× Banner
সর্বশেষ
ওভারথিংকিং ডিটক্স ব্লুপ্রিন্ট বইটির মোড়ক উন্মোচন করলেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি, অধিকাংশ জেলায় স্বাভাবিক অবস্থা ফিরছে প্রস্তাবিত কর্পোরেট গভর্ন্যান্স রুলস ২০২৬ নিয়ে আইসিএসবির সিপিডি প্রোগ্রাম মাগুরায় ১০ হাজার গাছের চারা রোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন সংস্কৃতি মন্ত্রী মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলনের আহ্বান পানি সম্পদমন্ত্রীর মহেশপুর সীমান্ত দিয়ে ৬ জনকে পুশইন চেষ্টা রুখে দিয়েছে বিজিবি ঝিনাইদহে প্রথমবার পালিত হলো বিশ্ব পানিতে ডুবে মৃত্যু প্রতিরোধ দিবস তথ্য ও উপাত্তের ভিত্তিতে নিরপেক্ষভাবে কাজ করাই পেশাদার সাংবাদিকতার মূল দর্শন – তথ্যমন্ত্রী Inner Wheel Club of Dhaka Cosmopolitan 2026–2027 Handover Ceremony & Collar Exchange Program ব্যবসা সম্প্রসারণেই অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্ভব, ব্যবসায়ীদের প্রতি পরিবেশমন্ত্রীর আহ্বান

মস্তফাপুর বাজার রাস্তা খানাখন্দে ভরা, সামান্য বৃষ্টিতেই হাটু পানি, ধান রোপন করে তীব্র প্রতিবাদ

admin
হালনাগাদ: বুধবার, ৩ আগস্ট, ২০১৬

মেহেদী হাসান সোহাগ- মাদারীপুর: জেলার মস্তফাপুর বাজারের রাস্তা ও বাজারের মধ্যে কোন ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় জনসাধারনের দূর্ভোগ চরম আকার ধারন করেছে। তাই বাজারের দোকানদারা বাজারের মাঝে ধান রোপন করে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে।

মস্তফাপুর বাজার পৌরসভার বাহিরে থাকায় ড্রেনেজব্যবস্থা নেই। এই বাজারে নেই কোন ড্রেন তাই পানি, ময়লা আবর্জনা নিস্কাশন না হয়ে বাজারের বিভিন্ন স্থানে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। সামান্য বৃষ্টিতেই মস্তফাপুর বাজার বিভিন্ন সড়ক আধ হাত পানির নিচে তলিয়ে যায়। কয়েকটি স্থানে দেখা যায় বাঁধ দিয়ে মাছ চাষ, বাড়ী নির্মান ও রাস্তার পাশে ময়লা আবর্জনা ফেলার কারনে পানি জমেও জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হচ্ছে।

পুরো বাজার প্রায় দেড় কিঃমিঃ ঘুরে দেখা যায়, মসÍফাপুর বাজারের সড়কের পাশের ডোবাগুলোতে মাছ চাষ ও ড্রেনেজ ব্যবস্থা না হওয়ায় পানি নিস্কাশন বন্ধ হয়ে রাস্তায় হাঁটু সমান পানি জমে রয়েছে। মস্তফাপুর বাজারের স্কুল মোড় থেকে কামারপট্ট্রি হয়ে পানপট্ট্রি পযন্ত সামান্য বৃষ্টি হলে হাটু পানি হয়ে যায়। দুর-দুরান্ত থেকে বাজার করতে আসা জনগনসহ চরম দুর্ভোগে পরছে দোকানদারাও। এদিকে স্কুল পট্ট্রি থেকে গার্মেস্ট পট্ট্রি পযন্ত পানি জমে না থাকলেও খানাখন্দে সহ কাদায় ভরা। এবং গার্মেস্ট পট্ট্রি থেকে কিছু বাজারের রাস্তা ভালো হলেও বাবুল ঘোষের দোকানের সামনে থেকে শুরু করে কাচাবাজারের আড়তগুলো সামনের রাস্তা, কাচা বাজারের খুচরা বিক্রেতার সামনের রাস্তা অনেক বছর কোন সংস্কার না হওয়ায় বিশাল বিশাল গর্থ এবং হাটু পযন্ত কাদা।

এই মস্তফাপুর বাজারে রয়েছে সরকারী দুটি ভূমি অফিস তার সামনের রাস্তায় অল্প বৃষ্টি হলেই পানি জমে যায়। এবং পানি ও কাঁদা মিশ্রিত থাকায় মানুষের চলাচলে দূভোর্গ চরম আকার ধারন করেছে। আরও জানা যায় বাজারে ঢোকার দুটি রাস্তা সে দুটিও বিকল হয়ে রয়েছে, যে কোন সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
বাজার সুত্রে আরও জানা যায় ২০০০ সালের আগে একটি ছোট ড্রেন ব্যবস্থা ছিল। তা এক সময় বন্ধ হয়ে গেছে এর পর আর কোন ড্রেনের ব্যবস্থা করা হয় নাই। প্রতি বছর প্রায় ৭-৮ লক্ষ টাকায় ডাক কিনতে হয়। কিন্তু বাজারে কোন উন্নায়নের কাজ হয় না। আর হবে কিনা তা তাদের জানা নাই, তবে বাজারের ব্যবসায়ীরা চায় বাজারে বর্তমানে যে দুর-অবস্থা তাতে এখুনী কাজ না করালে বাজারে অনেক বড় ক্ষতি হয়ে যাবে। বাজার থেকে ক্রেতা- বিক্রেতারা অন্যথায় চলে যাওয়ার পরিকল্পনা করছে। এই বাজারে দোকান প্রতি প্রায় ২-৩ লক্ষ টাকা অগ্রিম দিয়ে দোকান নিতে হয়। অথচ বাজারের দোকানদারেরা তেমন কোন সুযোগ-সুবিধা পায় না। তাছাড়া এই বাজারে ৫টি টলঘর রয়েছে তাও তেমন কোন উন্নায়ন নেই। উপজেলা পরিষদ, জেলা পরিষদ, ইউনিয়ন পরিষদ অতি শ্রীঘই ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য অনুরোধ করেছে বাজারের ব্যবসায়ীরা।

ব্যবসায়ী  পবিত্র, মিঠু, দেলোয়ার,  সরোয়ার, মেহেদী জানান, সরকারীভাবে আমরা মস্তফাপুর ইউনিয়নের নাগরিক অথছ রাস্তাঘাট ও চলাফেরায় আমরা চতুর্থ শ্রেণীর কাতারেও পড়ি না। সরকারী নিয়মনীতি অনুসারে আগের তুলনায় দোকানপাটের ট্রেড লাইসেন্সের টাকা বৃদ্ধি পেলেও আমরা তা বকেয়া রাখিনা। আমরা মস্তফাপুর বাজার থেকে কি সুবিধা পাচ্ছি বলতে পারেন। ড্রেনেজ ব্যবস্থা নিয়ে এরকম হাজারো প্রশ্ন মস্তফাপুর বাজারের দোকানদারদের।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. শফিউর রহমান ফোনে জানান আমরা পরিকল্পিত নগরায়নের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি। আমি এব্যপারে চেয়ারম্যান ও বাজার কমিটির সভাপতি সাথে কথা বলার জন্য ডাকবো। এবং বাজার কমিটি ও আমাদের পক্ষ থেকে মস্তফাপুর বাজারে ড্রেনেজ ব্যবস্থা করার চিন্তা রয়েছে। প্রয়োজনে আমি আবারও বাজার পরিদর্শন করতে যাবো।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..