এসএমই খাতে উদ্যোক্তার সংখ্যা বাড়লেও বাড়েনি ব্যবসার পরিসর

অর্থনৈতিক ডেস্কঃ শুধু কর্মসংস্থান সৃষ্টি নয়, পণ্য বহুমুখীকরণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পখাত। তবে নীতি নির্ধারকদের দূরদর্শী সিদ্ধান্তের অভাবে স্বাধীনতার পর থেকে এসএমই খাতের উদ্যোক্তার সংখ্যা বাড়লেও বাড়েনি তাদের ব্যবসার পরিসর।

এমনটা উল্লেখ করে, মেধা ভিত্তিক উদ্যোগকে যথার্থ মূল্যায়নের পরামর্শ সংশ্লিষ্টদের। তবে কয়েক বছর ধরে ব্যাংক থেকে এসএমই খাতে বাধ্যতামূলক ঋণ সরবরাহের নীতিকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

দ্যা অ্যাপারেলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হাসান মাহবুব জানান, ৫ বছর আগে তিন লাখ টাকা নিয়ে ব্যবসা শুরু করে ব্যবসার আকার এখন ৫০ লাখ টাকা।

এমন ছোট ছোট সফলতার মধ্য দিয়েই অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী হচ্ছে ৪৪ বছর আগের বাংলাদেশ। পরিসংখ্যান বলছে, দেশের মোট জিডিপিতে ৩০ শতাংশ অবদান রাখা শিল্প খাতের ৯০ শতাংশের বেশি আসে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প থেকে। যেখানে কাজ করছে ৭০ লাখের বেশি উদ্যোক্তা।

তবে সংশ্লিষ্টদের দাবি, এসএমইকে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ ভেবে যথার্থ পৃষ্ঠপোষকতা না করায় প্রত্যাশা মত উন্নতি হয়নি এ খাতের।

তবে নীতি নির্ধারকরা বলছেন, উদ্যোক্তাদের সহযোগিতা করতে মাঝে মধ্যে ছোট-বড় যেসব কার্যক্রমের আয়োজন করা হয়, অজ্ঞতার কারণেই সেখান থেকে সুবিধা নিতে পারে না বেশিরভাগ এসএমই উদ্যোক্তা।

এছাড়া লক্ষ্য পূরণে অর্থনৈতিক কার্যক্রমে সবার অংশগ্রহণকে গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে বলে জানালেন বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান অর্থনীতিবিদ বিরুপাক্ষ পাল।

এসএমই শিল্পের সুরক্ষা ও প্রসারে নতুন নতুন খাত ও উদ্যোক্তার সঠিক তথ্যসহ ডাটাবেস তৈরিরও তাগিদ দিলেন এই খাতের সাথে জড়িতরা।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp
admin
সংবাদ প্রতিনিধি

admin

এই প্রতিবেদকের আরও সংবাদ পড়তে নামের উপর ক্লিক করুন।

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।