× Banner
সর্বশেষ
ভোলায় ৫ম শ্রেণির ছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ-ভিডিও ধারণ, তিন কিশোর গ্রেপ্তার টানা ৫ দিন অনশনের পর বিয়ে, তিন মাস পর মিলল মোনিয়ার ঝুলন্ত লাশ শ্যামনগরে ৫ আগস্ট জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে সমাবেশ ও গণমিছিল জাল দলিলের অভিযোগ-কোটালীপাড়ায় দুই দলিল লেখক সাময়িক বহিস্কার জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকীতে বেনাপোলে বিএনপির আনন্দ র‌্যালি ও সমাবেশ ডাসারে পানিতে ডুবে বৃদ্ধের মৃত্যু গণঅভ্যুত্থানের দুই বছর পুর্তি উপলক্ষে ঝিনাইদহে ১১ দলীয় ঐক্য জোটের গণসমাবেশ শ্যামনগরে ফাইটার ক্যারাতে ক্লাবের বেল্ট প্রদান অনুষ্ঠান নিউটনের আপেলের মতো গণ-অভ্যুত্থান অটোমেটিক পড়েনি – স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ৫ আগস্ট যেভাবে হয়ে উঠল ‘৩৬ জুলাই’

ইতালিতে করোনা আতঙ্কে বন্ধ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, কর্মহীন লক্ষাধিক বাংলাদেশী

Ovi Pandey
হালনাগাদ: বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২০

দি নিউজ ডেস্কঃ করোনাভাইরাসের কারনে ইতালিতে বন্ধ হচ্ছে সকল ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো। এর ফলে ইতালিতে কর্মহীন হয়ে পরেছে লক্ষাধিক বাংলাদেশী জনগন।

করোনাভাইরাসের কারণে মিলান শহরের বড় বড় শপিং মল, রেস্টুরেন্ট এরই মধ্যে বন্ধ ঘোষণা করেছে দেশটির সরকার। কিন্তু এভাবে কতদিন রেস্টুরেন্ট বন্ধ থাকবে তা জানে না কেউ। করোনাভাইরাস আতঙ্কে  ব্যবসায় ধস নেমেছে সেখানে। এদিকে স্কুল কলেজও বন্ধ ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ। আতঙ্কের মধ্যে পরিবার নিয়ে দেশে ফিরতে চাইছেন অনেকেই।

বিভিন্ন দেশ থেকে ইতালি যাওয়া পর্যটকদের কাছে ইতালিয়ান খাবার বেশ জনপ্রিয়। ফলে পর্যটন এলাকাগুলোতে গড়ে উঠেছে অসংখ্য রেস্টুরেন্ট। ইতালিয়ান খাবারের পর সবচেয়ে জনপ্রিয় জাপানি খাবার ’শুশি’। ইতালিতে শুশির জন্য যেসব রেস্টুরেন্ট বিখ্যাত, তার ৯৯ শতাংশই আবার চীনা মালিকানাধীন। চীনে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই এসব রেস্টুরেন্টে যাওয়া বন্ধ করেছিলেন পর্যটকরা। গত কয়েক দিন ধরে ইতালিয়ান রেস্টুরেন্টেও কেউ আর খেতে যাচ্ছেন না। ফলে এসব রেস্টুরেন্টে কাজ করা বাংলাদেশীরা এখন কর্মহীন।

চীনে করোনাভাইরাস সংক্রমণ শুরুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই ইতালির বিভিন্ন স্থানে থাকা চাইনিজ মালিকানাধীন বার ও রেস্টুরেন্টগুলো এড়িয়ে চলতে শুরু করেন ভোক্তারা। ফলে দেশটিতে রেস্টুরেন্ট ব্যবসা প্রায় বন্ধ। জানা গেছে, বর্তমানে ইতালিতে ২ লাখ ৬০ হাজার প্রবাসী বাংলাদেশী রয়েছেন। এর মধ্যে ৭৫ হাজার রয়েছেন অবৈধভাবে। অবৈধভাবে যারা আছেন তারা প্রায় প্রত্যেকেই পর্যটনসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ব্যবসার (ভ্রাম্যমাণ) সঙ্গে জড়িত।

অল্প পুঁজিতে লাভ বেশি হওয়ায় বৈধভাবে থাকা অনেক বাংলাদেশীও সেখানকার পর্যটক অঞ্চলগুলোয় হকারি করেন। সব মিলিয়ে কমপক্ষে দেড় লাখ বাংলাদেশী ইতালিতে ভ্রাম্যমাণ ব্যবসা করেন। কিন্তু করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার পর পর্যটকরা যেমন আসছেন না, তেমনই ইতালিয়ানরাও প্রয়োজন ছাড়া বাড়ির বাইরে বের হচ্ছেন না। ফলে হঠাৎ করেই কর্মহীন হয়ে পড়েছেন ভ্রাম্যমাণ ব্যবসা করা অন্তত এক লাখ বাংলাদেশী।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..