× Banner
সর্বশেষ
দুই দিনের সরকারি সফরে ঢাকায় সৌদি উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী ঢাকাসহ ১৩ অঞ্চলে ঝড়ো হাওয়া ও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত নেপালে ধর্মীয় উত্তেজনা: সামাজিক মাধ্যমে ছড়ানো দাবিগুলোর বাস্তবতা আজ ১৮ শ্রাবণ মঙ্গলবারের রাশিফল ও গ্রহদোষ প্রতিকারের উপায় আজ ৪ আগস্ট মঙ্গলবারের পঞ্জিকা ও ইতিহাসের এইদিনে কোটালীপাড়ায় শিক্ষার্থীদের মাঝে সাবেক ভিপি ফায়েকুজ্জামানের ফুটবল বিতরণ দানকৃত সম্পত্তি আজীবন ভোগের অধিকার থাকবে দাতার, আইনের সংশোধনী খসড়ায় অনুমোদন বাংলাদেশ-কোরিয়ার অর্থনৈতিক সম্পর্ক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে – বাণিজ্যমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দক্ষিণ কোরিয়ার বাণিজ্যমন্ত্রীর সাক্ষাৎ রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পুলিশের ভূমিকার প্রশংসা করল আইসিআরসি

ইন্ডিপেন্ডেন্ট বন্ধ, বেঁচে থাকলো অনলাইনে

admin
হালনাগাদ: রবিবার, ২৭ মার্চ, ২০১৬

বন্ধ হয়ে গেলো যুক্তরাজ্যের প্রখ্যাত দি ইন্ডিপেন্ডেন্টের ছাপার সংস্করণ। আজই ছাপা হলো ছাপার সংস্করণের সর্বশেষ কপি। আজকের পর থেকে পত্রিকাটিকে শুধু অনলাইনেই দেখতে পাওয়া যাবে।

জানা গেছে, প্রিন্ট এডিশনের লোকসান কুলিয়ে উঠতে পারছিলো না মালিক পক্ষ। পক্ষান্তরে দিনে দিনে লাভবান হয়ে উঠছে এর অনলাইন সংস্করণ। তাই ছাপার সংস্করণের অন্ধকার ভবিষ্যতের কথা ভেবেই চূড়ান্তভাবে অনলাইনে ঝুঁকে পড়ার সিদ্ধান্ত নেয় ইন্ডিপেন্ডেন্টের মালিক পক্ষ।

শেষ সংস্করণের কপিতে পত্রিকাটি মোড়ানো ছিলো একটি আলাদা পৃষ্ঠায় সেখানে শুধু লেখা ছিলো ‘স্টপ প্রেস’।

শেষ সংস্করণে রয়েছে সৌদি আরবের বাদশাকে হত্যার ষড়যন্ত্রের সঙ্গে ব্রিটিশ কানেকশনের গল্প। এছাড়া রয়েছে ব্রাসেলসে একটি ট্রেনে সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান চালানোর সময় ট্রেন ফাঁকা করার দৃশ্য।

ছাপা বন্ধ করে শুধুমাত্র অনলাইনে যাওয়া প্রসঙ্গে পত্রিকার চূড়ান্ত সম্পাদকীয়তে এই পদক্ষেপকে সাহসী হিসেবে অভিহিত করা হয়।

দাবি করা হয়, ‘একদিন ইতিহাস তাদের এই পদক্ষেপকে বিবেচনা করবে যখন সারা বিশ্বের অন্যান্য পত্রিকাগুলোও এই পদক্ষেপ অনুসরণ করবে।

অ্যান্ড্রেস হুইটাম স্মিথের নেতৃত্বে এক ঝাঁক সাংবাদিক ১৯৮৬ সালে বের করে আধুনিক ধারার এই পত্রিকাটি। বের হওয়ার অল্প দিনের মধ্যেই জনপ্রিয়তার তুঙ্গে পৌঁছায় ইন্ডিপেন্ডেন্ট। ১৯৮৮ সালে এর সার্কুলেশন দাঁড়ায় ৪ লাখে। এছাড়া জনপ্রিয়তা লাভ করে এর রোববারের সংস্করণটিও। যা চালু হয় ১৯৯০ সালে। স্টিফেন গ্লোভার ছিলেন এর সম্পাদক। ইন্ডিপেন্ডেন্ট সানডের সর্বশেষ প্রিন্ট সংস্করণ বের হয়েছিলো আগের রোববারই।

গত ফেব্রুয়ারিতেই প্রিন্ট এডিশন বন্ধের ঘোষণা দেয় ইন্ডিপেন্ডেন্টের মালিক পক্ষ ইএসআই মিডিয়া। জানায় ছাপা কাগজ বন্ধ হলেও আরও গতিশীল করা হবে এর অনলাইন সংস্করণ। ইতোমধ্যেই তারা এজন্য ২৫টি নতুন পদ তৈরি করেছেন।

চূড়ান্ত সংস্করণে প্রকাশিত এক খোলা চিঠিতে প্রকাশক ইভজেনি লেবেডেভে পাঠকদের সামনে প্রিন্ট এডিশন বন্ধ করার কারণ তুলে ধরেন। তিনি বলেন, সাংবাদিকতায় এখন পরিবর্তন এসেছে। তাই পত্রিকাকেও অবশ্যই বদলাতে হবে।

এছাড়া চূড়ান্ত সংস্করণে পত্রিকাটির সম্পর্কে বিভিন্ন ব্রিটিশ ব্যক্তিত্বের প্রশংসাসূচক মন্তব্য ছাপা হয়। স্বনামধন্য ব্রিটিশ পত্রিকা ডেইলি টেলিগ্রামের এসোসিয়েট এডিটর জেরেমি ওয়ার্নার ইন্ডিপেন্ডেন্টের প্রিন্ট এডিশনের সর্ব প্রথম সংস্করণ ও চূড়ান্ত সংস্করণ পাশাপাশি রেখে তোলা একটি ছবি টুইট করেন। একই সঙ্গে ত্রিশ বছর ধরে মেধাবী সাংবাদিকতার চর্চার জন্য পত্রিকাটির প্রশংসা করেন তিনি।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..