেলুন ও বিভিন্ন রঙের কাগজ দিয়ে মঞ্জ সাজানো, ডিজিটাল সাউন্ড বক্সে ডিজে-রিমিক্স গান, প্রাইভেট শিক্ষকদের কথা শুনে এসব করতে শিক্ষার্থীরা অভিভাবকদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে তুলে দিচ্ছেন কোটিং সেন্টার বা প্রাইভেট সেন্টারের শিক্ষকদের হাতে।

তা দিয়ে কোচিং সেন্টার বা প্রাইভেট সেন্টারের শিক্ষকরা কিনছেন দামী দামী উপহার ও করছেন জমকালো অনুষ্ঠান। আসলে এটি কোন একটি প্রাইভেট বা কোচিং সেন্টারের এসএসসি শিক্ষার্থীদের বিদায়ী অনুষ্ঠান ও জেএসসি শিক্ষার্থীদের নবীন বরন অনুষ্ঠান।

সাধারনত প্রতি বছর বিভিন্ন বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায়ী অনুষ্ঠান ও জেএসসি শিক্ষার্থীদের নবীন বরণ অনুষ্ঠান করা হচ্ছে। আসন্ন এসএসসি পরীক্ষা সামনে রেখে ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ শহরের বিভিন্ন কোচিং ও প্রাইভেট সেন্টার গুলোতে এভাবেই অনেকটা জাকমজপূর্ণভাবে আয়োজন করা হচ্ছে বিদায় অনুষ্ঠানের।

তবে অভিযোগ উঠেছে, শিক্ষার্থীদের কাছে চাঁদা তুলেই এই জাকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করছে কোচিং বা প্রাইভেট সেন্টারের পরিচালকরা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী জানায়, আমাদের প্রাইভেটে ৯০ জন এসএসসি পরীক্ষার্থী রয়েছে।

আমাদের বিদায় অনুষ্ঠানের জন্য জন প্রতি ২শ টাকা চাঁদা দিয়ে বিদায় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। শুধু বিদায় শিক্ষার্থীরাই না এ প্রাইভেটে ৬ষ্ঠ থেকে ১০ম শ্রেণী পর্যন্ত ২৫০ পড়ানো হয়।

অন্যান্য শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের কাছেও বিভিন্ন হারে টাকা করে নেওয়া হয়েছে। এসএসসি পরীক্ষার্থীদের কাছেও বিভিন্ন হারে টাকা করে নেওয়া হয়েছে। এসএসসি পরীক্ষার্থী ফাহিম জানায়, সে তিনটি কোচিং সেন্টারে পড়তো। তার এ সব বিদায় অনুষ্ঠানে ৬শ টাকা শিক্ষকদের সন্তুষ্ট করার জন্যই দিতে হয়েছে।

নাম প্রকাশনা করা শর্তে এক অভিভাবক জানায়, আমার এক ছেলে ও এক মেয়েকে বিদায় অনুষ্ঠান করতে চাঁদা দিতে হয়েছে ১ হাজার ২শ টাকা। তিনি বলেন, কোচিং ও প্রাইভেট সেন্টার গুলোতে বিদায় অনুষ্ঠানে অতিথি হয়ে আসছেন বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান ও সহকারি শিক্ষকরা। যেন পরবর্তীতে ঐসব স্কুল থেকে কোচিং সেন্টারে শিক্ষার্থী ভর্তি হয়। এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবিএম ইফতেখারুল ইসলাম খন্দকার জানান, স্কুলের বাইরে কোচিং ও প্রাইভেট সেন্টার আইনে বৈধ নয়।

কিন্তু তার পরেও যদি এ ধরনের অনুষ্ঠানের নামে চাঁদা তোলার অভিযোগ পাওয়া যায় তাহলে ঐ সব কোচিং ও প্রাইভেট সেন্টারের কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে বিধিগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এভাবে গরীব অসহায় মানুষ দিনে দিনে শিক্ষা থেকে পিছিয়ে যাচ্ছে। শিক্ষা হল জ্ঞানের আলো। চাঁদাবাজি না।

আব্দুল আউয়াল
তারিখ ঃ ৩১/০১/২০১৬ ইং।
০১৭১৩৭২৩৭৭৩


এ ক্যটাগরির আরো খবর..