× Banner
সর্বশেষ
২৪ জুলাই শুক্রবার পঞ্জিকা ও ইতিহাসের এইদিনে ধর্মমন্ত্রীর আশু আরোগ্য কামনায় দেশজুড়ে হেফাজতে ইসলামের বিশেষ দোয়া দক্ষিণ-পূর্ব ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি, সচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত ১১২ টাকায় সরকারি চাকরি পাওয়া স্বচ্ছ নিয়োগের প্রমাণ: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী বাংলাদেশে ২৫-২৬ জুলাই ন্যাশনাল সেমিকন্ডাক্টর সিম্পোজিয়াম ও বিআইইআর সামিট ২০২৬ বগুড়া উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন ২০২৬-এর খসড়া অনুমোদন, পরিকল্পিত আধুনিক নগর গঠনের উদ্যোগ বাজেট বাস্তবায়নেই সাফল্য, কক্সবাজারকে আধুনিক ডিজিটাল পর্যটন নগরী গড়ার পরিকল্পনা: অর্থমন্ত্রী FICCI FDI Conference 2026-এ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা স্মারক প্রদান বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে FICCI FDI Conference 2026, উন্মোচিত হলো এফডিআই রিপোর্ট মাদারীপুরে বৈশাখী ভাতা ও ঈদ বোনাস না পাওয়ায় দপ্তরিদের শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় ঘেরাও

যে রেস্তোরা তৈরী টয়লেটের আদলে

admin
হালনাগাদ: মঙ্গলবার, ১২ জুলাই, ২০১৬

বিনোদন ডেস্ক: সারা পৃথিবীতে বিভিন্ন ধরনের পর্যটকরা ঘুরে বেরাচ্ছে। কত না কিছু দেখার আছে এই পৃথিবীতে। দেখার সাথে সাথে এই ভ্রমন বিলাসীরা রেস্তোরায় ঘুরতে ও খাবার খেতেও পছন্দ করে।

এদিকে পর্যটকদের আকর্ষণ করতে বিভিন্নভাবে রেস্তোরাঁর নকশা করে থাকেন রোস্তারাঁর মালিকরা। এ রোস্তোরাঁগুলোতে থাকেন নিজ নিজ দেশের ঐতিহ্যের ছোঁয়া, আবার নানারকম জাঁকজমক নকশাও থাকে। কিন্তু বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এমন বেশ কিছু রেস্তোরাঁ রয়েছে যার নকশা সম্পূর্ণ টয়লেটের মতো।

এ রকম রোস্তোরাঁর সংখ্যা কিন্তু নেহায়েত কম নয়। বিশ্বের প্রায় অর্ধশতাধিক রোস্তোরাঁ রয়েছে যা তৈরি করা হয়েছে টয়লেটের বিভিন্ন বিষয়কে মাথায় রেখে। এবং এ রকম রেস্তোরার সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে। প্রতি বছর দুই থেকে তিনটি নতুন টয়লেট রেস্তোরাঁ তৈরি হচ্ছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে।

এ রকম টয়লেট রেস্তোরাঁর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি রোস্তারাঁ রয়েছে তাইওয়ান, হংকং, মালয়েশিয়া, জার্মানি, পর্তুগাল এবং ক্যালিফোর্নিয়া, লস অ্যাঞ্জেলেসসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে।

তাইওয়ান, হংকং এবং চীনে দেখা যায় ‘মার্টন মডার্ণ টয়লেট’। প্রথম মডার্ণ টয়লেট চালু হয় ২০০৩ সালে তাইপে-তে। এরপর এর কয়েকটি শাখা হংকং এবং চীনে খোলা হয়। স্থানীয়দের কাছে এগুলো ‘মার্টন’ নামেই পরিচিত। চীনা ভাষায় এই শব্দটির অর্থ টয়লেট। কেউ কেউ এগুলোকে টয়লেট রেস্টুরেন্ট বলে ডাকে।

এই মডার্ণ টয়লেট রেস্টুরেন্টগুলোর বসার জায়গা থেকে শুরু করে খাবার পরিবেশন সববিছুতেই থাকে টয়লেটের বিভিন্ন বিষয়ের ছোঁয়া। এখানে খাবার খেতে আসা ক্রেতাদের বসতে দেওয়া হয় কমোডে। বসার স্থানের পাশে থাকে টয়লেট পেপার যা ন্যাপকিনের কাজে ব্যবহার করা হয়। খাবার পরিবেশন করা হয় ছোট টয়লেট বউলে। এছাড়া পানীয় পরিবশেন করা হয় ছোট ছোট ইউরিনালের মাধ্যমে। একসঙ্গে ১০০ জন মানুষ এই টয়লেট রেস্টুরেন্টগুলোতে খাবার খেতে পারবেন। স্থানীয়দের কাছে এগুলোর বেশ কদর রয়েছে। অনেক সময় বসার স্থান পেতে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। বিশেষ করে দুপুরের খাবরের সময়।

তাইওয়ানের মডার্ণ টয়লেট রেস্টুরেন্টের মতো মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুর এবং পানাংয়ে রয়েছে টি-বউল রেস্তোরাঁ। এ রেস্তোরাঁর ক্ষেত্রে কিছু বিশেষ ব্যাপার হচ্ছে এখানে টয়লেটের বিভিন্ন বিষয়ের পাশাপাশি বাথটাব এবং বিভিন্ন টেবিলের ব্যবস্থা রয়েছে। কিন্তু এখানকার সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয় হচ্ছে- এখানে কমোডের পাশাপাশি প্যান কমোডেরও ব্যবস্থা রয়েছে। যেখানে পা ছড়িয়ে বসে খাবার খেতে পারবেন রেস্তোরাঁয় আসা ক্রেতারা। দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের মানুষের টয়লেটের অভ্যাসের বিষয়টি মাথায় রেখে এটি করা হয়েছে।

টয়লেটকে জার্মান ভাষায় বলা হয় ক্লো। বার্লিণে রয়েছে দাস ক্লো নামের একটি বার। এখানে বেয়ার এবং বিভিন্ন পানীয় পরিবেশন করা হয় ইউরিন স্পেসিমিন এবং সিরামিক টয়লেট বউলে। এখানেই শেষ নয় আপনি যদি এই বারের সামনে দিয়ে যান তাহলে আপনার দিকে ছিটে আসতে পারে পানির ঝাপটা। অথবা কোনো নারী যদি স্কার্ট পরে থাকেন তাহলে নিচ থেকে বাতাস দিয়ে স্কার্ট উপরে উঠিয়ে দেওয়া হয় অথবা অপনি যদি বারে প্রবেশ করেন তাহলে আপনাকে নিয়ে নানা কৌতুকে মেতে উঠতে পারে সবাই। আর আপনি যদি জার্মান ভাষা না জানেন  সেক্ষেত্রে আপনার জন্য ভালো। কারণ এই মজাগুলো করা হয় জার্মান ভাষায়। এই বার নিয়ে সর্বশেষ তথ্য হলো- এর কর্ণধার তিনি টয়লেটে বসেই বারটি বানানোর চিন্তা করেছিলেন।

এছাড়া ম্যাটোসিনহোস, পর্তুগালের ডাব্লিউডাক এবং লস অ্যাঞ্জেলেসের ম্যাজিক রেস্টরুম ক্যাফে পুরোটাই টয়লেটের আদলে তৈরি করা। তবে দেখতে যেমন হোক না কেন এ রেস্তোরাঁগুলোকে খাবারের মান বেশ ভালো বলে জানা গেছে। এছাড়া খাবারগুলো অনেক সুস্বাদু বলেও শোনা যায়।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..