× Banner
সর্বশেষ
দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা সম্প্রসারণ নিয়ে ঢাকা ও কাঠমান্ডু আলোচনা অনুষ্ঠিত সরকারের ১৮০ দিনের অর্জন জনগণের সামনে বস্তুনিষ্ঠভাবে তুলে ধরতে হবে – স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অকুতোভয় জুলাই যোদ্ধা আজিজুর রহমানের সাক্ষাৎ জুলাইয়ের আত্মত্যাগের চেতনাকে লাভজনক চেতনা বানাবেন না – তথ্যমন্ত্রী লটারির মাধ্যমে গণপূর্ত অধিদপ্তরের ৭৬৭ উপ-সহকারী প্রকৌশলীর বদলি, স্বচ্ছতায় নতুন উদ্যোগ সীমাবদ্ধতা নয়, স্বপ্নপূরণের শক্তি আত্মবিশ্বাস ও অধ্যবসায়: ববি হাজ্জাজ জুলাই শহিদদের আত্মত্যাগের মর্যাদা রক্ষায় রাষ্ট্রে প্রকৃত পরিবর্তন আনতে হবে: মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর কোটালীপাড়ায় বিশ্ব মানবপাচার প্রতিরোধ দিবস পালিত  বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মানুষের পাশে সরকার, শিশু স্বাস্থ্যসেবায় যুক্ত হলো আরও ৭০ শয্যা খাদ্য মূল্যস্ফীতি কমাতে লজিস্টিক ব্যয় হ্রাসের বিকল্প নেই: বাণিজ্যমন্ত্রী

আঞ্চলিক প্রতিনিধি, বরিশাল

শার্শায় দুটি খাল খননে হাজারো কৃষকের মুখে হাসি

Ovi Pandey
হালনাগাদ: মঙ্গলবার, ২৫ জুন, ২০২৪
কৃষকের মুখে হাসি

কৃষকদের চাষের জমিতে সহজেই পানির ব্যবস্থা নিশ্চিত করার লক্ষে যশোরের শার্শায় খাল খনন প্রকল্পের আওতায় দুটি খাল খনন কার্যক্রম সম্পন্ন করেছে উপজেলা এলজিইডি।
এলজিইডি নিজস্ব অর্থায়নে খাল দুটি দৃশ্যমান হওয়ায় হাসি ফুটেছে এই এলাকার হাজারও কৃষকের মুখে। খাল খনন প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়ন হওয়ায় খাল পাড়ের এসব জমি থেকে আগামীতে বাম্পার ফলনের স্বপ্ন দেখছেন তারা।
সরেজমিনে তথ্য অনুসন্ধানে দেখা যায়, যশোরের শার্শা উপজেলার কন্যাদহ ব্রীজ থেকে মাকড়াবিল পর্যন্ত এবং বসতপুর বিলের মাঝ থেকে তিন কিলোমিটারের দুটি খাল খনন করা হয়েছে।
কৃষকরা যেন সহজেই তাদের তিন ফসলি জমিতে এই খাল থেকে পানি নিয়ে চাষ করতে পারে এজন্য পর্যাপ্ত পানি রাখা হয়েছে এই খালে। পরবর্তীতে পরিবেশ ও মানুষের সুশীতল ছায়ার কথা চিন্তা করে এই দুই খালের চারিসাইডে ৯২০টি গাছের চারা রোপণ করা হয়।
স্থানীয় কৃষকরা জানান, অতীতে খাল পাড়ের এসব শত শত বিঘা জমি থেকে ধান কেটে বাড়িতে নিয়ে আসা খুবই কষ্ট সাধ্য ছিলো। তিন ফসলের চারা রোপণের পর পরিচর্যার জন্য দিনের পর দিন বৃষ্টির জন্য অপেক্ষা করতে হতো।
পানির জন্য এখন থেকে আর সেই অপেক্ষা করতে হবেনা। খাল খননে জমির জন্য সহজেই পানির ব্যবস্থা নিশ্চিত করা ও খাল পাড়ে বনায়নের ব্যবস্থা করাই চরম খুশি এখানকার কৃষকরা।
শার্শা উপজেলা এলজিইডি বিভাগের শীর্ষ অফিসার এম এম মামুন হাসান বলেন, দীর্ঘদিন ধরে খাল দুটি নির্জীব অবস্থায় ছিলো। পরিচর্চা ও দেখভালের অভাবে এসব খালে পানি জমতো না।
ফলে এখানকার কৃষকরা তাদের তিন ফসলি জমিতে পানির অভাবে ঠিকমতো চাষাবাদ করতে পারতো না। এখন চাষিদের আর পানির অভাবে থাকতে হবেনা।
কৃষকদের মুখে হাসি দেখে খাল খননের সার্থকতা প্রকাশ পেয়েছে। খাল দুটি খননের জন্য যথাক্রমে ৮২.৯৫ লক্ষ ও ২৯.৬৩ লক্ষ টাকার চুক্তি মূল্যে খনন কার্যক্রম শেষ হয়েছে।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..