× Banner
সর্বশেষ
রাজনৈতিক বিভেদের ঊর্ধ্বে থেকে আইনজীবীদের কল্যাণে কাজ করতে হবে – আইনমন্ত্রী মাহ্দী আমিনের সাথে জ্যঁ পেম-এর সাক্ষাৎ বাংলাদেশে মানসম্পন্ন উন্নত আধুনিক চিকিৎসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে হবে – সমাজকল্যাণ মন্ত্রী যৌতুকের দাবিতে নির্যাতনে গৃহবধূর মৃত্যু; শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা পলাতক জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক রূপান্তরের প্রধান কারিগর যাদু মিয়া – তথ্যমন্ত্রী বিনা চিকিৎসায় কোনো নাগরিক মারা যাবে না – স্বাস্থ্যমন্ত্রী মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রীর সাথে বাংলাদেশে নিযুক্ত ডব্লিউএফপি’র কান্ট্রি ডিরেক্টরের সাক্ষাৎ পাইকগাছায় ঘরের তালা ভেঙে আরএফএল কর্মকর্তার লাশ উদ্ধার, বাইকসহ চম্পট রুমমেট নির্মাণ কাজের গুণগত মানে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া যাবে না – নৌ প্রতিমন্ত্রী ৩ দফা দাবিতে মোবারকগঞ্জ সুগার মিলসে ৫ দিনের আন্দোলন, বিক্ষোভ মিছিল ও কর্মবিরতি পালন

এক বছর পূর্ণ হলো খালেদা জিয়ার কারাবাস

admin
হালনাগাদ: শুক্রবার, ৮ ফেব্রুয়ারী, ২০১৯

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার কারাবাসের এক বছর পূর্ণ হলো আজ। ২০১৮ সালের এই দিনে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়ার পাঁচ বছরের কারাদণ্ড হওয়ায় নিম্ন আদালতের নির্দেশে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। সেই থেকে তিনি পুরান ঢাকার নাজিমউদ্দিন রোডে সাবেক কেন্দ্রীয় কারাগারে আছেন।

তবে খালেদা জিয়া খালাস চেয়ে এ সাজার বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করেন। অপরদিকে রাষ্ট্রপক্ষ খালেদার সাজা বৃদ্ধি চেয়ে আবেদন করেন। ৩০ অক্টোবর এ মামলায় খালেদা জিয়ার সাজা ৫ বছর বাড়িয়ে ১০ বছরের আদেশ দেন বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের বেঞ্চ।

এদিকে গত ২৯ অক্টোবর জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে ৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডাদেশ দেন আদালত। নাজিমউদ্দিন রোডের পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে অবস্থিত ঢাকার ৫ নম্বর অস্থায়ী বিশেষ জজ ড. মো. আখতারুজ্জামান এ রায় ঘোষণা করেন। রায়ে ৭ বছরের কারাদণ্ড ছাড়াও খালেদা জিয়াকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা কার হয়। জরিমানা অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদণ্ডাদেশ দেন আদালত।

এ বিষয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বৃহস্পতিবার ঢাকায় এক আলোচনা সভায় বলেছেন, খালেদা জিয়ার শারীরীক অবস্থা ভালো না। তিনি একেবারেই হাটতে পারেন না। দুই হাতেই ব্যথা। শরীরের অবস্থা আগের চেয়ে অনেক খারাপ। সরকার যে ফরমুলা করেছে এখান থেকে মুক্ত হওয়া সম্ভব না। তার মুক্তি সরকারের সদিচ্ছার উপর নির্ভর করছে।

১৯৮২ সালের ৩ জানুয়ারি রাজনীতিতে যোগ দেয়ার পর তিনি মোট চারবার গ্রেফতার হন। এরশাদবিরোধী আন্দোলনের সময় ১৯৮৩ সালের ২৮ নভেম্বর, ১৯৮৪ সালের ৩ মে, ১৯৮৭ সালের ১১ নভেম্বর তিনি গ্রেফতার হন। তবে তখন তাকে বেশি দিন বন্দী থাকতে হয়নি। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে ২০০৭ সালের ৩ সেপ্টেম্বর দুর্নীতির মামলায় গ্রেফতার হয়ে জাতীয় সংসদ ভবন এলাকার স্থাপিত বিশেষ সাব জেলে এক বছরেরও (৩৭২ দিন) বেশি সময় বন্দী ছিলেন তিনি।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..