× Banner
সর্বশেষ
১৫ বছর পর ন্যায়বিচার, স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ; ৩ আসামির আমৃত্যু, তিনজনের যাবজ্জীবন জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে বিতর্কের অবসান হওয়া উচিত – মির্জা ফখরুল হঠাৎ ফেসবুক ডাউন, ভোগান্তিতে ব্যবহারকারীরা আর্জেন্টিনার ফাইনাল উপলক্ষে কোটালীপাড়ায় গরু জবাই করে বিশাল ভোজ ‎জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত খুলনা ও সাতক্ষীরা উপকূলের মানুষ ; বাড়ছে নারীদের রোগবালাই  ‘শাসন নয়, সেবক হতে হবে’, সরকারি কর্মকর্তাদের রাজনৈতিক পক্ষপাতমুক্ত থাকার তাগিদ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সীতাকুণ্ডে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যাত্রীবাহী বাস উলটে নিহত ১, আহত ৬ যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা আবেদনকারীদের দূতাবাসের জরুরি বার্তা শাপলা চত্বর হত্যা মামলা; তদন্ত প্রতিবেদন প্রসিকিউশনের হাতে ২০২২ বিশ্বকাপ সম্প্রচারে ১৪০ কোটি টাকার দুর্নীতি, এবার খরচ প্রায় শূন্য – তথ্যমন্ত্রী

সার্ক ইস্যূতে নিয়মিত আলোচনা চান হাসিনা-মোদি

admin
হালনাগাদ: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৫

বিশেষ প্রতিবেদকঃ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছেন, দেশগুলোতে সহযোগিতা জোরদার করার জন্য শীর্ষ সম্মেলন পর্যায়ের আলোচনার পাশাপাশি সার্ক নেতাদের বেশি বেশি পারস্পরিক সাধারণ অলোচনা অব্যাহত রাখা প্রয়োজন।

বৃহস্পতিবার হোটেল ওয়ালড্রফ এ্যাস্টোরিয়ায় এ দুই নেতার মধ্যে একটি প্রতিনিধি পর্যায়ের অনির্ধারিত বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। উভয় নেতা বর্তমানে নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭০তম অধিবেশনে যোগ দিতে এই হোটেলে অবস্থান করছেন।বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম জানান, প্রায় আধা ঘন্টার বৈঠকে উভয় নেতা স্থল সীমানা চুক্তি (এলবিএ) ও তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তি বাস্তবায়ন সহ আঞ্চলিক এবং পারস্পরিক স্বার্থ-সংশ্লিস্ট বিভিন্ন বিষয নিয়ে আলোচনা করেন।প্রেস সচিব জানান, তিস্তা নদীর পানি বণ্টন চুক্তি যে স্বাক্ষরিত হবে এ নিয়ে নরেন্দ্র মোদি তার দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তবে, তিনি কোনো নির্দিষ্ট সময় উল্লেখ করেননি।ভারতের প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের দু’টি প্রধান প্রকল্প সম্পর্কে অনুসন্ধিৎসু ছিলেন, এক রুপপুর পারমাণবিক শক্তি প্ল্যান্ট ও অন্যটি বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট প্রকল্প। তিনি রাশিয়ার সঙ্গে রূপপুরে বিদ্যুৎ প্রকল্পের কাজে বাংলাদেশ টিমের সামর্থের প্রশংসা করেন। তিনি কারিগরি ও বাণিজ্যিক দিকে তাদের আরও প্রশিক্ষণ দেয়ার প্রস্তাব দেন। তিনি স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণে তার দেশের অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করেন। তিনি এই ক্ষেত্রে বাংলাদেশকে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানে প্রস্তাব দেন।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী এলবিএ বাস্তবায়নে বাংলাদেশের আমলাদের সমন্বিত ও আন্তরিক প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন এবং চুক্তি কার্যকর করার প্রক্রিয়া নিয়ে তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন। মোদি বলেন, আলোচনার মাধ্যমে প্রতিবেশীদের সঙ্গে বিরোধ ছাড়াই শান্তিপূর্ণভাবে নিষ্পত্তি হওয়ার জন্য এলবিএ একটা মডেল।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, প্রতিবেশীদের মধ্যে সমস্যা আছে থাকতে পারে তবে, সব বিরোধ আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা যেতে পারে। তিনি বলেন, সড়ক যোগাযোগের মাধ্যমে এই অঞ্চলের চার জাতির মানুষেরা অনেক লাভবান হবেন।বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে নরেন্দ্র মোদি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রশংসা করেন। শেখ হাসিনা বেশ কিছু ক্ষেত্রে সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এমডিজি) অর্জনে বাংলাদেশের সাফল্যের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে উল্লেখ করেন। অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলী, প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. মশিউর রহমান, ড. গওহর রিজভী ও পররাষ্ট্র সচিব শহীদুল হক উপস্থিত ছিলেন। ভারতীয় পররাষ্ট্র সচিব জয় শংকর সহ অন্যান্যরাও বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..