× Banner
সর্বশেষ
ধর্মমন্ত্রীর আশু আরোগ্য কামনায় দেশজুড়ে হেফাজতে ইসলামের বিশেষ দোয়া দক্ষিণ-পূর্ব ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি, সচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত ১১২ টাকায় সরকারি চাকরি পাওয়া স্বচ্ছ নিয়োগের প্রমাণ: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী বাংলাদেশে ২৫-২৬ জুলাই ন্যাশনাল সেমিকন্ডাক্টর সিম্পোজিয়াম ও বিআইইআর সামিট ২০২৬ বগুড়া উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন ২০২৬-এর খসড়া অনুমোদন, পরিকল্পিত আধুনিক নগর গঠনের উদ্যোগ বাজেট বাস্তবায়নেই সাফল্য, কক্সবাজারকে আধুনিক ডিজিটাল পর্যটন নগরী গড়ার পরিকল্পনা: অর্থমন্ত্রী FICCI FDI Conference 2026-এ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা স্মারক প্রদান বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে FICCI FDI Conference 2026, উন্মোচিত হলো এফডিআই রিপোর্ট মাদারীপুরে বৈশাখী ভাতা ও ঈদ বোনাস না পাওয়ায় দপ্তরিদের শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় ঘেরাও কোটালীপাড়ায় উল্টো রথযাত্রায় ভক্তদের ঢল

৩ টাকার আলু বাজারে বিক্রি হচ্ছে ১৫টাকা

admin
হালনাগাদ: রবিবার, ৭ জানুয়ারী, ২০১৮

মাদারীপুর প্রতিনিধি।।  মাদারীপুর কোল্ড স্টোরেজের আলু বিক্রি হচ্ছে ২-৩টাকা কেজি। তবু ক্রেতা মিলছেনা। পড়ে আছে ১০ হাজার বস্তা আলু। প্রতি বস্তায় ৮০ কেজি। প্রতিবস্তা আলুর কোল্ডস্টোরেজের ভাড়া ৩’শ টাকা। তাই কৃষক বাধ্য হচ্ছে কোল্ডস্টোরেজ ভাড়ায় দায়ে পুরো আলু দিয়ে দিতে। কোল্ডস্টোরেজ থেকে প্রতি কেজি আলু ২- ৩ টাকায় টাকায় বিক্রি হলেও খুচরা বাজারেই সেই আলুর দাম ১০-১৫টাকা। আলুর এই অবস্থার জন্য অতিরিক্ত মজুদ, জেলার বাহির হতে আলু আমদানি ও বাজার মনিটরিংকে দায়ী করছে কৃষক ও ব্যবসায়ীরা।

বছরের শুরুতে আলুর বাম্পার ফলনে খুশি ছিল কৃষক ও ব্যবসায়ীরা। তাই আলু মৌসুমে আলুর দাম কম থাকায় প্রায় ৬৫ হাজার বস্তা আলু মাদারীপুর কোল্ড স্টোরেজে মজুদ করে রাখে কৃষক ও ব্যবসায়ীরা। কিন্তু সেই আলুই এখন পথে বসিয়ে দিয়েছে কৃষক ও ব্যবসায়ীদের। আলু মজুদ রাখার পর হতেই মূল্য বৃদ্ধির আশায় কোল্ডস্টোরেজে রেখে অপেক্ষা করতে থাকে তারা। কিন্তু আলুর দাম তো বাড়েনি বরং দিন দিন দাম আরও কমেছে। যাদের অক্লান্ত পরিশ্রম ও অর্থ ব্যয়ে ফলন ঘটে আলু। আর সেই আলু কৃষকরা ন্যায্যা মূল্য না পেলেও লাভবান হচ্ছে মধ্যস্বত্বভোগীরা। বাজার মনিটরিং না থাকায় নিঃস্ব হয়ে যাচ্ছে কৃষক ও ব্যবসায়ীরা। সরকার যথাযথ বাজার মনিটরিং নজর দিতে এমনটাই প্রত্যাশা কৃষক, ব্যবসায়ী ও সাধারণ ভোক্তাদের।

বিভিন্ন কৃষক রহিম, জয়নাল, রশিদ, আব্বাস জানান, ৬মাসের জন্য আমরা এখানে আলু রাখি। এখানে আলু রাখতে আমাদের প্রতি বস্তা ৩শতটাকা দিতে হয়। তাছাড়া ১হাজার টাকা বস্তা লেবার খরচ ১শতটাকা, ঘারতি আছে ১শতটাকা। কিছু বস্তা আলু বিক্রি করেছি ৮-৯শতটাকা তাছাড়া বেশীর ভাগ আলু বিক্রি করেছি ২-৩শত টাকা। সরকারে মনিটরিং না হওয়ায় আমরা আজ ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছি।

আলু ব্যবসায়ী সাদ্দাম, রতন, পরিমল, সাইদুল জানান, পচা ও ছোট আলু বাছাইয়ে গুনতে হচ্ছে আরও টাকা। এতে লোকসানের মাত্রা আরও বাড়ছে আমাদের। তারপরও কিছু আলু বিক্রির আশায় আলু বাছাই করছে এই শ্রমিকরা। আড়ৎদার কোল্ডস্টোরেজ থেকে প্রতি কেজি আলু আড়াই টাকা থেকে ৩ টাকায় বিক্রি হলেও আড়তে আলু বিক্রি হচ্ছে ৬.৫-৭ টাকায়। আলু খুচরা বাজারে সাধারণ ভোক্তাদের মাঝে বিক্রি হচ্ছে ১০-১২টাকায়। কিন্তু আমরা তুলতে পাচ্ছি না খরচের টাকাও । প্রতি বস্তা আলুতে প্রায় হাজার টাকা লোসে বিক্রি করতে হচ্ছে।

মাদারীপুরের কোল্ডস্টোরেজের ম্যানেজার আব্দূল করিম জানান, আলু চাষি ও ব্যবসায়ীদের দুর্দশার জন্য অতিরিক্ত মজুদ, জেলার বাহির হতে আলু আমদানি ও ঠিক মত বাজার মনিটরিং না করা। তবে সরকারে উচিত এদিকে নজরধারী বাড়ানো।

মাদারীপুর জেলা প্রশাসক মো. ওয়াহিদুল ইসলাম জানান, বাজার মনিটরিং জোরদারের পাশাপাশি মাদারীপুরের মস্তফাপুর একটি কৃষক মার্কেট করা হবে। এমন সমস্যা যাতে কৃষকদের না পড়তে হয়। তবে অনেক সময় দেখা যায় কৃষকরা সঠিক মূল্য পায় না, ব্যবসায়ীরা অধিক মূল্য পেয়ে থাকে।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..