× Banner
সর্বশেষ
শ্যামনগরে প্রতিবন্ধী,দুস্থ ও অসহায় ব্যক্তিদের মাঝে দুই লক্ষাধিক টাকার চেক বিতরণ শিল্প মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খানের ৪২তম শাহাদৎবার্ষিকী অনুষ্ঠিত তনু হত্যা মামলায় সাবেক সেনাসদস্য হাফিজুরের জামিন বাতিল, আত্মসমর্পণের নির্দেশ লিবিয়ায় মাফিয়ার নির্যাতনে মাদারীপুরের যুবকের মৃত্যু পাইকগাছায় ছাত্র ও দরিদ্র মানুষের মাঝে সাইকেল, সেলাই মেশিন ও ভ্যান বিতরণ মার্কিন প্রশান্ত মহাসাগরীয় নৌবহর কমান্ডারের বাংলাদেশ সফর শেষ ভারতীয় হাইক‌মিশনা‌রের স‌ঙ্গে আইএবিডির প্রতি‌নি‌ধিদ‌লের সাক্ষাৎ গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটের জবাব চেয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি ১১ দলের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কা‌ছে ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধির পরিচয়পত্র পেশ

ডেস্ক

আজ জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস: ‘উন্নত পল্লী, সমৃদ্ধ দেশ—সবার আগে বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যে উদযাপন

Kishori
হালনাগাদ: সোমবার, ৬ জুলাই, ২০২৬
জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস

আজ ৬ জুলাই জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস। দেশের গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করা, দারিদ্র্য বিমোচন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং টেকসই পল্লী উন্নয়নে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিবসটি উদযাপিত হচ্ছে।

এবারের দিবসের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে— “উন্নত পল্লী, সমৃদ্ধ দেশ—সবার আগে বাংলাদেশ”। এ প্রতিপাদ্যের আলোকে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আলোচনা সভা, সেমিনার, র‌্যালি, প্রশিক্ষণ কর্মসূচি ও উন্নয়ন কার্যক্রমের প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে।

দিবসটি উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী রোববার (৫ জুলাই) ১০ টাকা মূল্যমানের একটি স্মারক ডাকটিকিট, একটি উদ্বোধনী খাম এবং ৫ টাকা মূল্যমানের একটি ডাটাকার্ড অবমুক্ত করেন। এ সময় তিনি গ্রামীণ উন্নয়নকে জাতীয় অগ্রগতির অন্যতম ভিত্তি হিসেবে উল্লেখ করেন।

বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ এখনও গ্রামীণ এলাকায় বসবাস করেন। কৃষি, মৎস্য, প্রাণিসম্পদ, ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প এবং গ্রামীণ উদ্যোক্তাদের কার্যক্রম দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। ফলে টেকসই জাতীয় উন্নয়ন নিশ্চিত করতে পল্লী উন্নয়নকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন, আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির সম্প্রসারণ, নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশন, ডিজিটাল সেবার বিস্তার, নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন, দক্ষতা উন্নয়ন এবং ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা তৈরির উদ্যোগ পল্লী অর্থনীতিকে আরও গতিশীল করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। একই সঙ্গে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করাও টেকসই উন্নয়নের জন্য অপরিহার্য।

পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় এবং এর আওতাধীন বিভিন্ন সংস্থা দীর্ঘদিন ধরে গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন, আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি, সমবায়ভিত্তিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণ এবং দারিদ্র্য হ্রাসে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে আসছে। এসব উদ্যোগের মাধ্যমে গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে গ্রাম ও শহরের বৈষম্য কমিয়ে সমন্বিত উন্নয়ন নিশ্চিত করার বিকল্প নেই। শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, যোগাযোগ, প্রযুক্তি এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ গ্রামীণ জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে পারলেই একটি উন্নত, সমৃদ্ধ ও আত্মনির্ভরশীল বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..