× Banner
সর্বশেষ
কোটালীপাড়ায় পল্লী উন্নয়ন একাডেমি’র ১৮’শ শিক্ষার্থীদের মাঝে ফলদ ও বনজ গাছের চারা বিতরণ প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক সদিচ্ছার অভাবে দুর্নীতি বন্ধ করা সম্ভব হচ্ছে না -বিরোধী দলীয় নেতা রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনে যাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিশেষ দূত দেশের প্রান্তিক পর্যায় থেকে উদীয়মান খেলোয়াড়দের বাছাই করে ক্রীড়া অঙ্গনের সমৃদ্ধি ঘটাতে চাই – প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল কোটালীপাড়ায় ১০ম উপজেলা স্কাউটস সমাবেশের উদ্বোধন আসামের বন্যার্তদের জন্য বাংলাদেশ হাইকমিশনের ত্রাণ সহায়তা বৃষ্টি ও বন্যার প্রভাবে বাজারে অস্থিরতা, কাঁচামরিচ ৪০০ টাকা কেজি মতিঝিলে ৪৬৪ দেশীয় অস্ত্রসহ ৩ বিক্রেতা গ্রেফতার অর্থ সংকটে জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন – বেতনহীন কর্মীরা, থমকে আহতদের চিকিৎসা সহায়তাও নৌপথের সুরক্ষায় বাংলাদেশসহ ১৩ দেশ নিয়ে সৌদির নতুন জোট

মধুখালী প্রতিনধি

শেষ হলো লক্ষীপুর সার্বজনীন দূর্গা মন্দিরের ঐতিহ্যবাহী নামযজ্ঞ

Kishori
হালনাগাদ: বুধবার, ১ নভেম্বর, ২০২৩
ঐতিহ্যবাহী নামযজ্ঞ

হাজারো ভক্তের আগমনের মধ্যদিয়ে শেষ হলো ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার ডুমাইন ইউনিয়নের লক্ষীপুর গ্রামের ঐতিহ্যবাহী লক্ষীপুর সার্বজনীন দূর্গা মন্দিরের তিন দিনের নামযজ্ঞানুষ্ঠান। গত ২৮শে অক্টোবর শনিবার অধিবাসের মধ্যদিয়ে এ অনুষ্ঠান শুরু হয়।

বুধবার ভোগ মহোৎসবের মধ্যদিয়ে শেষ হয়। অনুষ্ঠানকে সফল ও উৎসবমুখর করতে আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে নেয়া হয় নানা উদ্যোগ। আয়োজক কমিটির সভাপতি বাবু বিষ্ণুপদ বিশ্বাস ও সাধারন সম্পাদক বাবু সুজিত কুমার মন্ডল জানান, প্রতি বছর বছরের ন্যায় এবারও উৎসবমুখর পরিবেশে শেষ হয়েছে।

জানা যায়, মধুখালী উপজেলার ডুমাইন ইউনিয়নের সার্বজনীন সার্বজনীন দূর্গা মন্দির চত্বরে ২০১৮ সাল থেকে হয়ে আসছে এ অনুষ্ঠান। এ অঞ্চলের হিন্দু সম্প্রদায়ের মহা মিলনের অনুষ্ঠান এটি। শুধু মধুখালী ফরিদপুর অঞ্চলই নয়, দেশের বিভিন্ন জেলা মাগুরা , রাজবাড়ী জেলা অঞ্চল থেকে আসা হাজার হাজার ভক্তের সমাগমে মুখরিত হয়ে উঠে মন্দির প্রাঙ্গণ। শুধু সনাতন ধর্মের মানুষ নয়, সকল সম্প্রদায়ের মানুষ সনাতন ধর্মের ভক্তদের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করে নেন।

এ অঞ্চলের হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকেরা এ অনুষ্ঠানকে ঘিরে মেয়ে-জামাই ও আত্মীয়-স্বজনদের নিমন্ত্রণ করে থাকেন। ডুমাইন ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ইলিয়াজ হোসেন বলেন, ইউৃনিয়নের লক্ষীপুর নামজ্ঞানুষ্ঠানটি অনেক পুরানো। অনেক আগে থেকেই অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। আমরা ছোট বেলা থেকে এ নামযজ্ঞ দেখে আসছি। এটি ডুমাইন ইউনিয়ন তথা মধুখালী উপজেলার ঐতিহ্য।

মন্দিরে ইউনিয়ন সহ বিভিন্ন জেলা দূর-দূরান্ত থেকে আসা ভক্তদের সম্পূর্ণ বিনামূল্যে নিজ অর্থায়নে খাবারের ব্যবস্থা করে থাকেন নামযজ্ঞ কমিটি আর এর ব্যবস্থা করা হয় সভাপতি বিষ্ণুপদ বিশ্বাসের বাড়ীতে। লক্ষীপুর গ্রামের অবসর প্রাপ্ত শিক্ষক বাবু নীরোধ কুমার শিকদার বলেন, লক্ষীপুর সার্বজনীন দূর্গা মন্দির সনাতন ধর্মালম্বীদের কাছে একটি তীর্থ স্থান। অনুষ্ঠানকে ঘিরে গোটা এলাকায় উৎসবে পরিণত হয়। কাঠ, বাঁশ, মাটির খেলনা, চানাচুর, মাাম হালিম , ফচকা, পাপড়ভাজা, মিষ্টিজাত দ্রব্যসহ নানা খাবার, মিষ্টিপান ও খেলনা সামগ্রীর পসরা নিয়ে দোকানীদের সমাবেশ ঘটে। আইন শৃংখলা বাহিনীতে নিয়োজিত ছিলেন মধুখালী ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি শহিদুল ইসলাম নির্দেশে ও অফিসার চম্পক বড়–য়া’র তত্ত্বাবধানে নিয়োজিত ছিল টইলরত মধুখালী থানা পুলিশ প্রশাসন সহ তারা নিজেরা।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..