আবহাওয়ার বিশেষ প্রতিবেদন

উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন পশ্চিমমধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’ আজ সকাল ১০টায় ভারতের উড়িষ্যা উপকূল অতিক্রম করেছে। উপকূল অতিক্রমের সময় ঘূর্ণিঝড় ১৮০ কিলোমিটার বেগে আঘাত করেছে।

বর্তমানে ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’ মোংলা সমুদ্র বন্দর থেকে ৫২০ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থান করছে। সামুদ্রিক ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’র কারণে মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরসমূহকে ৭ (সাত) নম্বর (পুনঃ ৭) নম্বর বিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। উপকূলীয় জেলা ভোলা, বরগুনা, পটুয়াখালী, বরিশাল, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা এবং অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহ ৭ নম্বর বিপদ সংকেত (পুনঃ ৭ নম্বর বিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে)।

চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দরকে ৬ (ছয়) নম্বর (পুনঃ ৬) নম্বর বিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। উপকূলীয় জেলা চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, চাঁদপুর এবং অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহ ৬ নম্বর বিপদ সংকেত (পুনঃ ৬ নম্বর বিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে)।

কক্সবাজার সমুদ্র বন্দরকে ৪ (চার) নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত (পুনঃ ৪ চার নম্বর) স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

ঘূর্ণিঝড় এবং অমাবস্যার প্রভাবে উপকূলীয় জেলা চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, চাঁদপুর, বরগুনা, ভোলা, পটুয়াখালী, বরিশাল, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহের নিম্নাঞ্চল স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ৪-৫ ফুট অধিক উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে।

উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত সকল মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়েছে। উপকূলীয় জেলাসমূহের অধিবাসীদের আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নেয়ার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। শেষ তথ্য পাওয়া পর্যন্ত উপকূলীয় জেলাসমূহ থেকে প্রায় ৪ (চার) লাখ লোককে ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নেয়া হয়েছে।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp
Kishori
লেখক / প্রতিবেদক

Kishori

এই প্রতিবেদকের আরও সংবাদ পড়তে নামের উপর ক্লিক করুন।

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।