× Banner
সর্বশেষ
পরিবার জানে মৃত, সেই আলমগীর বাড়ি ফিরলেন ১৮ বছর পর,স্ত্রী আমেনা বেগম অন্যত্র বিয়ে ডিসি লেক পরিচ্ছন্নতায় মাঠে নামলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ধর্মের নামে বিভাজনের কোনো সুযোগ নেই – স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ধর্ম নয়, বাংলাদেশি পরিচয়ই সবার আগে: তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন কোটালীপাড়ায় পল্লী উন্নয়ন একাডেমি’র ১৮’শ শিক্ষার্থীদের মাঝে ফলদ ও বনজ গাছের চারা বিতরণ প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক সদিচ্ছার অভাবে দুর্নীতি বন্ধ করা সম্ভব হচ্ছে না -বিরোধী দলীয় নেতা রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনে যাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিশেষ দূত দেশের প্রান্তিক পর্যায় থেকে উদীয়মান খেলোয়াড়দের বাছাই করে ক্রীড়া অঙ্গনের সমৃদ্ধি ঘটাতে চাই – প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল কোটালীপাড়ায় ১০ম উপজেলা স্কাউটস সমাবেশের উদ্বোধন আসামের বন্যার্তদের জন্য বাংলাদেশ হাইকমিশনের ত্রাণ সহায়তা

কূটনৈতিক প্রতিবেদক

মন্দিরের গেটে মসজিদের দানবাক্স লাগানো নিয়ে পোস্টে আবারো গ্রেফতার ঝুমন দাশ

Brinda Chowdhury
হালনাগাদ: বুধবার, ৩১ আগস্ট, ২০২২
মন্দিরের গেটে মসজিদের দানবাক্স

সিরাজগঞ্জের নবরত্ন মন্দিরের গেটে মসজিদের জন্য দানবাক্স লাগানো নিয়ে পোস্ট করায় আবারো গ্রেফতার করা হয়েছে সুনামগঞ্জের শাল্লা থানার ঝুমন দাশ আপনকে।  শাল্লা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সুমনুর রহমান বাদী হয়ে ঝুমনের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করেছেন।

আজ ৩১ আগস্ট বুধবার সকালে শাল্লা থানা থেকে ঝুমন দাশকে সুনামগঞ্জের উদ্দেশ্যে পাঠানো হয়। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে পুলিশ ঝুমনকে বাড়ি থেকে আটক করে। পরে রাতে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা হলে, ওই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয় বলে জানিয়েছে ঝুমনের স্ত্রী সুইটি রানী দাশ।

সুইটি রানী দাশ জানিয়েছেন, গতকাল দুপুরে কয়েকজন পুলিশ সদস্য তাদের বাড়িতে আসেন। তারা ঝুমনকে বলেন, এলাকার নোয়াগাঁও বাজারে পুলিশের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ঝুমনের সঙ্গে কথা বলবেন বলে ডেকে পাঠানো হয়। এরপর ঝুমন ও তার স্ত্রী সুইটি নৌকায় ওঠেন। কিন্তু পরে নোয়াগাঁও বাজার না গিয়ে তাদের শাল্লা থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। সারা দিন তিনি ঝুমনের সঙ্গে থানায় ছিলেন। পরে রাত নয়টার দিকে তিনি ঝুমনকে থানায় রেখে বাড়িতে ফিরে আসেন। আজ বুধবার সকালে থানায় ফোন দিলে পুলিশ তাকে জানায়, ঝুমনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

গত বছর হেফাজতে ইসলামের তৎকালীন নেতা মামুনুল হক সনাতন ধর্ম সম্পর্কে কটূক্তি করেছিলেন। এই ঘটনায় প্রতিবাদ জানিয়ে ফেসবুকে আপত্তিকর পোস্ট দেওয়ার অভিযোগে – শাল্লা থানায় ঝুমন দাশের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলায় হয়। ১৬ মার্চ ফেসবুকে দেওয়া ওই পোস্টের জেরে ১৭ মার্চ সকালে নোয়াগাঁও গ্রামে সংখ্যালঘুদের বাড়িঘর ও মন্দিরে হামলা চালানো হয়। অবশ্য ঝুমন দাশকে ১৬ মার্চ রাতেই পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছিল তার প্রতিবেশী হিন্দুরা। এরপর ২২ মার্চ শাল্লা থানায় ঝুমন দাশের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা দায়ের করেছিল পুলিশ। এই মামলায় ২৩ মার্চ ঝুমনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। ৬ মাস ১২ দিন কারাবাসের পর গত বছরের ২৮ সেপ্টেম্বর সুনামগঞ্জ কারাগার থেকে মুক্তি পান ঝুমন দাশ আপন।

১৪ শতকের প্রাচীন নবরত্ন মন্দিরের প্রধান গেটে দানবাক্স লাগানো নিয়ে ঝুমনের পোস্টে লেখা দেখা যায়, কোন মসজিদের গেটে মন্দিরের জন্য দানবাক্স লাগানোর কল্পনাঅ করতে পারবে না হিন্দুরা। করলে ধর্ম অবমাননার মামলা খেয়ে কারাগারে থাকতে হবে। ওই মন্দিরের আশেপাশে হিন্দুদের এটা অপসারণ করার বিন্দু মাত্র সাহস নেই। এমন কি প্রসাশনের কাছে অভিযোগ করার ও বিন্দু মাত্র ক্ষমতা নেই।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..