× Banner
সর্বশেষ
শিল্পখাতে গ্যাস সংকট সমাধানের আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর কোটালীপাড়ায় আরডিএ’র ৩টি প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধন জামায়াতের সঙ্গে বৈঠকে বসেছে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার কথা বলে কিশোরীকে ধর্ষণচেষ্টা ইউপি সদস্যের সিআইডির প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নিলেন ব্যারিস্টার মোহাম্মদ মোশাররফ হোছাইন বাঘ সংরক্ষণে জনসচেতনতা বাড়াতে হবে – প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বিএনপি-এনসিপির পালটাপালটি কর্মসূচি, হবিগঞ্জে ১৪৪ ধারা জারি জাপানে শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহত ১৩ সৌদি-যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলায় ইরাকে ৮ সেনা নিহত বেনাপোলে ডিবির অভিযানে ইয়াবা ট্যাবলেট ও নগদ টাকাসহ এক মাদক ব্যবসায়ী আটক

ভারতীয় মিলিটারি একাডেমীতে প্রশিক্ষণ নিচ্ছে আফগান নারী অফিসাররা

admin
হালনাগাদ: শুক্রবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০১৭

প্রতিবেশী ডেস্কঃ ভারতের একটি সামরিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে ২০ জন আফগান নারী অফিসারের প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে। একে-৪৭ চালানো থেকে শুরু করে কম্পিউটারে তৈরী বিভিন্ন ভার্চুয়াল পরিস্থিতি মোকাবেলার কৌশল শিখছেন তারা।দক্ষিণ ভারতে চেন্নাইয়ের এই প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে আফগান নারীদের অংশ নেয়া এটাই প্রথম। আফগানিস্তানের পুরুষ সেনারা এখানে বেশ কয়েক বছর ধরে প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন।নারীরা এখানে অস্ত্রচালনা, কৌশল এবং সরঞ্জামাদি ব্যবহার এবং সামরিক যান পরিচালনা শিখতে পারেন। এটাই ভারতের একমাত্র প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, যেখানে নারী-পুরুষ উভয়েরই প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা রয়েছে।

এই সপ্তাহে আফগান নারীরা শিখেছেন কিভাবে একে-৪৭ চালাতে হয়। পাশাপাশি ক্লাসরুমে শেখানো হয়েছে, অ্যামবুশ পরিস্থিতিতে কি করতে হবে।তিন সপ্তাহের এই কোর্স শেষ হবে ২৪ ডিসেম্বর। এটাকে দেখা হচ্ছে পাইলট প্রকল্প হিসেবে। আগামী বছর সম্পূর্ণ একটি প্রশিক্ষণ কোর্সের আয়োজনে এই পাইলট প্রকল্প সহায়তা করবে। আফগান ন্যাশনাল আর্মি আরও বেশি সংখ্যক নারী সেনা নেয়ার যে পরিকল্পনা করছে, তার অংশ হিসেবে এই প্রশিক্ষণের কথা ভাবা হচ্ছে।

আফগানিস্তান বলছে, তারা সেনাবাহিনীতে নারীর সংখ্যা ১০ শতাংশে উন্নীত করতে চায়। কিন্তু এটা অনেকেই উচ্চাকাঙ্ক্ষী পরিকল্পনা বলছেন, কারণ বর্তমানে সেনাবাহিনীতে নারীর সংখ্যা মাত্র ৩ শতাংশ।যুদ্ধ-কবলিত আফগানিস্তানে নানা বিপদ থাকায় যে সব নারী সেনাবাহিনীতে নাম লেখান তাদেরকে নানা সমালোচনার মুখে পড়তে হয়।

আফগান বিমানবাহিনীতে প্রথম নারী হিসেবে পাইলটের পদে উন্নীত হন নিলুফার রাহমানী। এরপর থেকে আফগান নারীদের কাছে আদর্শ হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছিলেন তিনি।কিন্তু গত বছর যুক্তরাষ্ট্রে আশ্রয় গ্রহণ করতে হয় তাকে। তিনি জানান, জঙ্গিদের কাছ থেকে হত্যার হুমকি পেয়েছেন তিনি। এমনকি তার সহকর্মীদের অনেকে তাকে অপমান করেছে।

১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত তালেবানদের শাসনামলে শিক্ষা থেকে বঞ্চিত ছিল নারীরা। তখন বোরকা বা কোন পুরুষ সঙ্গী ছাড়া তাদের বাইরে যাওয়া নিষেধ ছিল।তালেবান শাসন অবসানের ১৫ বছর পরও লিঙ্গ সমতা সেখানে সুদূরের স্বপ্নের মতোই রয়ে গেছে। যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি প্রতিনিয়তই দেয়া হচ্ছে।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..