× Banner
সর্বশেষ
শ্যামনগরে প্রতিবন্ধী,দুস্থ ও অসহায় ব্যক্তিদের মাঝে দুই লক্ষাধিক টাকার চেক বিতরণ শিল্প মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খানের ৪২তম শাহাদৎবার্ষিকী অনুষ্ঠিত তনু হত্যা মামলায় সাবেক সেনাসদস্য হাফিজুরের জামিন বাতিল, আত্মসমর্পণের নির্দেশ লিবিয়ায় মাফিয়ার নির্যাতনে মাদারীপুরের যুবকের মৃত্যু পাইকগাছায় ছাত্র ও দরিদ্র মানুষের মাঝে সাইকেল, সেলাই মেশিন ও ভ্যান বিতরণ মার্কিন প্রশান্ত মহাসাগরীয় নৌবহর কমান্ডারের বাংলাদেশ সফর শেষ ভারতীয় হাইক‌মিশনা‌রের স‌ঙ্গে আইএবিডির প্রতি‌নি‌ধিদ‌লের সাক্ষাৎ গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটের জবাব চেয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি ১১ দলের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কা‌ছে ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধির পরিচয়পত্র পেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক

অধ্যাপক ফজলুল হকের কাজ-স্মৃতি সংরক্ষণে সব করা হবে – সংস্কৃতিমন্ত্রী

ACP
হালনাগাদ: সোমবার, ৬ জুলাই, ২০২৬
অধ্যাপক ফজলুল হকের কাজ-স্মৃতি সংরক্ষণে সব করা হবে - সংস্কৃতিমন্ত্রী

লেখক ও গবেষক অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হকের অসমাপ্ত কাজ ও স্মৃতি ধরে রাখতে প্রয়োজনীয় সব কিছুই করা হবে বলে জানিয়েছেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী।

সোমবার (৬ জুলাই) সকালে বাংলা একাডেমিতে অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হকের মরদেহে শেষবারের মতো শ্রদ্ধা জানাতে এসে তিনি এ কথা বলেন।

অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হকের চলে যাওয়াকে অপূরণীয় ক্ষতি উল্লেখ করে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী বলেন, দেশকে ভালোবেসে বহু কাজ করে গেছেন তিনি। শিক্ষা ও সংস্কৃতি খাতে অসামান্য অবদান রেখে গেছেন এই বুদ্ধিজীবী।

নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হকের অসমাপ্ত কাজ ও স্মৃতি ধরে রাখতে যা যা করণীয় তা সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় করবে। তার দাফন হবে মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে।

এর আগে সকাল ১০টায় বাংলা একাডেমির সভাপতি বিশিষ্ট চিন্তাবিদ, শিক্ষাবিদ ও লেখক আবুল কাসেমের মরদেহ আনা হয় বাংলা একাডেমিতে। এখানেই অনুষ্ঠিত হয় তার ২য় নামাজে জানাজা।

এরপর বেলা ১১টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার, বেলা ১২টায় অপরাজেয় বাংলা এবং বাদ যোহর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের শেষ জানাজা শেষে মিরপুরের বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে সমাহিত করা হবে তাকে।

হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে রোববার (৫ জুলাই) দুপুরে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক।

১৯৪০ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় জন্মগ্রহণ করেন অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক। ১৯৬৫ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক (সম্মান) ও ১৯৬৬ সালে একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন তিনি। এরপর দীর্ঘদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে অধ্যাপনা করেছেন। পরবর্তীকালে বাংলা একাডেমির সভাপতির দায়িত্ব পালন করছিলেন। সব স্তরে বাংলা ভাষার ব্যবহার নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক।

গুণী এই অধ্যাপকের ‘সুন্দরম’ ও ‘লোকায়ত’ নামে দুটি সাময়িকপত্রের সম্পাদনা ছাড়াও অনেক গুরুত্বপূর্ণ বই রয়েছে। ‘একুশে ফেব্রুয়ারি আন্দোলন’, ‘সাহিত্য চিন্তা’, ‘রাজনীতি দর্শন’, ‘সংস্কৃতির সহজ কথা’র মতো তার লেখা অন্তত ২০টির বেশি বই প্রকাশ হয়েছে। এছাড়াও সম্পাদনায় প্রকাশ হয়েছে ‘ইতিহাসের আলোকে বাংলাদেশের সংস্কৃতি’, ‘স্বদেশচিন্তা’র মতো একাধিক গ্রন্থও।

এ ছাড়াও, অসামান্য অবদানের জন্য ১৯৮১ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কারে ভূষিত হন তিনি।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..