অবিশ্বাস্য লাগছে কোহলির কাছেই!

কী ইনিংসটাই না সেদিন মোহালিতে খেলেছিলেন বিরাট কোহলি। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে অবিশ্বাস্য সেই ইনিংস তাঁকে নিয়ে গেছে ক্রিকেটগ্রেটদের কাতারেই। অথচ কোহলি নিজে নাকি ইনিংসের ১০ ওভার অতিক্রম করার পর জয়ের আশা ছেড়েই দিয়েছিলেন!
এখনো নিজের ইনিংস আর ভারতের জয় অবিশ্বাস্যই ঠেকছে কোহলির, ‘ইনিংসের ১০ ওভার পার হওয়ার পর আমি ধরেই নিয়েছিলাম যে, ম্যাচটা আমরা হারছি এবং টিটোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিচ্ছি। অধিনায়ক ধোনিকে সঙ্গে নিয়ে আমি যে কীভাবে খেলাটা জিতিয়ে নিয়ে ফিরলাম, সেটা অবিশ্বাস্য লাগছে আমার কাছে। আমরা জানি না কীভাবে আমরা জিতলাম। আমি কেবল এটাই বলব, যে দলের জন্য এমন ইনিংস খেলতে পেরে আমরা সত্যিই কৃতজ্ঞ।

জয়টা অনেক কষ্টার্জিত দেখেই ম্যাচ শেষে বেশ আবেগাপ্লুতই হয়ে পড়েছিলেন কোহলি, ‘মহেন্দ্র সিং ধোনির সেই ম্যাচজয়ী শটটির পর কেন যেন খুব আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েছিলাম। কী করব বুঝে উঠতে পারছিলাম না। তবে এমন অনুভূতিই কিন্তু একজন ক্রীড়াবিদের পরম আরাধ্য। আমরা দেশের হয়ে খেলিই এমন অনুভূতিকে বারবার খুঁজে নিতে।কোহলি নিজের স্বীকার করেছেন, এমন ইনিংস তিনি জীবনে খেলেননি।

জেমস ফকনারের আঠারোতম ওভারটি ম্যাচের রং মুহূর্তের মধ্যেই পাল্টে দিয়েছে। কোহলিও জানালেন, ‘ফকনারের ওভারটি আগে থেকেই টার্গেট বানিয়েছিলাম। আমাদের শেষ ওভারে ৩৯ রান দরকার ছিল। এমন পরিস্থিতিতে কখনোই পড়িনি। আমি জানতাম ওভারে ৩৯ রান তুলতে গেলে একটি বিশাল ওভার দরকার। পরের দুটিও হতে হবে কমপক্ষে ১৫ রানের। উইকেটও খুব ফ্ল্যাট ছিল না। ফকনারের ওই ওভারটিতে এল ১৯ রান।

১৬তম ওভার থেকেই আমি বাউন্ডারির দিকে ঝুঁকেছিলাম। জানতাম বেশি বাউন্ডারি না পারতে পারলে শেষ দিকে সমস্যায় পড়ে যেতে হবে। মোহালির আউটফিল্ডও আমাদের সহায়ক হয়েছে। আমি বেশ কয়েকটি শটে কেবল ৩০ গজের বৃত্ত পার করেছি। বাকিটা আউটফিল্ডই করে দিয়েছে।সূত্র: পিটিআই

 

 

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp
admin
লেখক / প্রতিবেদক

admin

এই প্রতিবেদকের আরও সংবাদ পড়তে নামের উপর ক্লিক করুন।

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।