× Banner
সর্বশেষ
কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে এনসিপির বিক্ষোভ মিছিলে হামলার অভিযোগ, আহত বেশ কয়েকজন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রয়োগে জনপ্রশাসন হবে অধিকতর জনবান্ধব – জনপ্রশাসন উপদেষ্টা স্বাস্থ্য খাতকে আরও শক্তিশালী করতে চিকিৎসকদের সহযোগিতা অপরিহার্য – স্থানীয় সরকার মন্ত্রী সুদের টাকার জন্য বিধবার গাভী নিয়ে গেলেন দাদন ব্যবসায়ী যাত্রীসহ স্টেশনে ট্রেন রেখে চালক উধাও, ফিরলেন ১ ঘণ্টা পর এনসিপি নতুন বন্দোবস্ত বাস্তবায়নের নামে ভন্ডের রাজনীতি কায়েম করছে – রাশেদ খাঁন ঝিনাইদহের পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গাছের চারা বিতরণ ঝিকরগাছা সরকারি এম.এল. মডেল হাইস্কুলে অনলাইনে ফলাফল প্রকাশ ছাত্রীদের মাঝে শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের স্যানিটারী ন্যাপকিন বিতরণ জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৬ ফাইনালে কালীগঞ্জ পৌরসভা দল চ্যাম্পিয়ন

ইউরোপে শরণার্থী স্রোতে বাংলাদেশীদের ভবিষ্যত

admin
হালনাগাদ: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৫

ইউরোপে শরণার্থী স্রোতে বাংলাদেশীদের ভবিষ্যত বুধবার ৯ সেপ্টেম্বর ২০১৫ঃগত কিছুদিন ধরে শরণার্থীর স্রোত এখনো অব্যাহত রয়েছে ইউরোপ জুড়ে।

রেকর্ড সংখ্যক শরণার্থীর ঠাঁই হয়েছে জার্মানিতে। মূলত সিরিয়া ও লিবিয়া থেকে এসেছেন এসব শরণার্থীরা যাদেরকে রাজনৈতিক আশ্রয় দেবার বন্দোবস্ত করতে যাচ্ছে দেশটি। কিন্তু এরই মধ্যে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবর থেকে জানা যাচ্ছে, শরণার্থীদের এই মিছিলে প্রচুর বাংলাদেশীও রয়েছে।

যুদ্ধপীড়িত হবার কারণে সিরিয়া ও লিবিয়া থেকে আসাশরণার্থীদের রাজনৈতিক আশ্রয় দেবার কথা বলছে জার্মানি। কিন্তু বাংলাদেশ কোনও যুদ্ধপীড়িত রাষ্ট্র নয়। ধারণা করা হচ্ছে মূলত উন্নত জীবনের আশায় লিবিয়ায় হয়ে এই সব বাংলাদেশী ইউরোপে প্রবেশ করেছে।

শরণার্থীদের মিছিলে যে সমস্ত বাংলাদেশী রয়েছে, সেখানে এদের ভবিষ্যৎ প্রসঙ্গে জার্মান প্রবাসী বাংলাদেশী লেখিকা ও  সাংবাদিক নাজমুন্নেসা পিয়ারী বলছেন, শরণার্থী আইনের আওতায় যারা জার্মানিতে আসে, তাদের দেশটি আশ্রয় দিয়ে থাকে। তিনি বলছেন, জার্মানিতে অনেক কাজ রয়েছে, যা স্থানীয়রা করতে চাননা। সেসব ছোটখাটো কাজগুলো শরণার্থীরা কাজ করে থাকেন।

নাজমুন্নেসা পিয়ারী বলছিলেন, যারা শরণার্থী হিসাবে আশ্রয়ের  আবেদন করবেন, তাদের বিষয়ে শুনানি শেষ না হওয়া পর্যন্ত তারা এখানে বসবাস করতে পারেন। ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতায় তিনি দেখেছেন, এভাবে অনেকেই পরে দীর্ঘদিন ধরে জার্মানিতে বসবাস করছেন। তিনি বলছেন, অনেকেই এর আগে বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে শরণার্থী হিসাবে আবেদন করে জার্মানিতে আশ্রয় পেয়েছেন। এখন যারা আসছে, তারাও একই ভাবে আবেদন করতে পারবেন। কিন্তু বাংলাদেশে যেহেতু সিরিয়া বা লিবিয়ার মতো রাজনৈতিক অস্থিরতা নেই, তাই তাদের আবেদনের বিষয়েও শুনানি হবে। তবে তাদের আবেদন প্রত্যাখ্যাত হলে, তাদের দেশে ফেরত পাঠিয়ে দেয়া হতে পারে বলে তিনি জানান।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..